নিজস্ব
প্রতিবেদক: কুমিল্লার লালমাইয়ে মো. বাহার (৩২) নামের এক যুবককে গলা কেটে
হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি নারীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর ওই নারীই জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ
ঘটনায় ঝুমুর নামের ওই নারীকে আটক করা হয়েছে।শনিবার সকালে লালমাই উপজেলার
বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দত্তপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাহার
ওই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। আটক ঝুমুর প্রতিবেশী রাসেল মিয়ার স্ত্রী।
সন্ধ্যায়
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমাই থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান । তিনি জানান,
নিহতের স্বজনদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি শনিবার সকালে বাহারকে বাড়ির পাশে
নির্জন স্থানে ডেকে নেন ঝুমুর। পরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা
করেন। এছাড়া হত্যার পর অভিযুক্ত ঝুমুরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন
করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায়
নিয়ে আসে। ঘটনাস্থল থেকে ঝুমুরকে আটক করা হয়। ঝুমুর ও বাহারের মধ্যে পরকীয়া
সম্পর্কের যে গুঞ্জন উঠেছে- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি বলেন, ওই নারী
দাবি করছে- বাহার তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল, তাই তিনিতাকে কুপিয়ে হত্যা
করেছেন। তবে তাকে ঘটনার বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের
সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঝুমুর ও বাহারের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে
আগেও এলাকায় কানাঘুষা চলছিল এবং এ নিয়ে সালিশ-বৈঠক হয়েছ।
নিহতের মা
নেহারা বেগমেরে দাবি, প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমি ও সীমানা নিয়ে বিরোধ ছিলো।
শনিবার সকালে ফজরের পর আমার ছেলে হাটতে বের হয়ে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা
হয়েছে। তিনি জানান, বাহারের দুই হাতের আঙ্গুল অকার্যকর থাকায় স্বাভাবিক
কোনো কাজকর্ম করতে পারতো না।
