
ব্রাহ্মণপাড়া
সংবাদদাতাঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া
উপজেলার ৫ নং দুলালপুর ইউনিয়নে পরিবর্তনের প্রত্যাশা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ময়নল
হোসেন, যিনি ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় নয়-মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার
প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের আস্থার জায়গা তৈরি করতে শুরু
করেছেন। ময়নল হোসেন আফাজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং দুলালপুর ইউনিয়নের বেজুরা
এলাকার কৃতী সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার পাশাপাশি শিক্ষা, ধর্মীয় ও
সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একটি ইতিবাচক
ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ও বিভিন্ন
জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কারণে তার প্রতি একটি স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা তৈরি
হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এবার দুলালপুর
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয়
বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনসেবাকে
প্রাধান্য দিয়ে ময়নল হোসেন ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত
হয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন,
কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর ভূমিকা
রাখতে পারবেন। দুলালপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, ময়নল হোসেন একজন সফল
ব্যবসায়ী হলেও সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। অসহায়দের সহায়তা করা তার
স্বভাব। তিনি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন আরও দ্রুত এগোবে। তারা আরও
জানান, এলাকার স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদে তার নিয়মিত সহযোগিতা রয়েছে। যেকোনো
বিপদে তাকে পাশে পাওয়া যায়। তাই আমরা তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে
আগ্রহী। স্থানীয়দের ভাষ্য, আমাদের ইউনিয়নে কর্মসংস্থানের অভাব দীর্ঘদিনের
সমস্যা। ময়নল ভাই নির্বাচিত হলে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
তৈরি হবে-এমনটাই আমরা আশা করি। এ বিষয়ে ময়নল হোসেন বলেন, আমি কোনো ক্ষমতার
জন্য নির্বাচন করতে চাই না। আমি চাই দুলালপুর ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে
তাদের একজন সেবক হিসেবে কাজ করতে। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে
বড় শক্তি। জনগণ সুযোগ দিলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের
মাধ্যমে একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তুলব। ইতোমধ্যে দুলালপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন
এলাকায় তাকে ঘিরে ইতিবাচক আলোচনা ও সম্ভাব্য জনসমর্থনের আভাস মিলছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা-সততা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে নতুন
নেতৃত্বে দুলালপুর ইউনিয়নে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
