বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬
৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
বাংলাদেশে বজ্রপাত : জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষক ঝুঁকি ও নীরব দুর্যোগ
ড. অপর্না শীল
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম আপডেট: ০৫.০৫.২০২৬ ১:৪৬ এএম |

 বাংলাদেশে বজ্রপাত : জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষক ঝুঁকি ও নীরব দুর্যোগ
বাংলাদেশে বজ্রপাত এখন আর কেবল মৌসুমি আবহাওয়ার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি ধীরে ধীরে এক গুরুতর জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ুগত সংকটে রূপ নিচ্ছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে গ্রামীণ জীবন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
প্রতি বছর প্রাক-বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাতে শত শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন কৃষক, জেলে, দিনমজুর এবং খোলা মাঠে কাজ করা মানুষ। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে বজ্রপাতে মারা গেছেন ৩৬৫৮ জন মানুষ, যা এই দুর্যোগের ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
শুধু ২০২৫ সালেই প্রাণ হারিয়েছেন ২৬৩ জন, যাদের মধ্যে ১১০ জনই কৃষক অর্থাৎ মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই কৃষিকাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় যে বজ্রপাত কেবল একটি প্রাকৃতিক ঘটনা নয়, বরং এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে সম্পৃক্ত একটা দুর্যোগ।
২০২৬ সালের এপ্রিলের শেষ দিকেও পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। কয়েক দিনের ব্যবধানে বহু মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারান। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৬৪ জন এবং এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ২৮ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়, অধিকাংশ ঘটনাই ঘটে খোলা মাঠে কাজ করার সময়।
বাংলাদেশে বজ্রপাত কেন এত বেশি?
এই ভয়াবহতার পেছনে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দক্ষিণে উষ্ণ বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা—এই দুই বিপরীত প্রাকৃতিক শক্তির মাঝখানে অবস্থান করায় দেশের বায়ুমণ্ডলে প্রায়ই তীব্র অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।
বঙ্গোপসাগর থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস যখন উত্তরের তুলনামূলক ঠান্ডা ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে সংঘর্ষে আসে, তখন শক্তিশালী ঈড়হাবপঃরাব ঝঃড়ৎস (সংবহনজনিত ঝড়) তৈরি হয়, যা বজ্রপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
বজ্রপাত সৃষ্টি
প্রকৃতপক্ষে বজ্রপাত হলো বায়ুমণ্ডলীয় সংবহন-এর চরম ও দৃশ্যমান প্রকাশ। এই প্রক্রিয়ায় সূর্যের তাপে মাটির কাছের বাতাস হালকা হয়ে দ্রুত ওপরে উঠে যায় এবং চারপাশের ঠান্ডা বায়ুর সঙ্গে মিশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে। একই সঙ্গে ভূমির আর্দ্রতা, জলাশয় থেকে বাষ্পীভবন এবং উদ্ভিদের প্রস্বেদন থেকে উৎপন্ন জলীয়বাষ্প এই ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
এই ক্রমাগত উত্থানের ফলে প্রথমে আকাশে ছোট ছোট পুঞ্জমেঘ তৈরি হয়। উপরন্তু, গরম ও আর্দ্র বাতাস ক্রমাগত ওপরে উঠতে থাকলে মেঘের ভেতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বিপুল পরিমাণ সুপ্ত তাপ মুক্ত করে। এই তাপ আবার বাতাসকে আরও হালকা করে ওপরে উঠতে সাহায্য করে, এই স্ব-শক্তিবর্ধক প্রক্রিয়ার ফলেই মেঘ দ্রুত উল্লম্বভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বিশাল আকারের বজ্রগর্ভ পুঞ্জমেঘ তৈরি করে।
এই মেঘের ভেতরে একদিকে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহ এবং অন্যদিকে নিম্নমুখী বায়ুপ্রবাহ একসঙ্গে কাজ করে, যার ফলে বরফকণা, জলকণা এবং বায়ুকণার সংঘর্ষে বৈদ্যুতিক চার্জ আলাদা হয়ে জমা হতে থাকে। এক পর্যায়ে এই চার্জের ভারসাম্য ভেঙে গিয়ে ঘটে অর্থাৎ বজ্রপাত, যা কখনো মেঘের ভেতরে, কখনো মেঘ থেকে মাটিতে নেমে আসে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ করে শুষ্ক ও উষ্ণ মাটির অঞ্চলে দ্রুত উত্তাপের কারণে বজ্রঝড়ের সূচনা আরও সহজে ঘটতে পারে, কারণ শুষ্ক মাটি দ্রুত তাপ শোষণ করে এবং উপরের বায়ুকে দ্রুত ওপরে উঠতে সাহায্য করে।
বজ্রপাত ও বজ্রঝড়
