কুমিল্লার
লালমাই উপজেলার পশ্চিম পেরুল ঊষা ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শনিবার ২৭ জুন
বিকেলে প্রতিবছরের মতো এবারেও আন্ডারগ্রেড বৃত্তি প্রদান,মাধ্যমিক মেধা
বৃত্তি প্রদান, প্রাথমিক মেধা বৃত্তি সহ তিনটি ধাপে ২৩ জনকে শিক্ষা বৃত্তি
প্রদান করেছেন। এবছর ওই গ্রামের নাঙ্গলকোট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মো: সানা উল্যাহ সোহাগ ও পল্লী বিদ্যুৎতে কর্মরত
শ্রীমতি শিপ্রা সাহা এই দুজনকে শিক্ষা সম্মাননা দেওয়া হয়। আলীশ্বর সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অনিতা দত্ত এর সঞ্চালনায় ও
স্বর্গীয় পঙ্কজ কুমার রায়ের সহধর্মিণী শ্রীমতি প্রণতী রায়ের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হরিশ্চর ইউনিয়ন হাই স্কুল এন্ড কলেজের
অধ্যক্ষ মুহম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। স্বর্গীয়া ঊষা রায়ের বর্ণাঢ্য জীবনের
স্মৃতিচারণ করেন তাহার জ্যা মুকুল রায়।।
শিক্ষক যুগল অধ্যাপক অম্লান
কুসুম রায় ও অনিতা দত্ত তাদের গর্বিত সন্তান কানাডা প্রবাসী নীরা রায় এবং
প্রতীক রায়ের সহযোগিতায় ২০১৭ সাল থেকে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে ঊষা
ফাউন্ডেশন। প্রয়াত শ্রী কান্তি রায়ের জ্যেষ্ঠ সন্তান অম্লান কুসুম রায়ের
ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহধর্মিণী অনিতা দত্তের অনুপ্রেরণায় জন্মলগ্ন থেকে
দেবীকা স্মৃতি গ্রন্হাগার,ঊষা স্মৃতি পাঠাগার, বার্ষিক বৃত্তি প্রদান,ঊষা
মেমোরিয়াল ক্লাস এবং বিভিন্ন ধরনের মানবিক সহয়তার কাজ করে যাচ্ছেন মানবিক
এই সংগঠন। এছাড়া গরীব অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রদান, শিক্ষা বৃত্তি প্রদান
সহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে এই ফাউন্ডেশন।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা বেগম। উপস্হিত ছিলেন কিরণ
রায়, উৎপলা সাহা, ঝুমা সাহা,, প্রমুখ।
উপস্থিত সকলে এবং বক্তব্যে ঊষা
ফাউন্ডেশন এর সামাজিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন ঊষা
ফাউন্ডেশন এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে আমাদের এই
এলাকা। এধরনের কাজে সকলকে সম্পৃক্ত থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক
উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।
প্রধান
অতিথি হরিশ্চর ইউনিয়ন হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইলিয়াস
কাঞ্চন বলেন, ঊষা ফাউন্ডেশনের প্রেরণায় এগিয়ে যাচ্ছে পশ্চিম পেরুল সহ
আশপাশের শিক্ষার্থীরা। তিনি বলেন আমরা যখন পড়াশোনা করেছি তখন এতো সুযোগ
সুবিধা ছিলোনা, এখন কিন্তু শিক্ষাগ্রহণে অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। সকল
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন সপ্তাহে অন্তত ১ দিন স্কুলে গিয়ে সন্তানের
খোঁজ নিতে। তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
