বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬
১১ আষাঢ় ১৪৩৩
সততা, সুনীতি, শিষ্টাচার-মুক্তি মিলবে যে পথে...
শুভ কিবরিয়া
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:০৭ এএম আপডেট: ০৩.১০.২০২৫ ১:২০ এএম |

  সততা, সুনীতি, শিষ্টাচার-মুক্তি মিলবে যে পথে...
গল্পটা আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছে শোনা। একদিন এক আড্ডায় কথা উঠল, বেতনের বাইরে উপরি আয়ের কাহিনি নিয়ে। সবাই নিজেদের নানান অভিজ্ঞতার কথা বলছেন। কে কিভাবে কত কৌশলে যোগ্যতর উপায়ে উপরি আয়ের বন্দোবস্ত করেন সেই বয়ান নিয়ে চলছে চাপানউতোর। আড্ডায় বসা নিরীহজনের পালা আসতেই তিনি হাটে হাঁড়ি ভাঙ্গলেন। বললেন, পেশাগত জীবনে তিনি কোনো ঠিকাদারকে উপরি দেবার জন্য কখনই জোর জবরদস্তি করেননি। তারা যখন যেভাবে যা দিয়েছে তাই নিয়েছেন। এমনকি কখনই তা নিজ হাতে গুণেও নেননি। ড্রয়ার খুলে রাখতেন। তারা যা দিতেন সেটাই নিতেন। তার ধারণা এ কারণেই ঠিকাদার মহলে তার সম্পর্কে একটা প্রিয়তর ধারণাও প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। সবাই জানে স্যার বেশ ভালো।
যার কাছ থেকে এ গল্প শুনছিলাম, তিনি বললেন, এই কাহিনি শোনার পর তো আমি থ। কেননা, তিনি ভাবতেন তার বন্ধুটি উপরি ছাড়াই সততার সঙ্গে কাজ করেছেন এ যাবৎকাল। কিন্তু এই ঘটনা জানার পর, তার ধারণা পাল্টে যায়। তিনি কিছুটা বিস্মিত হয়েই জানতে চান, তাহলে তুমিও...? তখন বন্ধুটি নাকি হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘তুমি তো একারণে আমাকে সৎ ভাবতে পারো আমি কখনো উপরি আদায়ে কারও উপর জোর জবরদস্তি করি নাই, উপরির উচিত-অনুচিত প্রাপ্য নিয়ে কাউকে জেরবার করি নাই...।’
০২.
হঠাৎ এই আলাপ কেনো পাড়ছি? সে কাহিনি বয়ান করার আগে একটু চিরায়ত যুগের কথা বলি। আমরা তো আধুনিক, উত্তর-আধুনিক যুগের মানুষ। এখানে স্মার্টনেসের সংজ্ঞাও গেছে পাল্টে। এখানে দক্ষতাই সেরা গুণ। কি উপায়ে, কি প্রক্রিয়ায় সেই দক্ষতা অর্জিত হলো সেটা নিয়ে কেউ ভাবে না। তাই মানবসৃষ্ট সকল দুর্ভোগ উৎরাতে এখন আমরা প্রতিনিয়ত সাজেশন পাচ্ছি, আমাদের সবকিছুকে মানুষের স্পর্শ থেকে সরিয়ে নিয়ে যন্ত্র বসাতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির হালের অগ্রসরতা বলছে এখন দুর্নীতি, দুর্ভোগ এড়াতে মানুষের জায়গায় বসাতে হবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই। মানুষ যেহেতু দুর্নীতিমুক্ত নয়, তাই দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে মানুষের বদলা হবে যন্ত্র। এই পরামর্শ মানি বা না মানি সেটা ভিন্ন কথা কিন্তু মানুষের গুণপনার ইতিহাস জানতে আমাদের সবসময়ই যেতে হবে ক্লাসিক বা চিরায়ত জমানায়। তাহলে আমরা দেখব কত উত্তম গুণপনায় মানুষ আসীন করেছে নিজেদের।
