
নিজস্ব
প্রতিবেদক।। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ
বুঝিয়ে দেওয়ার পরও যদি সোলার প্যানেল স্থাপন বা রাস্তার নির্মাণকাজ শেষ না
হয়, তাহলে এর দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। ওই প্রতিষ্ঠানকে
জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কারণ ওই ঠিকাদার জেলা পরিষদেরই বিভিন্ন প্রকল্পে
কাজ করছে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, একই প্রতিষ্ঠান আরও প্রকল্পের কাজও
পেয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হলো, সে নির্ধারিত কাজগুলো কেন সম্পন্ন করেনি।
বিগত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে কুমিল্লা জেলা পরিষদে টেন্ডার হওয়া অনেক
উন্নয়নকাজ এখনও অসমাপ্ত কেন? বৃহস্পতিবার দুপুরে এনসিপির এক অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য
করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি
বলেন, সরকারি কাজগুলো সাধারণত কিছুটা ধীরগতিতে এগোয়। তবে বর্তমানে
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব হলো টেন্ডার সম্পন্ন হওয়া
প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না হলে
তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, যেসব প্রকল্পের
টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং কাজের আদেশ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে
হস্তান্তর করা হয়েছে, সেগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন প্রশাসনের।
উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য,
সাম্প্রতিক কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে কুমিল্লার মুরাদনগর ও দেবিদ্বার
উপজেলায় ১৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই ১৫
কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের ধীরগতি নিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ইঙ্গিত করে
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