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ বজ্রপাত বলতে বজ্রঝড় ও বজ্রপাত দুটোই বুঝে থাকে, তবে বাস্তবে দুটো আলাদা বিষয়। বজ্রপাত হলো আকাশ থেকে মাটিতে বা মেঘের ভেতরে সংঘটিত এক তীব্র বিদ্যুৎচমক, যার তাপমাত্রা প্রায় ৩০,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়েও বেশি।
অন্যদিকে বজ্রঝড় হলো একটি সম্পূর্ণ আবহাওয়াগত ব্যবস্থা, যেখানে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত একসঙ্গে ঘটে। তাই বজ্রপাত এবং বজ্রঝড় যদিও একই জিনিস নয়, তবে এরা একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং বজ্রপাতকে আলাদা ঘটনা হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর পরিচলন ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে দেখা হয়।
বজ্রপাতের মৌসুমি প্রবণতা
বাংলাদেশে বজ্রপাতের মৌসুমি প্রবণতাও এই বায়ুমণ্ডলীয় গতিবিদ্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে তুলনামূলকভাবে বজ্রপাত কম থাকে, কিন্তু মার্চ থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এটি বাড়তে শুরু করে।
এপ্রিল মাসে এসে তা তীব্র আকার ধারণ করে এবং মে মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এরপর জুন ও জুলাইয়ে কিছুটা হ্রাস পেলেও সেপ্টেম্বর মাসে আবার আংশিক বৃদ্ধি দেখা যায়। এই সময়কালকে বর্ষা-পূর্ব মৌসুম বলা হয়, যখন উচ্চ তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং কালবৈশাখী ঝড় একত্রে বায়ুমণ্ডলকে অত্যন্ত সক্রিয় ও অস্থিতিশীল করে তোলে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তন
বিশ্বব্যাপী এই ধরনের পরিচলনজনিত ঝড়ের প্রভাবও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বজ্রঝড় সংশ্লিষ্ট দুর্যোগে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন যে, ভবিষ্যতে বজ্রঝড় আরও তীব্র হতে পারে, কারণ পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা ধারণক্ষমতা বাড়ছে, যা শক্তিশালী পুঞ্জমেঘ গঠনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
বজ্রঝড়জনিত হাঁপানি: বজ্রঝড়ের আরেক বিপদ
বজ্রঝড়ের সঙ্গে শুধু প্রাণহানি নয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিও গভীরভাবে যুক্ত। বজ্রঝড়জনিত হাঁপানি এমন একটি ঘটনা যেখানে বজ্রঝড়ের পর হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক মানুষ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। গবেষক মার্কস এবং বুশ (২০০৭) দেখিয়েছেন যে এই ঘটনার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিবেশগত শর্ত একসঙ্গে কাজ করে।
বাতাসে উপস্থিত বাতাসবাহিত অ্যালার্জেন যেমন ঘাস, আগাছা বা গাছের পরাগ, ছত্রাকের স্পোর, ইত্যাদি বজ্রঝড়ের সময় শক্তিশালী ঠান্ডা বায়ুর বিস্তারসীমার কারণে মাটির কাছাকাছি ঘনীভূত হয়। একই সঙ্গে বৃষ্টির পানির অভিস্রবণজনিত চাপে পরাগ রেণু ভেঙে অতিক্ষুদ্র কণা তৈরি হয়, যা সহজেই ফুসফুসে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে।
এই প্রক্রিয়াকে আরও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়ার একজন আবহাওয়াবিদ, ডান্তে রিচ্চি, সায়েন্টিফিক আমেরিকান-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে, বজ্রঝড়ের বাতাস মাটিতে থাকা পরাগ, ধূলিকণা এবং অন্যান্য কণাকে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়। তার ভাষায়, “যেকোনো পরাগরেণু, যেকোনো ধূলিকণা বা মাটিতে পড়ে থাকা যেকোনো কিছুই ছড়িয়ে পড়বেৃ”, যা দেখায় কীভাবে ঝড়ের বাতাস পরিবেশের ক্ষুদ্র কণাগুলো বাতাসে ছড়িয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
কৃষকেরাই সবচেয়ে বড় শিকার
বাংলাদেশে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন কৃষকেরা। ধান কাটা, সেচ দেওয়া, গবাদিপশু আনা বা ঘাস কাটার মতো কাজের সময় তারা খোলা মাঠে থাকেন। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় মানুষই প্রায়শ সবচেয়ে উঁচু বস্তুর মতো আচরণ করে, ফলে বজ্রপাত সরাসরি আঘাত হানার ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে বজ্রপাতে নিহতদের প্রায় ৮৭ শতাংশই উন্মুক্ত স্থানে ছিলেন।
বজ্রপাত সংশ্লিষ্ট কুসংস্কার
এই বাস্তবতার পাশাপাশি সমাজে কিছু কুসংস্কারও প্রচলিত রয়েছে, যেখানে বলা হয় বজ্রপাতে মৃত মানুষের শরীর ‘চুম্বকের মতো’ হয়ে যায় এবং তা নিয়ে ভুল বিশ্বাস থেকে লাশ চুরির মতো ঘটনাও ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক মাধ্যমে দেখা যায়, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির লাশ পাহারা দিতে হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এর আগেও লাশ চুরির ঘটনাও ঘটেছে। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এসব ধারণার কোনো ভিত্তি নেই; এটি সম্পূর্ণ অন্ধবিশ্বাস। বজ্রপাত কোনো অতিপ্রাকৃত ব্যাপার নয় বরং একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক বৈরিতা।
বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয়
বজ্রপাত থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নির্দেশনা যথেষ্ট স্পষ্ট। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও বজ্রপাতের সময় করণীয় বিষয়ে প্রচার প্রচারণা করে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার মতে, বজ্রপাতের সময় বাইরে কোনো স্থানই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। বজ্রের শব্দ শোনা মাত্রই দ্রুত কংক্রিটের ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়া উচিত।
খোলা মাঠে থাকলে উঁচু গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকতে হবে। নদী বা সমুদ্রে থাকলে নৌকার ছাউনির নিচে যেতে হবে, আর ঘরের ভেতরেও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও পানি সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা জরুরি। কেউ বজ্রপাতে আহত হলে তাকে বৈদ্যুতিক শকে আক্রান্ত রোগীর মতো দ্রুত চিকিৎসা দিতে হবে। অনেকেই ভুলভাবে মনে করেন বজ্রপাতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে বিদ্যুৎ রয়ে যায়। বাস্তবে এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রপাতপ্রবণ বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় পরিকল্পিত গাছভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আংশিক ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে কৃষিজমির আইল, রাস্তার ধারে ও খোলা মাঠসংলগ্ন এলাকায় তাল, সুপারি এবং অন্যান্য পামজাতীয় গাছ লাগানোর বিষয়ে প্রচুর আলোচনা রয়েছে।
বিশেষ করে তালগাছকে দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বজ্রপাত থেকে সুরক্ষায় উপকারী বলে মনে করা হয়। এসব গাছ সাধারণত লম্বা, গভীর মূলবিশিষ্ট এবং ঝড়-সহনশীল হওয়ায় অনেক সময় প্রাকৃতিক বজ্রআকর্ষণ বিন্দু বা প্রাকৃতিক সুরক্ষা বলয় হিসেবে আংশিক ভূমিকা রাখতে পারে বলে কিছু গবেষক ও দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ মনে করেন।
একই সঙ্গে এগুলো বাতাস প্রতিরোধী বাধা হিসেবেও কাজ করতে পারে এবং খোলা মাঠে বায়ুর প্রবাহ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, এসব গাছ কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থার বিকল্প নয়।
বজ্রপাত: একটি জাতীয় দুর্যোগ
বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু শুধু ঘোষণা দিলেই হবে না, গ্রামীণ এলাকায় বজ্রনিরোধক স্থাপন, মাঠে নিরাপদ শেল্টার নির্মাণ, মোবাইল ওয়ার্নিং সিস্টেম চালু এবং ব্যাপক গণসচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে বজ্রপাতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। আর এর সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাঠে কাজ করা সাধারণ মানুষ-কৃষক, জেলে ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী। তাই গাছ লাগানো, সচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং নিরাপদ আশ্রয়, সবকিছু মিলে একটি সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাই ভবিষ্যতে প্রাণহানি কমানোর একমাত্র কার্যকর পথ।
তথ্যঋণ

1| https://doi.org/10.1080/15440478.2026.2651987
2| https://doi.org/10.1016/j.jaci.2007.07.012
3| https://www.weather.gov/bmx/sps_svrsafetyrules
4| https://www.nationalgeographic.com/environment/article/pollen-allergies-thunderstorms-asthma
5| https://wmo.int/media/news/atlas-of-mortality-and-economic-losses-from-weather-climate-and-water-extremes-1970-2019
6| https://watchers.news/2026/04/27/least-14-reported-dead-severe-thunderstorms-bangladesh-april-2026/?utm_source=chatgpt.com
7| https://doi.org/10.1038/s41586-025-10045-7
8| Several Bangladeshi Newspaper
লেখক: অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত
কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
কুমিল্লায় বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার
তিন বছর স্ট্যান্ডের ইজারা নেই, বছরে কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে মানসিক প্রতিবন্ধি রোগী নিখোঁজ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেললাইন চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর বৈঠক
জলাবদ্ধতা নিরসনে কুমিল্লা নগরীর খাল পরিদর্শনে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু
কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত
কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২