টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে চায় না বাংলাদেশ। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে একই
অবস্থানে ছিল তারা। আইসিসি তাদের ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছে
আজ (বুধবার) সন্ধ্যার সভা শেষে। ভার্চুয়ালি এই সভায় আইসিসির প্রেসিডেন্ট
জয় শাহের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন পূর্ণ সদস্য দেশের ১৬ বোর্ড পরিচালক।
বাংলাদেশকে ভারতেই খেলা নিয়ে অবস্থান জানাতে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের
ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি ওঠায় বিশ্বকাপ সূচিতে পরিবর্তনের
সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সবশেষ আইসিসি সভা শেষে তেমন কোনো সম্ভাবনা আর নেই।
আইসিসিও এক বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে, তারা বস্তুনিষ্ঠ হুমকির মূল্যায়ন শেষে
নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি খুঁজে পায়নি। তাই সূচি সংক্রান্ত জটিলতা থাকছে
না। সূচি অপরিবর্তিত থাকার ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি।
এক বিবৃতিতে বিশ্ব
ক্রিকেট সংস্থা বলেছে, ‘আইসিসির ভেন্যু ও সূচি নির্ধারণের সিদ্ধান্তগুলো
বস্তুনিষ্ঠ হুমকির মূল্যায়ন, আয়োজক দেশের নিশ্চয়তা ও টুর্নামেন্টে
অংশগ্রহণের স্বীকৃত শর্তাবলি দ্বারা পরিচালিত হয়, যা অংশগ্রহণকারী ২০টি
দেশের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাকে বস্তুগতভাবে
বিঘ্নিত করতে পারে, এমন কোনো স্বতন্ত্র নিরাপত্তা ফলাফলের অনুপস্থিতিতে
আইসিসি ফিক্সচার স্থানান্তরে অপরাগ। এটি করা হলে বিশ্বের অন্যান্য দল ও
ভক্তদের জন্য উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক ও সূচি সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হবে এবং
এটি এমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে যা আইসিসি শাসনের নিরপেক্ষতা, ন্যায্যতা ও
অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করার ঝুঁকি রাখে। আইসিসি সরল বিশ্বাসে কাজ করতে,
ধারাবাহিক মান বজায় রাখতে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের সম্মিলিত স্বার্থ রক্ষায়
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে
বাংলাদেশের খেলার কথা। কলকাতার একই ভেন্যুতে ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের
প্রতিপক্ষ ইতালি ও ইংল্যান্ড। মুম্বাইয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি তাদের ম্যাচ রয়েছে
নেপালের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকলে পরবর্তী
সর্বোচ্চ র্যাংকিংধারী হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়ার কথা
বলেছে আইসিসি। মানে সি গ্রুপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে নেওয়া হবে
স্কটিশদের।
