বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬
৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
হাওরের কান্না: প্রাকৃতিক নাকি ভুল পরিকল্পনার খেসারত?
রাসেল আহমদ
প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১২:৫১ এএম আপডেট: ১১.০৫.২০২৬ ১:৩৪ এএম |

 হাওরের কান্না: প্রাকৃতিক নাকি ভুল পরিকল্পনার খেসারত? বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর আবারও দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার গভীর দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিস্তীর্ণ সবুজ ধানের মাঠ কয়েক দিনের ব্যবধানে পরিণত হয়েছে অথৈ পানির সাগরে। আধাপাকা ধান ডুবে গেছে পানির নিচে। কোথাও পানিতে পচছে কাটা ধান। কোথাও কৃষক বুকসমান পানিতে নেমে শেষ চেষ্টা হিসেবে কাঁচা ধান কাটছেন। আবার কোথাও ফসলহানির শোক সহ্য করতে না পেরে কৃষকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। হাওরের মানুষের এই কান্না শুধু প্রাকৃতিক কারণে নয়, ভুল উন্নয়ন পরিকল্পনারও ফল। হাওরের ফসলহানি শুধু হাওরাঞ্চলের দুর্ভাগ্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষিনীতি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৫০ হাজার ৭৩ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবার। বেসরকারি হিসাব বলছে, ক্ষতির পরিমাণ ৮০ হাজার হেক্টরেরও বেশি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ এক হাজার ১১০ কোটি টাকার বেশি। এতে প্রায় আড়াই লাখ কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু একটি মৌসুমের ক্ষতি হিসেবেই বিষয়টিকে দেখলে ভুল হবে। কারণ দেশের মোট চাল উৎপাদনের ৬০ শতাংশের বেশি আসে বোরো মৌসুম থেকে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি হাওর জেলা একাই দেয় প্রায় ২০ শতাংশ বোরোর জোগান। ফলে হাওরের ফসলহানি দেশের বাজারে বড় প্রভাব ফেলে।
এই বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে, কেন প্রতি বছর একই ধরনের বিপর্যয় ঘটছে? কেন হাওরের ফসল রক্ষার নামে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও কৃষকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না? কেন উন্নয়ন প্রকল্পের সংখ্যা বাড়লেও জলাবদ্ধতা, ফসলহানি ও কৃষকের অনিশ্চয়তা কমছে না?
হাওর মূলত একটি জীবন্ত জলাভূমি ব্যবস্থা। প্রাকৃতিক নিয়মে হাওরে বর্ষায় পানি আসে এবং শুষ্ক মৌসুমে ধীরে ধীরে পানি সরে যায়। কিন্তু গত কয়েক দশকে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদী দখল, খাল-বিল ভরাট, অকার্যকর স্লুইসগেট এবং পলি জমে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় হাওরের স্বাভাবিক চরিত্র বদলে গেছে। ফলে সামান্য অতিবৃষ্টি কিংবা উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলেও পানি আটকে থেকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
হাওরে আগাম বন্যা ছিল ফসলহানির সবচেয়ে বড় দুর্যোগের নাম। কিন্তু এবার দুর্যোগের ধরন পাল্টে জলাবদ্ধতার রূপে দেখা দিয়েছে। এপ্রিলের শেষদিকে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা না থাকায় বহু এলাকায় পানি আটকে যায়। কোথাও ফসলরক্ষা বাঁধ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে, কোথাও আবার পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ থাকায় ধানজমির পর ধানজমি পানির নিচে ডুবে যায়। অর্থাৎ বিপদ শুধু বন্যা নয়; এর চেয়ে বড় সংকট হলো দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা।
বিশেষজ্ঞরা বহু বছর ধরেই বলে আসছেন, হাওর সমস্যাকে শুধু বাঁধ নির্মাণের দৃষ্টিতে দেখলে সমাধান হবে না। কারণ হাওর কোনো স্থির জমি নয় যে চারপাশে বাঁধ দিলেই নিরাপদ থাকবে। এটি একটি চলমান জলপ্রবাহনির্ভর বাস্তুতন্ত্র। অথচ বাস্তবে প্রতি বছর অস্থায়ী মাটির বাঁধ নির্মাণেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিবছর নতুন প্রকল্প, বিপুল বরাদ্দ ও ব্যয়ের সুযোগ তৈরি হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না।
হাওরের মানুষ এখন এমন এক দ্বৈত সংকটের মধ্যে বাস করছে, যেখানে একদিকে জলাবদ্ধতায় ফসল নষ্ট হয়, অন্যদিকে হঠাৎ বাঁধ ভেঙে ঢলে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। এই দুই বিপরীত চিত্র আসলে একই নীতিগত ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।