এই কাহিনিটা জেনেছি মাত্র কদিন আগে একটি লিটল ম্যাগাজিনের বিশেষ সংখ্যার কল্যাণে।
বাংলার নবজাগরণের এক আলোকদ্যুতির নাম রামতনু লাহিড়ী। যারা শিবনাথ শাস্ত্রীর লেখা ‘রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গ সমাজ’ নামের গ্রন্থটি পড়েছেন তারা চেনেন শিক্ষক রামতনু লাহিড়ীকে। ‘রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গ সমাজ’ গ্রন্থটি ১৯ শতকের বাঙালির সমাজ-সংস্কৃতি-রাষ্ট্রনীতির এক উৎকৃষ্ট নির্ভরযোগ্য দলিল রূপে পরিচিত।
ডিরোজিও শিষ্য প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক রামতনু লাহিড়ীর পুত্রের নাম শরৎকুমার লাহিড়ী। চাকুরির বদলে স্বাধীন বৃত্তি হিসাবে ব্যবসায় নামতে চাইলে তিনি পরামর্শ চাইতে যান পিতৃবন্ধু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছে। বিদ্যাসাগর তাকে বই ব্যবসায় নামার উপদেশ নেন। রামতনু লাহিড়ীর পুত্র শরৎকুমার লাহিড়ী ১৮৮৩ সালে বিদ্যাসাগরের সহায়তায় কলকাতার কলেজ স্ট্রিট বইপাড়ায় ‘এস কে লাহিড়ী এন্ড কোং’ নামে এক পুস্তক বিপণী ও প্রকাশনা সংস্থা খোলেন।
পিতা রামতনু লাহিড়ীর কিন্তু খুব একটা সায় ছিল না পুত্রের ব্যবসায় নামার ব্যাপারে। এ প্রসঙ্গে শ্রী সরোজনাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা ‘শরৎকুমার লাহিড়ী ও বঙ্গের বর্তমান যুগ’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করি:
‘এই ব্যবসায়ের উদ্যমে তিনি একদিন পুত্রকে একান্তে কহিয়াছিলেন,-শরৎ, পুস্তক বিক্রয় ব্যবসায় আরম্ভ করিবে বটে, কিন্তু উহাতে সাধুতা রক্ষা হইবে কি? শরৎবাবু উত্তর করিলেন,-কেন বাবা, আমি উচিতম‚ল্যে পুস্তক ক্রয় করিয়া আনিয়া উচিত ম‚ল্যে বিক্রয় করিব, ইহাতে আমার অসাধুতা হইবে কিসে?
‘ঈষৎ হাসিয়া বৃদ্ধ কহিলেন,-উচিত ম‚ল্যে কিনিয়া উচিত ম‚ল্যে বেচিলে লাভ হইবে কোথা হইতে? লাভ করিতে হইলে তোমাকে নিশ্চিতই উচিত ম‚ল্যে কিনিয়া অনুচিত ম‚ল্যে বেচিতে হইবে। অথবা অনুচিত ম‚ল্যে কিনিয়া উচিত ম‚ল্যে বেচিতে হইবে। একথা আপাতত অনেকের নিকট উপহাসকর হইলেও হইতে পারে, কিন্তু নিশ্চিত জানিও, ইশ্বরের তুলাদন্ডে ন্যায়ের পরিমাণ-পরীক্ষা ইহা অপেক্ষাও পুঙ্খানুপুঙ্খরূপেই হইবে। শরৎবাবু নিরুত্তর অধোবদন। পিতৃদেব পুত্রকে সান্ত¡না প্রদান করিয়া কহিলেন,-আচ্ছা যাও, যাহা করিতেছ, কর, তবে এইটা ঠিক রাখিও, যেন কথায় বা কার্যে কখনও কাহাকেও প্রতারিত করিও না। ’
০৩.
