ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২(হোমনা-তিতাস) আসনে ১০ দলীয় জোট সমর্থিত
প্রার্থী ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে ইসলামীর সহ সেক্রেটারি মো.নাজিম
উদ্দিন মোল্লা বলেন,২৪ এর অভ্যুত্থান ইসলামী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্র শিবিরের
যথেষ্ট ভুমিকা ছিল এবং আমাদের চাওয়া ছিল আন্দোলন যাতে সফল হয়, ছাত্র জনতার
আন্দলোন সফল হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘকালের দুর্নীতি, বৈষম্য,
বিচারহীনতার সংস্কৃতি, পেশিশক্তির দৌরাত্ম্য, প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতা,
মাফিয়া ও সিন্ডিকেট, মাদকের সয়লাব, অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির মাধ্যমে লাশের
মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। শহীদ শরীফ উসমান হাদীর খুন তার সর্বশেষ
উদাহরণ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকালে তিতাস উপজেলা সদর কড়িকান্দি
বাজারস্থ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
সভায় তিনি একথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি মানবিক ও কল্যাণকর
আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রত্যাশা করেছিলাম। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা
ছিল-সকলে মিলে একটি ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন করবো। কিন্তু একটি
রাজনৈতিক দলের দায়িত্বহীন ও লোভাতুর মানসিকতার কারণে আজ দেশের সকল সূচকগুলো
নিম্নমুখী। তারা ক্ষমতার লোভে পতিত ফ্যাসিবাদ ও তার দোসরদের গলায় ফুলের
মালা পড়াচ্ছে। বিপদগামী যুবকদের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। কিশোর
গ্যাং তৈরী করে সাধারণ মানুষদের বাকস্বাধীনতা হরণ করছে। আগামী জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কেন্দ্রে না যায় সেজন্য
কেন্দ্রদখল, শারীরিকভাবে আঘাত করার আগাম বার্তা দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের
নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। অতীতের মতো মিথ্যা মামলা
দিয়ে হয়রানি অব্যাহত রেখেছে। একজন প্রার্থী হিসাবে আমি বর্তমান পরিস্থিতি
নিয়ে সংশয় ও শঙ্কা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী তিতাস উপজেলার
শাখার আমীর ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বিজ্ঞ এর সভাপতিত্বে এবং তিতাস উপজেলা
শাখা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো.সালাহউদ্দিন সরকার এর সঞ্চালনায়
বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা- ২ আসনে নির্বাচন পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ার হোসাইন,
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)তিতাস উপজেলা শাখা প্রধান সমন্বয়ক সাঈদ আহমেদ
সরকার, তিতাস উপজেলা শাখা কেলাফত মজলিশ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো.নুর নবী
প্রমুখ।