এখানে কৃষি পরিকল্পনার প্রশ্নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ির বাসিন্দা জলি তালুকদারের সঙ্গে চলতি দুর্যোগ নিয়ে আলাপ হচ্ছিল। তিনি জানান, অনেক কৃষকের অভিযোগ–এ বছর বিএডিসি ব্রি-৮৮ জাতের কথা বলে দীর্ঘ জীবনচক্রের হাইব্রিড বীজ সরবরাহ করেছে, যার ফলে ধান পাকতে প্রায় ২৩ দিন বেশি সময় লেগেছে। এ বিষয়ে হাওর এলাকায় কর্মরত এক কৃষি কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি অভিযোগ আংশিক সত্য বলে স্বীকার করেছেন। পেশাগত অবস্থানের কারণে ওই কর্মকর্তা পুরোপুরি স্বীকার না করলেও বিষয়টিতে স্পষ্ট অসঙ্গতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এখন যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু একটি প্রশাসনিক ভুল নয়; বরং কৃষকের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত গুরুতর নীতিগত ব্যর্থতা। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হাওরে অকাল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বাড়ছে, এটি এখন প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা। সেখানে স্বল্পমেয়াদি ও আগাম কাটার উপযোগী জাতের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি জাত বিতরণ কেন করা হলো, তার জবাবদিহি প্রয়োজন।
এবার চরম দুর্যোগের মুহূর্তে শ্রমিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌসুমি শ্রমিক হাওরে ধান কাটতে আসত। এখন কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, শহরমুখী শ্রমশক্তি এবং পরিবহন ব্যয়ের কারণে সেই প্রবণতা কমেছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত হারভেস্টার না থাকায় কৃষক সময়মতো ধান কাটতে পারেনি। আবার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধ জমিতে হারভেস্টার কার্যকর হয়নি। ফলে কৃষক বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কাটলেও তা থেকে ভালো মানের চাল পাওয়া যাচ্ছে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভেজা ধানের কম দাম। যে ধান একসময় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা মণ বিক্রি হতো, এখন তা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।
কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করার কথা বলা হলেও হাওরের প্রকৃতি ও পরিবেশ উপযোগী যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি। যে কারণে কম্বাইন্ড হারভেস্টার শুধু নন-হাওর অর্থাৎ উঁচু ও শুকনো জমির ধান কাটতে পারে। এখনো ড্রায়ারের ব্যবহার শুরু হয়নি। এদিকে টানা বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশে রোদের দেখা মিলছে না। কৃষকের খলায় স্তূপ আকারে দিনের পর দিন পড়ে থাকা ধানে লম্বা অঙ্কুর গজিয়েছে। এসব ধানের বেশির ভাগই নষ্টপ্রায় বা খাদ্যোপযোগিতা হারিয়েছে।
অর্থাৎ কৃষক এখন ত্রিমুখী সংকটে। ফসলহানি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারমূল্য কমে যাওয়া–এই তিন আঘাত একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাদের। এর সঙ্গে রয়েছে ব্যাংকঋণ, এনজিও কিস্তি এবং দাদনদারদের চাপ। ফলে হাওরের বহু পরিবার এখন খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে।
২০১৭ সালের হাওর বিপর্যয়-এর অভিজ্ঞতা এখনও দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। ওই বছর প্রায় দুই লাখ হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হয়েছিল এবং পরে চালের বাজারে রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। এবার ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও পরিস্থিতিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ দেশে চালের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। ইতোমধ্যে দেশকে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করতে হয়েছে। ফলে হাওরে ধারাবাহিক ফসলহানি ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তাকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।
এই বাস্তবতায় সরকারের কর্তাব্যক্তিরা পাঁচ বছর মেয়াদি সমন্বিত পরিকল্পনার ঘোষণা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সঠিকভাবেই বলেছেন, শুধু ত্রাণ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা, নদী ও খাল খনন, জলমগ্ন সড়ক নির্মাণ, সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, হাওর উপযোগী ধানের জাত উদ্ভাবন, কৃষিযন্ত্র সরবরাহ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষাকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে।