এই যে সাধুতা রক্ষা করা, কিংবা উচিত ম‚ল্যে কিনে উচিত ম‚ল্যে বিক্রি করার দর্শন-এই চিরায়ত দর্শনই, সভ্যতা ও সংস্কৃতির ম‚লভিত্তি। বছরের পর বছর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিশ্বব্যাপী যে সংস্কৃতি, সভ্যতা টিকে থেকেছে, তার ম‚লমন্ত্রই হচ্ছে এই নৈতিক শক্তি। যখনই দেশ-কাল-পাত্র এই চিরায়ত নৈতিকতাকে ভুলেছে, অগ্রাহ্য করেছে, তখনই তাকে পড়তে হয়েছে বিপর্যয়ের মধ্যে।
আজ গোটা পৃথিবী যে অনায্যতা আর নিপীড়নের মধ্যে রয়েছে তার ম‚ল কারণই হচ্ছে, মানুষ সাধুতা ভুলে, বৃহত্তর কল্যাণ ভুলে, ক্ষুদ্রতার পথকেই আসল পথ ভেবেছে। সেটাই তার নৈতিক ভিতকে ধংস করেছে। ফলে, গোটা পৃথিবী একদিকে প্যালেস্টাইনে গাজায় অমানবিক বর্বরতা, অন্যায্য অসাধুতাকে বৈধতা দিচ্ছে, চোখ বুঝে সব সহ্য করার নীতি নিয়েছে, অন্যদিকে গণতন্ত্র-মানবিকতার ছবক দিয়ে খুলে রেখেছে তার রাষ্ট্র-দপ্তর-বিদ্যায়তন। যার কারণে , মানবিকতার এই বিপ্রতীপ আচরণ কোনভাবেই ভব্যতা পাচ্ছে না, আমাদের সিভিলাইজেশন তার মান্যতা রক্ষা করতে পারছে না।
বাংলাদেশেও আজ আমরা এক অভাবনীয় সংকটের মধ্যে আছি। আমাদের সংকট যতটা না রাজনৈতিক তার চাইতে অনেক বেশি নৈতিক। বছরের পর বছর শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদি শাসন যে অনৈতিকতার ভিতকে মজবুত করেছিল তাই তাকে উৎখাত করেছে। একদিকে তা যেমন জনগ্রাহ্যতা পায়নি অন্যদিকে তা তেমনি নির্বিচারে হত্যা-খুন-গুমের বৈধতা উৎপাদন করেছে। শুধু তাই নয় আমাদের সকল প্রতিষ্ঠান তা হোক না কেন বিদ্যায়তন, হোক না কেন বিচারালয়, হোক না কেন শাসনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান-সবাই নিজেদের নৈতিক মানকে লংঘন করে আত্মপর-আত্মধংসী হয়ে উঠেছে। তা লন্ডভন্ড করেছে সকল প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির উৎসম‚ল নৈতিক মানকে। ফলে সুশাসনের বদলে হত্যা, নির্ম‚ল আকাংখাই হয়ে দাঁড়িয়েছে একমাত্র ভরসা। এই হত্যামুখীন অনৈতিকতাই আমাদের রাষ্ট্র, সংগঠন, সংস্কৃতি-প্রত্যেক জায়গাতেই সৃষ্টি করেছে এক দুর্মর পঙ্কিলতা। মানুষের লোভ, সম্পদ সৃষ্টির আকাক্সক্ষা, দুর্নীতি অনিঃশেষ দুর্মরতায় আকাশ ছুঁয়েছে। জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে গভীরতর অন্যায্য শক্তিমত্তায়। মানুষ হারিয়েছে তার সবচাইতে গভীর, সবচাইতে নিবিড় শক্তির উৎস তার নৈতিক, তার মানবিক মানকে। এই দুঃখ কেবল মানুষের আচরণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা ছুঁয়েছে রাষ্ট্রের সকল সীমা-পরিসীমা।
ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান আর হাজার হাজার মানুষের আত্মাহুতি দিয়ে ফ্যাসিবাদের উৎখাত হলেও, সেই অনৈতিকতা আর অন্যায্যতায় ভরা আমাদের চিন্তা ও মন, সেই ‘ক্ষুদ্রতা’র সীমা পেরুতে পারেনি। ফলে, ফ্যাসিবাদের পলায়ন ঘটলেও ক্ষুদ্র মন, লোভ আর জিঘাংসার আগমন ঘটেছে বিস্তরভাবেই। সাধুতা-শিষ্টাচার-সুনীতি এখন আর রাজনৈতিক দল, সরকার, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র-কোন জায়গাতেই মান্যতা পাচ্ছে না। ছোট ছোট ব্যক্তি ও গোষ্ঠি স্বার্থ এমনভাবেই জেঁকে বসেছে যে, ফ্যাসিবাদের পলায়নের বছর না পেরুতেই নিজেরাই সবাই একেকটা ফ্যাসিবাদের দোকান খুলে বসেছে। যে শিক্ষার্থীরা অমোঘ মৃত্যুকে মেনে সুদিন আনার মৃত্যুরেখা পেরিয়েছিল, তারাই সুবিধাবাদের সামান্য ছোঁয়ায় দুর্নীতি-দুঃশাসন-জিঘাংসা-আত্মীয়তোষণের মত ক্ষুদ্র পথ পেরুতে পারল না। ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে হয়ে উঠল ভিন্ন মানুষ, অচেনা গ্রহ।
যে রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বছরের পর বছর নিপীড়ন সহ্য করে, সুশাসনের রাজপথ আনার প্রত্যয় ঘোষণা করেছিল, তারাই বাজার-ঘাট-নদী-অন্যের রেখে যাওয়া অনৈতিক সম্পদের ঘাটলা নিজেদের হাতে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল। যেসব ব্যক্তি-গোষ্ঠি-দল ধর্মের নৈতিক বাণী মেনে দুর্দিনের কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছিল গভীরতর কষ্ট-দুঃখ সয়ে, তারাই সুদিনে বকধার্মিক হয়ে উঠল সুচতুর অনৈতিকতায়। ফলে, ফ্যাসিবাদের যা যা আমাদের জনজীবনে কঠিন সময় এনেছিল, সেসবই বড় হয়ে উঠছে, এখন জনমানসে।
০৪.
