টঙ্গী ব্রিজের কাছে
গ্যাস লাইনের ভালভ ফেটে লিকেজ হয়েছে। মেরামতের জন্য লাইনে গ্যাস সরবরাহ
বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে। ফলে সমগ্র উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখানসহ আশেপাশের
এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ আছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে
বলা হয়, উত্তরা টঙ্গী ব্রীজের কাছে শিল্প গ্রাহকের সার্ভিস লাইনের ভালভ
ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস লিকেজ হওয়ায় উত্তরার বিতরণ মেইন ১২ ইঞ্চি ব্যাসের
লাইন শাটডাউন করায় উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও আশেপাশের এলাকায় গ্যাস
সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ভালভটি প্রতিস্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
এর আগে গত
শনিবার গণভবনের সামনের একটি পাইপের ভালভ ফেটে যায়। এই লিকেজ মেরামতের জন্য
বিতরণ নেটওয়ার্কের বেশ কয়েকটি ভালভ বন্ধ করে চাপ সীমিত করতে হয় সে সময়। এতে
করে ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, গাবতলিসহ
আশেপাশের গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। যদিও বিকাল নাগাদ মেরামত করে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে হতে রাত ১১টা বেজে যায়।
এদিকে গত সপ্তাহে
বুধবার নোঙ্গরের আঘাতে তুরাগের নিচে ক্ষতিগ্রস্ত বিতরণ গ্যাস পাইপলাইন
মেরামত করা হলেও পাইপে পানি ঢুকে যায়। এ অবস্থায় গ্যাসে চাপ কমিয়ে মেরামতের
কাজ করা হচ্ছে। এখনও কাজ শেষ হয়নি। এরমধ্যে উত্তরার ফাটলে নতুন করে চাপ
কমানোয় গ্যাস সংকট আরও চরম আকার নিলো।
দু-সপ্তাহ ধরেই ঢাকার বেশিরভাগ
এলাকায় চুলা জ্বলছে না। বিশেষ করে গাবতলী থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট
পুরো এলাকায় গ্যাসের জন্য হাহাকার। এছাড়া অন্য এলাকায় নিভু নিভু আগুন
জ্বললেও তাতে রান্না করা যাচ্ছে না। ফলে রাজধানীবাসীর একটি অংশ ইলেকট্রিক
চুলা, রাইস কুকার, ইলেক্ট্রিক কেটলিতে কাজ সারছেন। অনেকে বাইরে থেকে খাবার
কিনেও খাচ্ছেন। এদিকে যারা পাইপলাইনের গ্যাস ব্যবহার করেন না, এলপিজি
ব্যবহার করেন তারা এই মুহুর্তে সংকটে আছেন, গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। পেলেও
দ্বিগুণ দামে কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।
