মঙ্গলবার ৯ জুন ২০২৬
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আমার মায়ের কথা
শান্তিরঞ্জন ভৌমিক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১:১১ এএম আপডেট: ০৯.০৬.২০২৬ ১:৫৯ এএম |

 আমার মায়ের কথা
আমার মাতৃদেবী স্বর্গীয় প্রভাবতী ভৌমিক। ১৩ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে পিতৃদেব স্বর্গীয় ইন্দুভূষণ ভৌমিক-এর ঘরনী হয়েছিলেন। মা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন। উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় না থাকায় আর পড়তে পারেননি। অসাধারণ মেধাবী ছিলেন। একবার একটি গান বা কবিতা অথবা প্রবাদতুল্য বচন শুনলেই সারাজীবন মনে রাখতে পেরেছেন। মাতৃদেবীর যখন বিয়ে হয়, পিতৃদেবের বয়স ১৮/১৯ বছর। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ কলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। কলিকাতা বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে বরকোটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে (দাউদকান্দি-কুমিল্লা) পিতৃদেব প্রথম বিভাগ ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাশ করেছেন। সংস্কৃত বিষয়ে ‘লেটার মার্ক’ পেয়েছিলেন।
কলেজে ভর্তি হলেন ১৯৩৬ সালে, এক বছর পড়ার পর আমার পিতামহ পড়ার খরচ চালাতে পারছিলেন না। তখন একজন আত্মীয় এলাকার ধনী ব্যক্তি স্বর্গীয় উদ্ধব চন্দ্র দাসের কনিষ্ঠ কন্যাকে কলেজে পড়ার খরচ বহন করার শর্তে বিয়ে দেন। পিতৃদেবের পড়ার মাসিক খরচ কলেজের বেতনসহ ১৫ টাকা। শ^শুরবাড়ি থেকে ১০ টাকা দেয়া হবে।
বলে রাখি- আমার পিতামহ স্বর্গীয় গিরিশ চন্দ্র ভৌমিক পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করলেও মূলত কৃষক ছিলেন। হালচাষ ও কৃষিকাজ করতেন। ফসলী জমি বেশি ছিল না, যে বছর বন্যা হতো না, সে বছর ভালোভাবেই জীবিকা নির্বাহ হতো, বন্যা হলে অভাবের সংসার টানাপোড়নে দারিদ্র্যের তীব্রতা ছিল প্রকট। তাই পিতৃদেবের পড়াশুনায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
পিতৃদেব শিক্ষিত হতে পেরেছিলেন বলেই পরবর্তীতে আমরা অর্থাৎ তাঁর সন্তানেরা অন্তত লেখাপড়ায় অগ্রগামী হতে পেরেছি। এ এক স্বপ্নযাত্রা। আজ আমার মাতৃদেবীকে নিয়েই দুটি কথা বলতে ইচ্ছে করছে।
ধনী ঘরের আদরের কনিষ্ঠা কন্যা আমার মা প্রভাবতী দাস (ভৌমিক)। তাঁরা চার বোন এক ভাই। বড় বোন প্রেমদা বিয়ের পর সন্তানপ্রসবকালীন মৃত্যুবরণ করেন। দ্বিতীয় জ্ঞানদা- তাঁকেও বিয়ের পর জামাইকে উদ্ধব দাস কলেজে পড়ার খরচ বহন করেছিলেন। তিনি ললিতবিহারী সরকার আমাদের বরকোটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিংবদন্তী প্রধান শিক্ষক। তারপর মামা নিবারণ চন্দ্র দাস, এলএমএফ ডাক্তার। বিশাল সম্পত্তি রক্ষার্থে বাড়িতেই ডিসপেনসারি স্থাপন করে ডাক্তারি ও সম্পত্তি তদারকি করতেন। পরের জন মোক্ষতা-তারিনী চন্দ্র দাস, স্কুল শিক্ষকের কাছে বিয়ে দেন মাতামহ। একই গ্রামের দু’প্রান্তে দু’পরিবার। মামা নিবারণ দাসকে বুদ্ধি পরামর্শ এবং সহযোগিতার জন্য দূরদর্শী মাতামহ এই কাজটি করেছিলেন। সর্বশেষ তিনমাইল (সাড়ে চার কিলোমিটার) দূরে মোহাম্মদপুর গ্রামে ভৌমিক বাড়ির কলেজ পড়ুয়া ছেলে ইন্দুভূষণ ভৌমিকের সঙ্গে কনিষ্ঠা কন্যা প্রভাবর্তীকে বিয়ে দেন। আমার দিদিমা (নানি) ছিলেন খুবই বিচক্ষণ মহিলা। তিনি ধনী লোকের ছেলের সঙ্গে মেয়ে বিয়ে না দিয়ে গরিব হোক, লেখাপড়া জানা ছেলেদের নিকট মেয়েদের বিয়ে দেন।
