স্টাফ রিপোর্টার:
ফেসবুকে মিথ্যা ও অপপ্রচার চালানোর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুমিল্লা দক্ষিণজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক নজির আহম্মেদ।
গতকাল
(বুধবার) বিকাল ৪ টায় নগরীর একটি হলরুমে এ সম্মেলন করেন তিনি। এসময় তাঁর
বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করেন এই নেতা।
নজির
আহম্মেদ বলেন, গত ১০ ই এপ্রিল শুক্রবার জুম্মার নামাজের পরে আমি ২৬ নং
ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি সাঈদের বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই।
যেখানে কুমিল্লা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরো
উপস্থিত ছিলেন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেরাজ, ৬ নং জগন্নাথপুর
ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মিন্টু, কোতোয়ালি সেচ্ছাসেবক
দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মাসুদ, রুবেল এবং মিঠু।
খাবার শেষে
আমরা নেতৃবৃন্দের সাথে কোশল বিনিময় করি। এই সময়ে আমার এলাকা থেকে একটা ফোন
আসে এবং একটা সংঘর্ষের ঘটনার তথ্য পাই। তখন আমি সবাইকে ঝগড়া না করে যার যার
এলাকায় চলে যাওয়ার জন্য বলি। ঘটনাটি ঘটে দূপুর আড়াইটার দিকে।
তারপর
খাবার খেয়ে বিকাল ৪ টায় আমি এলাকায় আসি। এসে আমি শুনতে পাই এলাকার জহির
নামে একজন আহত হয় এবং আশরাফ নামে একটা ছেলে আহত হয়। আমি তাদেরকে দেখতে
হাসপাতালে যাই এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে আহবান করি।
পরে হঠাত করে শুনি
আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ থানায় জমা পরে এবং পুলিশ আমার বাসায় আসে। তখন
তারা আমার সম্পৃক্ততা না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়।
ছোট
ছেলেরা ঝগড়া লেগেছে, তারা আমার নাতীর সমান। কি নিয়ে ঝগড়া লাগছে তাও জানি
না। কিন্ত ঘটনার পর থেকে ফেসবুকে অনেকে আমার নামে মিথ্যা অপপ্রচার
চালাচ্ছে।
তারা বলতেছে আমার উপস্থিতিতে নাকি এমন মারামারির ঘটনাটি
হয়েছিল এবং আমি নাকি জড়িত। কিন্ত এ বিষয়টি পুরাই মিথ্যা এবং
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারন, আমি তখন এলাকাতেই ছিলাম না।
কি কারনে এমন
মিথ্যা ছড়াচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন৷ তাদের সাথে আমার আগের কোন শত্রুতা
কিংবা আক্রোশের মত কোন ঘটনা নেই। আমি ১৯৯০ সাল থেকে দলের সকল কার্যক্রমে
সক্রিয় ছিলাম। তারপরেও তারা কেন আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা প্রচারটি চালাচ্ছে
আমি জানি না।
ঘটনাটি আমি যতটা জানতে পেরেছি, আমার বাড়ি থেকে প্রায় আধা
কিলোমিটার দূরে আশরাফুল নামের এক ছেলের সাথে ঝগড়া হয় এবং দুই পক্ষের মধ্যেই
মারামারি হয়। তখন আমার ভাতিজা জহিরকে ডেকে আনা হয় উভয়পক্ষকে শান্ত করার
জন্য। কিন্ত তারা শান্ত না হয়ে পাল্টাপাল্টি আঘাত করে। এমনকি জহিরকেও ছুড়ি
দিয়ে আঘাত করে।
