দাউদকান্দি
(গৌরীপুর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে আধুনিক
হাসপাতালে রূপান্তর এবং শহীদনগর ট্রমা সেন্টার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামে
সজ্জিত করে আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
২৫ মে (সোমবার)
বিকেলে দাউদকান্দিতে হাসপাতাল দুটি পরিদর্শনকালে উপস্থিত নেতাকর্মী ও
সর্বস্তরের জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দাউদকান্দি পৌঁছালে কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে তাকে
ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তার ছেলে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও
সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
পরিদর্শনকালে ড.
খন্দকার মারুফ হোসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, বিগত বিএনপি সরকারের শেষ
সময়ে (৮ অক্টোবর, ২০০৬) তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেনের প্রচেষ্টায় শহীদনগরে ট্রমা সেন্টারটি নির্মিত হয়েছিল এবং জনবলও
নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এটি কার্যত বন্ধ
ছিল। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এই ট্রমা
সেন্টারটি গত ১৭ বছর ধরে দুর্ঘটনা কবলিত রোগীদের কোনো উপকারে আসেনি।
পরিদর্শন
চলাকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল মুঠোফোনে স্থানীয়
সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং এই দুটি
হাসপাতালসহ ওই এলাকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার
আশ্বাস দেন।
এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে
রাব্বি, কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, কুমিল্লা
জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবুল খায়ের, দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) নাছরীন আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
ডা. মো. হাবিবুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম, দাউদকান্দি
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম. এ বারীসহ স্থানীয় বিএনপি ও
অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দাউদকান্দি উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং শহীদনগর ট্রমা সেন্টার
দ্রুত চালুর লক্ষ্যে কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন
ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে পৃথক ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) প্রদান
করেছেন।