আমার মাতৃদেবী ধনী পরিবার থেকে গরিবের পরিবারের বধূ হয়ে এলেন। এ পরিবারের অবস্থা হলো ‘নুন আনতে পান্থা ফুরায়’ অবস্থা। স্বামী কলেজের ছাত্র, রোজগার পাতি নেই। ১৩ বছরের বালিকাবধূ। মাতৃদেবীর ১৮ বছর বয়সে আমি প্রথম সন্তান জন্মগ্রহণ করি। তারপর আমরা পাঁচ ভাই-তিন বোন।
আমার জন্ম দুর্ভিক্ষের সময়। ১৩৫০ সনের (১৯৪৩খ্রি: ২৯ শ্রাবণ রবিবার) মহা দুর্ভিক্ষ। হাজার-লক্ষ লোক না খেয়ে সে বছর মৃত্যুবরণ করেছিল। মাতামহ ধনীলোক হওয়ায় হয়ত বা তাঁর কন্যাদের পরিবার দুর্ভিক্ষের কারণে মৃত্যুবরণ করেনি। ভিন্ন ইতিহাস।
আমার মাতৃদেবী স্বামীকে দেবতা ভাবতেন। পিতৃদেবকে কতটা শ্রদ্ধা-ভক্তি করতেন, তা রূপকথাতুল্য। পিতৃদেবের কথাই শেষ কথা। পিতৃদেবের প্রতিটি কথা বা বাক্য মাতৃদেবীর কাছে বেদবাক্য। মাতৃদেবীকে যখন বলতাম- ‘মা, আমার দু’আনা পয়সা দরকার। বাবার কাছ থেকে চেয়ে দাও।’ মা বাবাকে বলতেন, ‘শুনেছেন, তার নাকি দু’আনা দরকার’। বাবা বলতেন- ‘দরকার নাই।’ সুতরাং মাতৃবাক্য ‘তোর বাবা বলছে দরকার নাই।’ অর্থাৎ কোনদিন মাতৃদেবীর মাধ্যমে বাবার কাছ থেকে কোনোকিছু আদায় করতে পারিনি। তাই বলে সবসময় নয়। মা বাবাকে ‘আপনি ’ বলে সম্বোধন করতেন। এছাড়া নিজস্ব কিছু ভাষা ছিল। মাতৃদেবীর বিয়েতে স্বর্ণালংকার হিসেবে গলার একটি হার, কানের বেলপাতা নমুনা কানফুল, হাতে দু’গাছা চুড়ি, নাক ফুল ও নাক-ঠাসা। নাক-ঠাসা মেয়েদের পরতে হতো এজন্য যে তার নিশ^াস যেন স্বামীর শরীরে না পড়ে। তাতে স্বামীর অমঙ্গল হতে পারে। বাবাকে বিয়েতে একটি আংটি দেয়া হয়েছিল। কোনোদিন হাতে পরতে দেখিনি।
মাতৃদেবীর কাছে কোনোদিন কোনো টাকা পয়সা থাকতে দেখিনি। শুধু নববর্ষের দিন মেলায় যাওয়ার সময়, আষাঢ় মাসে রথযাত্রায় যাওয়ার সময় ও পৌষমেলায় যাওয়ার সময় দু’টাকা করে বাবা মার হাতে দিতেন। তবে দিচ্ছি দিচ্ছি করে অনেক সময় পার করতেন। সে এক মহা অভিযাত্রা এবং আদায়ের বিরম্বনা, তা বুঝানো যাবে না। অভাবী সংসারে বাবা এক পয়সা খরচ করতে কঠোর অবস্থানে থাকতেন। মাকে তিনবারের ছয় টাকা দেয়া হতো, আবার খরচের হিসাবও দিতে হতো। পয়সা থেকে গেলে বাবাকে ফেরৎ দিয়ে দিতেন। মাতৃদেবীর উক্তি, ‘মেয়ে মানুষের কাছে টাকা পয়সা থাকলে অহংকার হয়।’
মাতৃদেবীর অন্তর্গত কিছু বিশ^াস ছিল। আমরা যখন পড়াশুনা বা চাকরিসূত্রে বাড়ি ছাড়া হলাম, মা বাড়িতে কোনো ভিক্ষুক এলে আদর করে বসাতেন, ভিক্ষা দেয়া ছাড়াও খেতে চাইলে খাওয়াতেন, পান সুপারি দিতেন। তাঁর দৃঢ় বিশ^াস যে, বিদেশে আমরা উপোস থাকব না, ভালো থাকব। এভাবে একটা পবিত্র বিশ^াস যাপন করতেন।
