
বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক ১২ এপ্রিল ২০২১ তারিখে লিকুইফাইড
পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্যহার পুননির্ধারণ আদেশ-২০২১-এ বলা হয়:
বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন-২০০৩-এর ধারা ২২(খ) এবং ধারা ৩৪ অনুযায়ী
প্রবিধানমালার মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে এলপিজিসহ পেট্রোলিয়ামজাত
পদার্থের মূল্যহার নির্ধারণ করা অত্র কমিশনের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে এলপিজিসহ
পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থের ট্যারিফ নির্ধারণ-সংক্রান্ত (১) বাংলাদেশ
এনার্জিরেগুলেটরি কমিশন প্রবিধানমালা-২০১২; (২) বাংলাদেশ এনার্জিরেগুলেটরি
কমিশন প্রবিধানমালা-২০১২ এবং (৩) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন
প্রবিধানমালা-২০১২ প্রণয়ন করা হয় এবং সেগুলোর ওপর আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের ভেটিং গ্রহণের লক্ষ্যে ২৭ জুন ২০১২ এবং ৩ জুলাই ২০১২ তারিখে
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে প্রেরণ করা হয়, যা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এলপিজির
মূল্যহার নির্ধারণের জন্য কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ৩১
জুলাই ২০১৬ তারিখে কমিশনে একটি পত্র প্রেরণ করে। বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশন আইন-২০০৩ মোতাবেক ক্যাবের আবেদনের ভিত্তিতে মূল্যহার
পুননির্ধারণের পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ না থাকায় কমিশন ওই আবেদন আমলে নেয়নি।
অতঃপর ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির মূল্যহার পুননির্ধারণের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে
ক্যাব হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর- ১৩৬৮৩/২০১৬ দায়ের করে। ওই রিট
পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ২৫ আগস্ট-২০২০ একটি দেন।
ওই
আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন কর্তৃক দাখিলকৃত জবাব হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক
বিবেচিত না হওয়ায় ২৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ স্বপ্রণোদিত (ঝঁড়
গড়ঃড়) হয়ে কনটেম্পট পিটিশন নং-৪৪৭/ ২০২০-এ আদালত অবমাননার রুল ইস্যু করেন।
ফলে কমিশন হাইকোর্ট বিভাগের ওই আদেশ প্রতিপালনের উদ্যোগ নেয় এবং ১৪
জানুয়ারি ২০২১ গণশুনানি আয়োজন করে। সরকারি-বেসরকারি লাইসেন্সিদের এলপিজির
মূল্যহার পুননির্ধারণ প্রস্তাব কমিশনে পাঠাতে বলা হয়। আগ্রহী
ব্যক্তি/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানসমূহকে গণশুনানিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে
কমিশনের ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমে গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। গণশুনানিতে ক্যাব
ও সরকারি-বেসরকারি লাইসেন্সিদের প্রতিনিধসহ গণমাধ্যম কর্মী, সংস্থা ও
সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট নাগরিকরা অংশগ্রহণ
করেন।
গণশুনানিন্তে ১২ এপ্রিল ২০২১ তারিখে কমিশন প্রতি ১২.৫ কেজি
বোতলজাত এলপিজির মূল্যহার বেসরকারি লাইসেন্সিদের ক্ষেত্রে ১০৬৮ টাকা থেকে
১০১৬ টাকা এবং সরকারি লাইসেন্সিদের ক্ষেত্রে ৬০০ টাকা থেকে ৫৯১ টাকা
পুননির্ধারণ করে। মূল্যহারে সমন্বয়কৃত মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ,
ডিস্ট্রিবিউটর চার্জ এবং রিটেইলার চার্জ নির্ধারণ করে বেসরকারি
লাইসেন্সিদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১৪৯ টাকা, ২৫ টাকা ও ২৮ টাকা। সরকারি
লাইসেন্সিদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১১৭.৭৫ টাকা, ৫০ টাকা ও ৩০ টাকা। এলপিজি
আমদানি মূল্যহার ধরা হয় ৬৪২ টাকা। জাহাজ ভাড়া ও প্রিমিয়াম চার্জ ও সেই
সঙ্গে অন্যান্য চার্জ ধরা হয় যথাক্রমে ১০১ টাকা ও ৭ টাকা। উৎস/ইআরএল
পর্যায়ে সরকারি এলপিজির মূল্যহার ধরা হয় ৩৫৭.৮৯ টাকা।
ঘোষিত মাসভিত্তিক
সৌদি সিপির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজি/আটোগ্যাসের মূল্যহার
শুনানিন্তে নির্ধারণের জন্য সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে গণশুনানিতে পক্ষগণ
প্রতিনিধিদের আপত্তি উপেক্ষা করে কমিশন অত্র আদেশের ৮(৬) অনুচ্ছেদে ক্যাব ও
লাইসেন্সি উভয়ের প্রতিনিধি নিয়ে ৭ সদস্যের এক কমিটি গঠন করে। এ কমিটির
সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন গণশুনানি ব্যতীত নির্বাহী আদেশে প্রতি মাসে সৌদি
সিপির ভিত্তিতে এলপিজির মূল্য সমন্বয় আদেশ দেয়। এ কমিটি স্বার্থসংঘাত যুক্ত
হাওয়ায় এবং বিইআরসি আইন ও প্রবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ক্যাব
এ কমিটিতে তার প্রতিনিধি পাঠায়নি। অর্থাৎ কমিটিতে ক্যাবের প্রতিনিধি
অনুপস্থিত। অবশ্য এলএনজির আমদানি মূল্য ভোক্তাপর্যায়ে গ্যাসের মূল্যহারে
মাসভিত্তিক সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুরূপ গঠিত কমিটি ক্যাবের দায়েরকৃত
১৮১২০/২০২২ নম্বর রিট মামলায় উচ্চ আদালত স্থগিত করে রেখেছেন।
ক্যাব ৬
ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে কমিশনের চেয়ারম্যানকে লেখা পত্রে প্রতি ১২.৫ কেজি
সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের বিদ্যমান মূল্যহার ৬৯০ টাকা বহাল রেখে এ
মূল্যহারে এলপিজি বস্তিবাসী নারী ও নারীদের হোটেল-রেস্তোরাঁর ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ায় বিতরণের প্রস্তাব করে। পত্রে উল্লেখ করা হয়, সরকার ভর্তুকি দিয়ে
সাশ্রয়ী মূল্যে দরিদ্র ভোক্তাদের বিদ্যুৎ দেয়। ২০২৪ সালের হিসেবে দেখা যায়,
সরকার ৪৩.৮৪ শতাংশ আবাসিক ভোক্তাকে দরিদ্র হিসেবে লাইফ লাইন গ্রাহকের
মূল্যহারে বিদ্যুৎ দেয়। বেসরকারি বা কালোবাজারে সরকারি এলপিজির মূল্যহার
১,৫৪০ টাকা বা তারও বেশি। অথচ সাশ্রয়ী মূল্যের সরকারি এলপিজি বিত্তবানদের
দেওয়া হয়। আবার কমিশনের নির্ধারিত মূল্যহার অপেক্ষায় লাইসেন্সিরা বেশি
মূল্যহারে এলপিজি বিক্রি করে। তা নিয়ন্ত্রণে কমিশন নিষ্ক্রিয়। জ্বালানি
সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য এমন অবিচার, অনাচার, বৈষম্য ও অসমতার অবসান এবং
প্রান্তিক জনগণের জ্বালানিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হতে হবে। বিইআরসি এ
প্রস্তাব বরাবরের মতো এবারও উপেক্ষা করেছে।
কমিশনের হিসেবে তিতাসের
গ্যাস বিতরণে সিস্টেম লস ০২ শতাংশ। কিন্তু তিতাসের হিসেবে তা ১৩.৫৩ শতাংশ।
তিতাসে গ্যাস অপচয় ও চুরি নিয়ন্ত্রণহীন। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে
কমিশন পক্ষগণ প্রতিনিধিদের প্রস্তাব আমলে নেয়। অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও
নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা এবং আবাসিকে প্রিপেইড ও শিল্পে এভিসি মিটার
লাগানোর আদেশ দেয়। আদেশ কার্যকর করা না হলেও কমিশন নিষ্ক্রিয়। প্রতি বছর
এলপিজি ও তিতাসের গ্যাস বিস্ফোরণে ভোক্তারা নির্বিচারে মারা যাচ্ছে। এর
কোনো প্রতিকার নেই। ভোক্তাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। কমিশন নির্বিকার।
পরিস্থিতি দেখে মনে হয় রোম পোড়ে, নিরো বাঁশি বাজায়। বিগত ৮ মে তারিখে
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী তার বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ
হয় এবং হাসপাতালে মারা যায়। এ অবস্থায় ক্যাব ১৫ মে ২০২৫ তারিখের এক পত্রে
তিতাসের কাছে ২০০১ সাল থেকে হালনাগাদ (১) যত দুর্ঘটনা ঘটেছে, প্রতিটি
দুর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট এবং প্রতিটি দুর্ঘটনার ব্যাপারে গৃহীত
ব্যবস্থাবলির বিবরণ, (২) অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও গ্যাস নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা
সংক্রান্ত বছরভিত্তিক তথ্যাদি এবং সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গৃহীত
ব্যবস্থাগুলোর বছরভিত্তিক বিবরণ, (৩) তিতাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
বিরুদ্ধে গৃহীত বিভাগীয় কার্যক্রমের বছরভিত্তিক বিবরণ এবং (৪) মোট গ্যাস
সরবরাহ ও সিস্টেমলসের বছরভিত্তিক বিবরণ চেয়ে পাঠিয়েছে। যদি কমিশন বিআরসি
আইনের আওতায় অর্পিত দায়িত্ব পালনে আন্তরিক ও সক্রিয় হতো তাহলে ভোক্তাদের
এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হতে হতো না।
বিইআরসির সাবেক চেয়ারম্যান
আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে আদালতের ২৫ আগস্ট ২০২০ তারিখের আদেশ অবমাননার
অভিযোগ গঠিত হয়, কারণ তিনি হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে গণশুনানি করে এলপিজির দাম নির্ধারণ করেননি। এ আদেশ অমান্য করায়
২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর আদালত তার বিরুদ্ধে কন্টেম্পট রুল ইস্যু করেন এবং
কারণ দর্শাতে বলেন কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। রুল
নিষ্পত্তির সময় আদালত আব্দুল জলিলের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টি
