
নিউজিল্যান্ডের
বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাট করতে নেমেই সেঞ্চুরির পথে
ছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ৭ রানের আক্ষেপ থেকে যায় তার। তবে নিজে
সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও দলকে জিতিয়েছেন ঠিকই। ৪ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-০
ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক ভারত।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩০০ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৬ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত।
৩০১
রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানের ওপেনিং জুটি পায় ভারত। রোহিত ফেরেন
২৬ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা বিরাট কোহলির সঙ্গে ১১৮ রানের জুটি
গড়েন ওপেনার ও দলনেতা শুবমান গিল। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা।
ফিফটি পূরণের পর ৫৬ রানে থামেন গিল।
এরপর শ্রেয়াস আইয়ারকে নিয়ে ৭৭ রানের
জুটি গড়েন কোহলি। তাতেই জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের। সেঞ্চুরির পথে
থাকা কোহলি থামেন ৯৩ রানে। আর ৪৯ রানে আউট হন আইয়ার।
এই দুই ব্যাটার আউট
হওয়ার পর খানিকটা চাপে পড়ে দল। তবে নিজে ক্রিজে থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন
উইকেটরক্ষক ব্যাটার লোকেশ রাহুল। ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল। এছাড়া ২৯
রান আসে হারষিত রানার ব্যাট থেকে।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন কাইল জেমিসন। একটি করে উইকেট নেন অশোক ও ক্লার্ক।
এর
আগে ভাদোদোরায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার
আমন্ত্রণ জানান ভারতীয় দলনেতা শুবমান গিল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে
নিউজিল্যান্ডকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই কিউই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও
হেনরি নিকোলস। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১১৭ রান। এই দুই ব্যাটারই অর্ধশতকের
দেখা পেয়েছেন। ৬৯ বলে ৬২ রান করেন নিকোলস। আর ৬৭ বলে ৫৬ রান আসে কনওয়ের
ব্যাট থেকে।
এদিকে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি উইল ইয়াং ও গ্লেন
ফিলিপস। দুজনই আউট হন ১২ রান করেন। এছাড়া ১৮ রান করেন মিচেল হে ও ১৬ রান
করেন মিচেল ব্রেসওয়েল।
এদিকে ব্যাট হাতে একাই লড়াই চালিয়ে যান ড্যারেল
মিচেল। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৮৪ রানে থামেন এই ডানহাতি ব্যাটার। মাত্র
৭১ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি পাঁচটি চার ও তিনটি ছয়ে সাজানো। এছাড়া ১
রান করেন জেমস ফোলকস। আর ২৪ রানে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ও ৮ রানে কাইল
জেমিসন অপরাজিত থাকেন।
ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেটের দেখা
পেয়েছেন মোহাম্মদ সিরাজ, হারষিত রানা ও প্রসিধ কৃষ্ণা। আর একটি উইকেটের
দেখা পেয়েছেন কুলদিপ যাদব।