আমি যখন বাংলা অনার্স পড়ি, শখ হলো সোনার আংটি হাতে পরি। কিন্তু তা তো সম্ভব নয়, একদিন বাড়িতে রাতে একা খেতে বসেছি, মা খাবার দিচ্ছেন, আমার শখের কথা বললাম। মা শুনেই তাৎক্ষণিক গলা থেকে তাঁর বিয়ের হারটি খুলে আমার হাতে দিতে চাইলেন। আমি ভীষণভাবে বিব্রতবোধ করে বললাম- ‘মা, এটা তুমি কী করছ, আমি তোমার গলার বিয়ের হার নিব না।’মা বললেন, ‘আমি আর এ হার পরব না, আমার কাছে আমার বিয়ের হারের চেয়ে সন্তান (পোলা) বড়। তুই নে, না হয় আমি কষ্ট পাবো’। মা কেঁদে দিলেন। আমি অবিবেচকের মতো হারটি নিয়ে আসি, আংটি বানিয়ে হাতে পরি। এই হলো আমাদের মা। সন্তানের শখের কাছে তাঁর অন্যসব তুচ্ছ। চাকরি জীবনে আমি এবং ভাইয়েরা মাকে অলংকার তৈরি করে দিয়েছি। যখন আমি হারটি গ্রহণ করি, তখন তো দরিদ্র পরিবারের অজানা বা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পরিবারের সদস্য। কি ভাবতে পেরেছিলাম যে ভবিষ্যতে মাকে অলংকার দিয়ে সাজাতে পারব ? তখনও দেখেছি, মার সেদিকে কোনো আগ্রহ ছিল না। সন্তানই সম্পদ এবং প্রাণের আধার। এক সময় মাতৃদেবীর গলায় তিনটি হার। তা দেখে বললাম যে একটি গলায় দাও, দুটি তুলে রাখো। মা বলেছেন- শখ করে ছেলেরা দিয়েছে, না পরলে কষ্ট পাবে। মা সবসময় সাধারণ কাপড় পরতেন। দামি জিনিষের প্রতি আগ্রহ ছিল না। কোনোদিন বলেন নি যে আমার এটা বা ওটা দরকার। শরীরের উপর অধিক অত্যাচার করেছেন, আট সন্তানের জননী, উপোষ  করা গৃহবধূ অন্যের তুষ্টিতে তৃপ্তি অনুভব করতেন। জ্যেষ্ঠছেলের প্রতি ছিল সকল অপ্রকাশিত প্রত্যাশা।
বাবা-মার অমতে বিয়ে করেছি, কষ্ট তো পেয়েছেন তা অস্বীকার করি কীভাবে। কিন্তু মেনে নিয়েছেন আপন ঔদার্যে এবং জ্যেষ্ঠছেলের শুভকামনায়। শেষ পর্যন্ত বড়বধূর প্রতি অগাধ বিশ^াস ও নির্ভরতা।
আগেই বলেছি- মা স্বামী অর্থাৎ বাবাকে দেবতাজ্ঞানে মান্য করতেন। বাবার সুখই মার স্বর্গীয় প্রাপ্তি। বাবা নিজেই নিজের কাপড়গুলো ধুইতেন, কাউকে এ কাজ করতে দিতেন না। একবার কে একজন বলেছেন- তুমি (অর্থাৎ আমার মা) মাস্টারের কাপড়গুলো ধুইয়ে দিতে পারো না ?’ মা হাসলেন। বললেন- ‘মাস্টার মশায়কে জিজ্ঞেস করেন, কেন আমাদের দিয়ে কাপড় ধুতে দিতে চান না।’ বাবার দৃঢ় ধারণা, অন্যে ধুইতে গেলে ছিঁড়ে ফেলতে পারে। তাই মা রসিকতা করে বলতেন, ‘মাস্টার মশায়ের কাপড় বাতাসে ছিঁড়ে তিনি পরলে ছিঁড়ে না।’ স্বামী সেবা করতেন পারছেন না, এটা হতাশ ও ক্ষোভের কারণও ছিল। বাবা স্কুলের সহকারী শিক্ষক (তখন) গেইম টিচার, স্কাউট মাস্টার ও লাইব্রেরির দায়িত্বে। তখন তাঁর বেতন নব্বই টাকা ছয় আনা, গেইম টিচার ও স্কাউটের দায়িত্বের জন্য দশ টাকা, লাইব্রেরির জন্য পাঁচ টাকা। ভবিষ্যৎ ফাণ্ডের জন্য দু’আনা দিতে হতো, স্কুলে দিতো দু’আনা সরকার দিতো দু’আনা মোট ছয় আনা। একসময় সরকারের টাকা বন্ধ হয়ে যায়, পাকভারত যুদ্ধের পর স্কুল ও নিজের টাকাও আর জমা হয় না। পোস্টাফিসে পাশবই-এ তখন তিনশত তিরাশি টাকা। প্রথম কথাটা বলি- স্কাউটের টিচার হিসেবে জালালাবাদ রেঞ্জ- এ প্রশিক্ষণের জন্য সিলেট যেতে হবে। স্কুল খরচ বহন করবে। প্রশিক্ষণের সময় হাফপ্যান্ট পরতে হবে, তাই পুলিশি খাকি কাপড় কিনে আনুখলিফাকে দিয়ে প্যান্ট তৈরি করে এনেছেন। পরের দিন দুপুরে কুমিল্লা এসে রাতের ট্রেনে সিলেট যাবেন। সকালে আমি পড়তে বসেছি, বাবা হাতমুখ ধুয়ে ঘরে এসে প্যান্টটি পরলেন। ঠিক সে সময় মা আমাদের থাকার ঘরের ছোট দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকেছেন। বাবা প্যান্টটি পরে দু’পকেটে দু’হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, আমি আড় চোখে দেখছি।
