
দিন
চারেক পরেই বিশ্বকাপ ফুটবল। এই মহাযজ্ঞের সময় প্রায় সকল দেশই ঘরোয়া
ফুটবলের কার্যক্রম সীমিত রাখে। বাংলাদেশেও শীর্ষ পর্যায়ের কোনো খেলা নেই।
তবে অ-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্ব পরিচালনা করবে বাফুফে।
অ-১৭
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বের ড্র অনুষ্ঠানে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। তার বর্তমান পরিচয় রাজনীতিবিদ হলেও
তিনি ক্রীড়াঙ্গনের প্রকৃত মানুষ। আশির দশকে পাইওনিয়ার ফুটবলের শীর্ষ
কর্মকর্তা ছিলেন। অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতিও ছিলেন। অ-১৭
চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বে সিটি কর্পোরেশন পৃষ্ঠপোষকতা করছে। ফুটবলের
উন্নয়নের জন্য পাইওনিয়ারকে গুরুত্বারোপ করে সালাম বলেন, ‘পাইওনিয়ার থেকে
কানন, মুন্না, সাব্বির থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় তারকা এসেছে। ফুটবল
ফেডারেশনকে পাইওনিয়ার নিয়মিত করতে হবে। এখন আমি প্রশাসক, সামনে যদি মেয়র
হতে পারি ফুটবলের উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখব।’
অ-১৭ জাতীয় ফুটবল
কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক জাতীয় ফুটবলার ছাইদ হাসান কানন। তিনি বলেন, ‘দুই
মাস বিরতির পর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি দল এক লাখ, চ্যাম্পিয়ন
ও রানার্স আপ যথাক্রমে ৩ ও ২ লাখ টাকা করে পাবে। সিটি কর্পোরেশনের
পাশাপাশি এনসিসি ব্যাংকও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে।’ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
বাফুফেকে ফুটবল উন্নয়নের জন্য ১০ কোটি টাকা দিয়েছিল। সেই টাকায় নারী ও
পুরুষ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, অ-১৭ ও অ-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ করার কথা। চূড়ান্ত
পর্বের সময় অন্য পৃষ্ঠপোষকতা প্রসঙ্গে বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন
চৌধুরি হ্যাপি বলেন, ‘আমাদের বাজেট ছিল ১৮ কোটি টাকা। মন্ত্রণালয় ১০ কোটি
টাকা দিয়েছিল। বাকি অর্থ স্পন্সরের মাধ্যমে যোগাড়ের অনুমতি রয়েছে
মন্ত্রণালয়ের।’
১৩ জুন কমলাপুর স্টেডিয়ামে চূড়ান্ত পর্ব শুরু হবে। এ
গ্রুপে জামালপুর, মাগুরা, নীলফামারী, চট্টগ্রাম; বি গ্রুপে সিরাজগঞ্জ,
রাজবাড়ী, পিরোজপুর ও মৌলভীবাজার অংশগ্রহণ করছে। দুই গ্রুপের দুই চ্যাম্পিয়ন
ও রানার্স আপ সেমিফাইনাল খেলবে। ২২ জুন টুর্নামেন্টের ফাইনাল।
