নিজস্ব
প্রতিবেদক: প্রতীক বরাদ্দের দিনেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক দেখা গেছে
কুমিল্লায়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন জেলা রিটার্নিং অফিসারের
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, প্রতীক
বরাদ্দের সময়েই যদি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও আশপাশে প্রার্থী এবং
সমর্থকদের এমন ‘হুড়োহুড়ি-বিশৃঙ্খলা’ দেখা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে কী হবে?
জানা গেছে,
বুধবার
(২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং
অফিসারের কার্যালয়ে জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৮০ জন প্রার্থীর
মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসময় প্রতীক বরাদ্দ নিতে
প্রার্থী এবং তার প্রস্তাবক সমর্থক ছাড়া অন্য কারো উপস্থিত থাকার কথা না
থাকলেও বেশির প্রার্থী ও তাদের সমর্থককেই দেখা গেছে মিছিল নিয়ে স্লোগান
দিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রবেশ করেছেন। এমনও চিত্র দেখা গেছে এক
পর্যায়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষটি বিভিন্ন প্রার্থীর
নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এতে বন্ধ
হয়ে যায় প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম।
এসময় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রি ব্যক্ত করে বলেন, আপনারা যদি এই
অবস্থা অব্যাহত রাখেন তাহলে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম আমরা শুরু করবো না।
এখনই যদি এই অবস্থা হয়- ভবিষ্যতে কী হবে?
তবে এদিকে কোনো প্রার্থীর
সমর্থককেই ভ্রুক্ষেপ করতে দেখা যায়নি। পরে পরিস্থিতি কিছুটা ‘শান্ত’ হলে
পুনরায় প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মু. রেজা হাসান বলেন, প্রতীক বরাদ্দ
কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বেই আমরা প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহবান জানিয়েছি। সকালে আমরা আচরণ বিধিমালাও
তাদের সামনে তুলে ধরেছি। তারপরও সম্মেলন কক্ষ ও কার্যালয়ের নিচে কিছুটা
বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। আমরা প্রার্থীদেরকে স্পষ্টভাবে বলে
দিয়েছি আচরণ বিধি মেনে না চললে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
