তিতাস
প্রতিনিধি:কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দেবর-ভাবির
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পরিবারের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
সোমবার দুপুরে উপজেলার উত্তর বলরামপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ভূইয়ার
বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হাবিবুর রহমানের ছোট
ছেলে মো. আলম নিজ গাছ থেকে আম পাড়তে গাছে ওঠেন। এসময় বড় ভাই মোস্তফার ছেলে
রামিন (১২)ও গাছে উঠে আম পাড়তে চাইলে চাচা আলম তাকে বাধা দেন। তিনি বলেন,
আগের দিনই তাদের আম দেওয়া হয়েছে এবং ওই আমগুলো ফুফুদের জন্য রাখা হয়েছে।
এ
নিয়ে আলমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার (৩১) ও বড় ভাবি তাছলিমা বেগমের (৪২)
মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ
রয়েছে, রামিন ঘর থেকে একটি বটি এনে দিলে মা ও চাচি সেটি নিয়ে টানাহেঁচড়ার
সময় উভয়ের হাতে আঘাত লাগে। পরে আলম গাছ থেকে নেমে ভাতিজা রামিনকে মারধর
শুরু করলে রামিনের বোন মারিয়া (২১) ও তার মা বাধা দিতে গেলে তারাও মারধরের
শিকার হন।
একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে আলমের ভাবি পাশে থাকা একটি বাঁশ দিয়ে
আলমকে আঘাত করলে তার অণ্ডকোষে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া
হলে সেখানে নয়টি সেলাই দেওয়া হয়।
আহত আলম বলেন, “আমি আমার বোনদের কাছ
থেকে বাড়ির অংশ কিনেছি। গাছের আম সবাইকে দিয়েছি। আজ বোনদের জন্য আম পাড়তে
গাছে উঠেছিলাম। তখন রামিন গাছে উঠতে চাইলে বাধা দেই। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে
আমার স্ত্রীকে মারধর করে। পরে আমাকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করা হয়।”
অন্যদিকে
আহত তাছলিমা বেগম বলেন, “বাড়ি ভাগ হলেও ফলের গাছগুলো এজমালি রয়েছে। আমার
ছেলে আম পাড়তে গেলে ছোট জা তাকে মারধর করে। পরে বাধা দিতে গেলে আলম আমাদের
ওপর হামলা চালায়।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