এখন দ্বিতীয় কথাটি বলছি। মাকে দেখে বাবার একটু লজ্জিতভাব, মা এ অবস্থা দেখে ঘোমটার নীচে একটু ফিক করে হাসলেন। বাবা বলছেন- ‘দেখ তো কেমন লাগে।’ মা তাড়াতাড়ি বের হওয়ার সময় বলছেন ‘বান্দরের মতো লাগে।’ বাবা তাড়াতাড়ি প্যান্ট খুলে ভাজ করে ব্যাগে রাখলেন। আমি জীবনে আমার বাবা-মার এই একটিমাত্র রসিকতামূলক সংলাপ শুনেছি, দ্বিতীয়বার আর কখনও নয়। ছেলের উপস্থিতিতে তাঁদের এই সংলাপ ছিল তাঁদের কাছে অতীব সংকোচের বা লজ্জার।
নিম্নমধ্যবিত্ত হিন্দু পরিবারের মধ্যে কিছু সংস্কার ছিল। স্বামী ভাত খেয়ে গেলে তাঁর থালায় স্ত্রী খেতে বসতেন। কেন তা বুঝতাম না। হয়ত বা পুণ্যির জন্য প্রসাদ গ্রহণ। অনেক পড়ে চিন্তা করে বুঝেছি- পুরুষেরা খেয়ে গেলে স্ত্রীদের জন্য হাঁড়িতে অবশিষ্ট থাকিত কি ? অনেক সময় থাকত না। তাই স্ত্রীরা স্বামীকে বেশি করে ভাত-তরকারি পরিবেশন করতেন, যাতে অবশিষ্ট থাকলে খেতে পারেন। এ বিষয়টি স্বামী দেবতা যদি বুঝতেন, তাহলে স্ত্রীরা উপোস থাকত না। কিন্তু দু:খের বিষয় এ ক্ষেত্রে স্বামীরা অবিবেচকের মতো সবটুকু খেয়ে ফেলতেন। আমার মা কতদিন যে উপোস ছিলেন, আজ চোখের জলে ভাসি। মা না খেয়ে কত যে কষ্টভোগ করেছেন, তার মুখেই শুনেছি।
আজ মা দিবসে মাতৃদেবীর কথা বড় মনে পড়ে। বাবা চলে গেলেন ২০০২ সালে ২০ আগস্ট, মা গেলেন ২০০৬ সালের ২৫ নবেম্বর। রেখে গেলেন স্নেহ-ভালোবাসা-আশীর্বাদ এবং উত্তরপুরুষ। আমরা গর্বিত পিতৃ-মাতৃর সন্তান, রাজ্য দিয়ে যাননি, রাজত্ব দিয়ে গেছেন। শুধু কানে কানে বাণী দিয়ে গেছেন এই বলে-
বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা-
বিপদে আমি না যেন করি ভয়।
দু:খতাপে ব্যথিত চিত্তে নাই বা দিলে সান্ত্বনা,
দু:খে যেন করিতে পারি জয়।।
সহায় মোর না যদি জুটে নিজের বল না যেন টুটে-
সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি, লভিলে শুধু বঞ্চনা,
নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়।।















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
নগরভবন বর্তমান স্থানেই চায় কুমিল্লার মানুষ
ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
সংসদে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুর দাবি এমপি মনির চৌধুরীর
সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদে কুমিল্লায় আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় মহাসড়কে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন গ্ৰেফতার
প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
নগরভবন বর্তমান স্থানেই চায় কুমিল্লার মানুষ
বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের অস্ত্রের মহড়া, তিন দিনেও আটক নেই
কমেনি ভোগান্তি, থামছে না সিএনজির ভাড়া নৈরাজ্য
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২