নির্বাচন কি হবে? সব দল কি নির্বাচনে অংশ নেবে? এই সরকার কি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে? নির্বাচন হলেও মানুষ কি নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে? রাজনৈতিক দলগুলো হানাহানি ছাড়াই কি একটা গ্রহণযোগ্য ভোটকে জনগণের সামনে হাজির করতে সক্ষম হবে? জুলাইসনদ কি সব দলের মান্যতা পাবে? পিআর পদ্ধতি কি চালু হবে? সংসদের উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ কি এবারই তৈরি হবে? রাজনৈতিক রেষারেষি কি কমবে? ফ্যাসিবাদের বিচার কি হবে? নির্বাচন হলেও যে সরকার আসবে সেও কি আগের মতই দখল-ভোগের রাজনীতি করবে? অর্থনৈতিক বিনিয়োগে যে অচলাবস্থা তা কি কাটবে? কর্মসংস্থান কি বাড়বে? শান্তি-সুস্থিতি-সুশাসন-স্বস্তি কি ফিরে আসবে? নাকি একটা রক্তাক্ত-পিচ্ছিল-অনিশ্চিত-অশান্ত-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকেই নিয়তি ভেবে নিতে হবে, বাংলাদেশকে?
-এরকম হাজার প্রশ্ন এখন জনচিত্তে।
হাজার প্রশ্নই শুধু নয়, প্রতিদিন যেসব হতাশা ও সংকট আমাদের দীর্ণ করছে, নানা অনিশ্চয়তা আমাদের ভাবনাকে উৎকন্ঠিত করছে, অস্থির করছে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
আমাদের অন্তরে যে জিঘাংসার আগুন, মনের মধ্যে যে প্রতিহিংসার স্পৃহা, ভাবনার মধ্যে যে অনুচিত উপায়ে সম্পদ দখল-দুর্নীতি-পাচারের ইচ্ছা, কর্মের মধ্যে নিয়ত অবিচারের চেষ্টা-তা থেকে মুক্তিই বা মিলবে কিসে?
পরিত্রাণ বা মুক্তির একমাত্র উপায় অসাধুতা পরিহার করা। কর্মে-মানসে-আচরণে সর্বত্রই সাধুতা ও ন্যায্যতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা। সকল কাজে নৈতিক মানকে নিশ্চিত করা। ব্যক্তি-দল-প্রতিষ্ঠান-দেশ সবখানেই চিরায়ত-পরীক্ষিত সুনীতি-সততা-শিষ্টাচারের কালচার প্রতিষ্ঠা করা। একমাত্র নৈতিকতাই আমাদের সকল দুঃখ ও অনিশ্চয়তা নিবারণের পথ দেখাতে পারে। সেই চিরায়ত ন্যায্যতা ও নৈতিকতার পথেই আমাদের মুক্তি। ফিরতে হবে, সেখানেই।
লেখক:  সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লায় দুর্ঘটনার কবলে দুই ট্রেন
কুমিল্লায় মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা, বাদীর পরিচয় নিয়ে বিতর্ক
লাকসামে ৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে নিপীড়নের মামলায় ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি গ্রেপ্তার
কুমিল্লায় ওয়ালটন প্লাজার ফ্রি মেডিকেলক্যাম্পে সেবা পেলেন প্রায় ৫০০ মানুষ
দশক শ্রেণীর ছাত্র দিয়ে এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিয়ে তোলপাড়, তদন্ত কমিটি গঠন
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
অবসর ভেঙে ফুটবলে ফিরলেন ব্রাজিলের রোনালদিনহো
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সুনসান নীরবতা কুমিল্লার আওয়ামী লীগ অফিসে
দশম শ্রেণির ছাত্র দিয়ে এসএসসির খাতা মূল্যায়ন! ভিডিও ভাইরাল
সেই আট কলেজের খোঁজ নিতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ
কুমিল্লায় ছাদ থেকে পড়ে স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২