বিবেচনায় নেন। তবে তাকে সরাসরি ক্ষমা না করে আদালত বেশ কিছু মৌলিক বিষয়ের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আদালত বলেন, সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ দেশের সব সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্মকর্তার জন্য
বাধ্যতামূলক। কমিশনের মতো একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে তার এমন
দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশেষ করে আদালত
উল্লেখ করেন যে, গণশুনানি একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া যা জনস্বার্থ
সংশ্লিষ্ট, এবং তা এড়িয়ে গিয়ে দাম নির্ধারণ করা বেআইনি ও অসাংবিধানিক।
আদালতের
পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয় যে, আব্দুল জলিলের আচরণ ‘যরমযষু রৎৎবংঢ়ড়হংরনষব ধহফ
রহ পড়হঃবসঢ়ঃ ড়ভ ঃযব ড়ৎফবৎ ড়ভ ঃযব পড়ঁৎঃ’। এমন আচরণ একজন দায়িত্বশীল পাবলিক
অফিসার হিসেবে তার উপযুক্ততা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত এটিও
স্পষ্ট করেন যে, যদিও তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের উপাদান
বিদ্যমান ছিল, তার নিঃশর্ত ক্ষমা ও ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে
পালনের প্রতিশ্রুতির কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাকে সতর্ক
করা হয়েছে। সবশেষে, আদালত পরিষ্কারভাবে বলেন যে, বিচার বিভাগের আদেশ পালন
করা শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতাই নয়, বরং নৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকেও
গুরুত্বপূর্ণ। আব্দুল জলিলের এই আচরণ বিচার বিভাগের মর্যাদার প্রতি চরম
অবজ্ঞা প্রকাশ করে, যা ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য হবে না। যদিও আদালত তাকে সরাসরি
অপসারণ করেননি, তবে তার আচরণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনার বিষয় হিসেবে
চিহ্নিত করেছেন এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন যে, আদালতের
আদেশ অমান্য করলে শাস্তি অনিবার্য।
অতীতে আদালত অবমাননার অপরাধের শাস্তি
থেকে কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে
অব্যাহতি পান কিন্তু আদালতের বিবেচনায় একটি স্বায়ত্তশাসিত নিয়ন্ত্রণকারী
সংস্থার প্রধান হিসেবে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করা গুরুতর দায়িত্বহীনতা
এবং প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকেও অগ্রহণযোগ্য। তবে আদালত কঠোরভাবে
সতর্কবার্তা দেন যে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর গ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু বিগত ৫
মে তারিখে প্রদত্ত কমিশনের আদেশে আদালত অবমাননার অপরাধ পুনরায় ঘটেছে।
সুতরাং এ অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আদালতের জন্য বিশেষভাবে
গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ দিয়ে এবং সরকারি ও বেসরকারি
লাইসেন্সিদের লুণ্ঠনমূলক মুনাফা করার পথ উন্মুক্ত করে, কমিশন ভোক্তাদের
ন্যায্য ও যৌক্তিক মূল্যে জ্বালানি প্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
আগে কমিশনের পক্ষ থেকে কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আদালতকে তাদের নির্দেশনা
মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু একই অপরাধ পুনরায় করে তারা সে
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।
আদালতের
সরাসরি পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে যে, এ ধরনের আচরণ কমিশনের চেয়ারম্যান ও
সদস্যদের নিজ নিজ পদে থাকার যোগ্যতা ও উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত
স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, জনশুনানি এড়িয়ে এলপিজির মূল্য নির্ধারণের মতো
অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে তারা নৈতিক ও প্রশাসনিক ভিত্তি হারিয়েছে। আদালতের
বক্তব্য- ‘ঝঁপয পড়হফঁপঃ ড়ভ ঃযব ঈযধরৎসধহ ড়ভ ইঊজঈ সধু ধসড়ঁহঃ ঃড় ষধপশ ড়ভ
বষরমরনরষরঃু ধহফ/ড়ৎ ংঁরঃধনরষরঃু ঃড় যড়ষফ ংঁপয ঢ়ড়ংঃ’ -এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন
করে।
সুতরাং, আদালত অবমাননা ও জনগণের আস্থার অপব্যবহারের মতো গুরুতর ও
পুনরাবৃত্ত অপরাধের কারণে তারা তাদের নিজ নিজ পদে থাকার ন্যায্যতা ও
যোগ্যতা হারিয়েছেন।
লেখক: জ্বালানি উপদেষ্টা, ক্যাব ও ডিন, প্রকৌশল অনুষদ, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়
