
ডেভিড
মালান ও তাওহিদ হৃদয়ের জোড়া ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়েছিল রংপুর রাইডার্স। বড়
লক্ষ্য তাড়ায় ভালোই লড়াই করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। বিশেষ করে মোহাম্মদ
সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। তবে তার ৩০ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের
ইনিংস কেবলই হারের ব্যাবধান কমিয়েছে। ১১ রানের জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফ
নিশ্চিত করেছে রংপুর। অন্যদিকে ৯ ম্যাচ থেকে মাত্র ৪ পয়েন্ট পাওয়ায় প্লে
অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে ঢাকা।
মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান করেছে। জবাবে খেলতে নেমে ২০
ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা।
লক্ষ্য তাড়ায়
শুরুতেই আবদুল্লাহ আল মামুনকে হারায় ঢাকা। ডাক খেয়ে সাজঘরে ফেরেন এই তরুণ
ওপেনার। উসমান খান ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৮ বলে ৩১ রান
করেছেন তিনি।
তিনে নামা সাইফ ছক্কা দিয়ে ইনিংস শুরু করলেও থিতু হতে
পারেননি। ৬ বলে ১২ রান করেছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। এরপর সাব্বির
রহমান-শামিম হোসেনরা দ্রুত ফিরেছেন। তবে মোহাম্মদ মিঠুন ২৯ বলে করেছেন ২৫
রান।
তবে শেষদিকে একাই লড়াই করেছেন সাইফউদ্দিন। ৩০ বলে করেছেন অপরাজিত
৫৮ রান। তাকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেন ইমাদ ওয়াসিম। তবে ২০ রানের বেশি করতে
পারেননি তিনি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে রংপুর প্রথম পাওয়ার প্লে-তে ৫০
রান তোলে। পরবর্তী ৫ ওভারে কিছুটা দ্রুতগতিতে রান তুলেছেন দুই ওপেনার মালান
ও হৃদয়। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১২৬ রান। মালান ৪৯ বলে ৮ চার ও ৪
ছক্কায় ৭৮ রান করতেই বোল্ড হয়েছেন তাসকিন আহমেদের বলে। ৪৬ বলে ৫ চার ও ৪
ছক্কায় হৃদয় করেন ৬২ রান। তাকে ফিরিয়ে বিপিএলে প্রথম উইকেট শিকার করলেন
তরুণ পেসার মারুফ মৃধা।
এ ছাড়া কাইল মায়ার্স ১৬ বলে ২৪ রান করেছেন।
সাইফউদ্দিনের করা শেষ ওভারে পরপর দুই বলে আউট হয়েছেন মায়ার্স ও লিটন দাস।
ফলে ১৮১ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে রংপুর। ঢাকার পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন
সাইফউদ্দিন। এ ছাড়া তাসকিন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি ১ এবং সমান ১
উইকেট নেন মারুফ মৃধা। এই ম্যাচ হারলেই বিদায় নিশ্চিত হবে ঢাকার, বিপরীতে
জিততে পারলে প্লে-অফে পা রাখবে রংপুর।
