বুধবার ১০ জুন ২০২৬
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
দান ছদক্বাহর ফজিলত
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৭ এএম আপডেট: ০৩.০৩.২০২৬ ১:৩৬ এএম |



 দান ছদক্বাহর ফজিলতদান ছদকাহ ইসলামী বিধি বিধানের মধ্যে একটি অন্যতম বিধান। যাদের তাওফিক আছে তাদের উপর দান ছদকাহ করা অবস্থা ভেদে ফরজ। এ বছর ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জন প্রতি সর্বনিম্ন ১১০/-(একশত দশ) টাকা। এর থেকে কম দিলে ফিতরা আদায় হবেনা। উর্ধ্বে যতই দেওয়া হোক কোন অসুবিধা নেই বরং ছাওয়াবের পরিমানও বাড়বে। যাকাত, দান-ছাদকাহ বা ফিতরা ইত্যাদি বিধান শরিয়তে রাখা হয়েছে মানুষের মাঝে বৈষম্য দূর করা, ভাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করা এবং ধনী গরিব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। দান ছাদকাহ দ্বারা মানুষের মান সন্মান বৃদ্ধি পায়, বালা মসিবত দুর হয় ও বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা হলো মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। তবে শর্ত হলো তা হতে হবে অবশ্যই মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। যেখানে থাকবেনা কোন লোক দেখানো কার্যক্রম। থাকবেনা অহংকারী ভাব। থাকবেনা অবৈধ উপার্জন। মনে রাখতে হবে আমার আপনার দান সেটা কোন গরিবের প্রতি অনুগ্রহ নয় বরং তার ন্যায্য অধিকার যা আমার আপনার কাছে ছিল সেটা তাকে দিচ্ছি। এখানে দানকারী নিজকে আহামরি কোন কিছু ভাবার সুযোগ নেই। যদি এই শর্তগুলি মেনে চলা যায় তাহলে আমরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারব। দানকারীদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেন- যারা আল্লাহর পথে তাদের ধন সম্পদ ব্যয় করে অতঃপর যা ব্যয় করে তা বলে বেড়ায়না এবং কাউকে কষ্টও দেয়না, তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। তাদের কোন ভয় নেই তারা চিন্তিতও হবে না। সুরা বাক্বারাহ, আয়াত নং২৬২।
বৈধ উপার্জন থেকে দান করা সম্পর্কে আল্লাহর বাণী- তোমরা যা উপার্জন কর এবং আমি যা ভুমি হতে তোমাদেরকে উৎপাদন করে দেই তন্মধ্যে যা উৎকৃষ্ট ও পবিত্র তা থেকে ব্যয় কর আর অবৈধ ও নিকৃষ্ট বস্তু ব্যয় করার ইচ্ছাও করিওনা। সুরা বাক্বারাহ, আয়াত নং২৬৭। উপরের আয়াত দ্বয় থেকে প্রথমটিতে দানকারীর ফজিলত ও দ্বিতীয়টিতে দানকারী বৈধ উপার্জন থেকে দান করা অবৈধ উপার্জন থেকে দান না করার তাগীদ দেওয়া হয়েছে। অবৈধ উপার্জন থেকে দান করে ছাওয়াবের নিয়্যত করলে ঐ ব্যাক্তির ঈমানই থাকবেনা।
নূর নবীজি দঃ বলেন- যে ব্যাক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমান দান করবে মহান আল্লাহ হালাল হালাল ব্যতিত কোন কিছুই কবুল করেন না। ফলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তা সানন্দে গ্রহণ করেন। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা দাতার কল্লানার্থে তা প্রতিপালন করতে থাকেন যেমন তোমাদের কেত ঘোড়ার বাছুর প্রতিপালন করে থাকো। অতঃপর তা পাহাড় পরিমান হয়ে যায়। (আর তার পুরোটাই ঐ দানকারী বান্দাহকে দেওয়া হয় অর্থাৎ তার আমলনামায় যুক্ত হয়।) সুবহানাল্লাহ ওয়া বিহামদিহি।
(অসমাপ্ত-)
লেখক: প্রধান ইমাম ও খতীব, কান্দিরপাড় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ ও কেন্দ্রিয় ঈদগাহ, কুমিল্লা।



















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
নগরভবন নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হলে ফেরত যাবে ১২৫ কোটি টাকা
কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল কুশপুত্তলিকায় আগুন, জুতা নিক্ষেপ
কুমিল্লায় পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাংচুর তিন পুলিশসহ আহত ৪, আটক ১
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা
বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হসপিটাল নতুন নামকরণ করে চালুর ঘোষণা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল কুশপুত্তলিকায় আগুন, জুতা নিক্ষেপ
সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদে কুমিল্লায় আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
নগরভবন নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হলে ফেরত যাবে ১২৫ কোটি টাকা
বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হসপিটাল নতুন নামকরণ করে চালুর ঘোষণা
কুমিল্লায় পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাংচুর তিন পুলিশসহ আহত ৪, আটক ১
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২