তবে হাওরের মানুষ বহু বছর ধরে নানা পরিকল্পনার ঘোষণা শুনে এসেছে। বাস্তবতা হলো, অতীতের বহু প্রকল্পই দুর্নীতি, সমন্বয়হীনতা এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল দেয়নি। বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হলেও তার বড় অংশ ছিল লুটপাট ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক। এই স্বীকারোক্তি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমস্যার মূল জায়গা চিহ্নিত না করলে সমাধান সম্ভব নয়।
হাওর উন্নয়ন নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ছিল এটিকে শুধু প্রকৌশলগত সমস্যা হিসেবে দেখা। অথচ এটি একই সঙ্গে কৃষি, পানি, পরিবেশ, মৎস্য, জীববৈচিত্র্য এবং স্থানীয় অর্থনীতির সমন্বিত সংকট। ফলে একক কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে এর সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা।
হাওরের জল-কাদায় বেড়ে ওঠা কৃষকের সন্তান হিসেবে সবার আগে যে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই, তা হলো-হাওরাঞ্চলে নদীখনন এখন আর বিকল্প নয়; এটি অপরিহার্য। তবে নদীখননকে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি হতে হবে একটি সমন্বিত জল, কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনার অংশ। এর জন্য প্রয়োজন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান, যেখানে হাইড্রোলজি, কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতি একীভূতভাবে বিবেচিত হবে। খননের লক্ষ্যও হতে হবে স্পষ্ট- অকাল বন্যা নিয়ন্ত্রণ, ফসল সুরক্ষা, মৎস্যসম্পদের প্রাকৃতিক পুনরুৎপাদন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ।
কারিগরি দিকেও কঠোর নজরদারি জরুরি। নদীর গভীরতা, প্রবাহের দিক, ধারণক্ষমতা এবং খননকৃত মাটির সঠিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। পরিকল্পিতভাবে এসব মাটি ব্যবহার করে উঁচু ভূমি সৃষ্টি, জলবায়ু সহনশীল বসতি, অবকাঠামো ও মৎস্যভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব।
হাওরের অকাল বন্যার উৎস মেঘালয়ের বৃষ্টিপাতপ্রবণ এলাকা। দিনে দিনে পাহাড়ে অতিরিক্ত গাছ কাটা ও পাথর অপসারণের ফলে পাহাড়ি বৃষ্টির পানি অসময়ে সরাসরি হাওরে নেমে আসে। এতে সবার আগে সুনামগঞ্জের হাওর, নদ-নদী প্লাবিত হয়।
প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো, সুনামগঞ্জ জেলার টাঙ্গুয়ার হাওর-সংলগ্ন আন্তঃসীমান্ত নদী যাদুকাটা, শাখানদী রক্তি ও বৌলাই একসময় সমৃদ্ধ মৎস্য ইকোসিস্টেমের অংশ ছিল। বর্তমানে এসব নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মাছের প্রজনন ও স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মাছের উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়েছে। তাই এসব নদীপথ পুনরুদ্ধার এখন জরুরি।
এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সমন্বয় ও শাসনব্যবস্থা। কোথায় খনন হবে, কোথায় সংরক্ষণ থাকবে, কীভাবে ইজারা ও বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ হবে-এসব বিষয়ে কঠোর ও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নদীসংযোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সুরমা-কুশিয়ারা নদী ব্যবস্থাকে মেঘনার সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা এবং পুরোনো নদীপথ পুনরুদ্ধার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অংশ হতে পারে।
নয়তো প্রতিবছরই নতুন নামে প্রকল্প আসবে, নতুন প্রতিশ্রুতি শোনা যাবে, কিন্তু হাওরের কৃষকের কান্না থামবে না।
লেখক: হাওর অঞ্চলের অধিকারকর্মী ও 'আমরা হাওরবাসী'-র প্রতিষ্ঠাতা












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত
কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
কুমিল্লায় বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার
তিন বছর স্ট্যান্ডের ইজারা নেই, বছরে কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে মানসিক প্রতিবন্ধি রোগী নিখোঁজ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেললাইন চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর বৈঠক
জলাবদ্ধতা নিরসনে কুমিল্লা নগরীর খাল পরিদর্শনে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু
কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত
কুমিল্লার তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২