কুমিল্লা
৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমার কোন ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই,
কুমিল্লার উন্নয়নই আমার একমাত্র এজেন্ডা। আমি কাউকে খুশি করার জন্য কাজ করি
না। আমি কাজ করি জনগণের জন্য এবং আমার আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আমাকে
প্রতিপক্ষ ভাববেন না, আমি কাজ পাগল মানুষ আমাকে কাজ করতে দিন।
আল্লারওয়াস্তে আমার কাজে বাঁধা দিবেন না।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে
কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায়ের আগমন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক
প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,
কুমিল্লার সাংস্কৃতিক অঙ্গন অন্যান্য জেলা থেকে অনেক এগিয়ে এটা আমি স্বীকার
করি। কিন্তু এখানে অবকাঠামোগত অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এজন্য আমি সংস্কৃতি
মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি, এর অন্যতম কারন হলো কুমিল্লার গুরুত্বপূর্ণ
ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে আমি কথা দিয়েছিলাম
কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ হ্যারিটেজে রূপ দিবো। আমি মন্ত্রণালয়ে
কুমিল্লার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সমাস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি চিঠি দিয়েছি। এ
চিঠিতে উল্লেখিত দাবিগুলো যথেষ্ট কিনা বা কোন পরিবর্ধন কিংবা পরিমার্জন
প্রয়োজন কিনা সে বিষয়ে কথা বলতেই আপনাদের ডেকেছি।
তিন বলেন, আমি আপনাদের
এমপি, আপনাদের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। কুমিল্লার এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা
রক্ষায় আমি কাজ করছি। এতে কারো পছন্দ হতেও পারে নাও হতে পারে, কিন্তু আমি
আমার কাজটা করেই যাবো। কারন নির্বাচনের আগে আপনাদের কথা দিয়েছিলাম শহরের
এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করবো। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আমাকে কাজগুলো
করতে দিন, আপনারা সহযোগিতা করুন।
কুমিল্লায় সংস্কৃতি কলেজ প্রতিষ্ঠার
দাবি জানালে এমপি বলেন, এটা উত্তম প্রস্তাব। সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে কথা
বলে কুমিল্লায় আধুনিক সংস্কৃতি কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দাবি জানানো হবে।
এছাড়াও
কুমিল্লা আর্ট কলেজ, মৃণালিনী দত্ত হোস্টেল, অজাচক অভয় আশ্রম, নজরুল
ইনস্টিটিউট আধুনিকায়ণ, শিল্পকলা একাডেমির আধুনিকায়ণ, বীরচন্দ্র মিলনায়তন
ওপাঠাগার উন্নতিকরণ, শচীন দেব বর্মনের বাড়ি সংরক্ষণসহ বেশ কয়েকটি দাবি
জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বাজার সভাপতি
অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত
বাবুল, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবির, দক্ষিণ জেলা
বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুজাহিদ চৌধুরী, কুমিল্লার কাগজের সম্পাদক আবুল
কাশেম, কুমিল্লার জমিন সম্পাদক শাহজাদা এমরান, অজিতগুহ কলেজের অধ্যক্ষ
শরীফুল ইসলাম, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ডেপুটি কন্ট্রোলার কাজী আপন
তিভরানীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ।
