
ঢাকা-চট্রগ্রাম
মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়ায় নিয়ন্ত্রণহীন বাস উল্টিয়ে
মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধ হয়ে বাবা ছেলেসহ ৪ জন নিহতের
ঘটনায় বাস মালিক ইউসুফ মাঝি (৫১)কে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায়
রাজধানীর সায়দাবাদ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার
মজুমদার।
ওসি জানান, বাসটির চালক অদক্ষ, বাসটি ফিটনেস ছিল
মেয়াদউত্তীর্ণ। এর দায় মালিক এড়াতে পারেন না। আটক বাস মালিক ইউসুফ বরিশালের
বাবুগঞ্জ থানার কেদারপুর গ্রামের মৃত কালু মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার
(৯জানুয়ারী) দুপুর পৌনে ১টার দিকে চট্টগ্রামগামী সিডিএম পরিবহনের একটি বাস
বেপরোয়া গতিতে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টিয়ে মোটরসাইকেল ও
অটোরিকশার উপর পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক আগুন ধরে বাস ও মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। এতে
মোটরসাইকেলে থাকা বাবা ছেলেসহ ৪ জন নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত ২৬ জন।
নিহতের
ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে বলে
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার
জানিয়েছেন।
নিহতরা হলো মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে দাউদকান্দি উপজেলার
গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই পলুদ্দিপাড় গ্রামের সামছুল আলমের ছেলে মো. শামীম
(৪১) ও তার ছেলে নাদিম(৬)। বাসযাত্রী নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাওঁ থানার
মাঝেরচর গ্রামের সুমন মিয়ার ছেলে হোসাইন (২) ও চল্লিশোর্ধ্ব অজ্ঞাত এক
নারী। দূর্ঘটনায় চারজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় এবং অন্তত ২৬ জন
যাত্রী আহত হয়।
দূর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় বাস চালক ও সুপারভাইজার।
এঘটনায় মামলা দায়েরের পর তাদেরকে আটকে মাঠে নামে পুলিশ। শনিবার রাতে ঢাকা
সায়েদাবাদ থেকে ওই বাস মালিককে আটক করে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশ।
