বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৯ মাঘ ১৪৩২
ভোটারদের প্রত্যাশা
ড. আবদুর রহমান
প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৩ এএম আপডেট: ১১.০২.২০২৬ ১:২৯ এএম |

 ভোটারদের প্রত্যাশা ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন, জনগণ ভোট দেবে; সবার প্রত্যাশা যে একরকম হবে তা নয়। তবে মোটাদাগে কতিপয় প্রত্যাশা তো ভাবাই যায়। ভাবাটাই স্বাভাবিক।
সর্বাগ্রে কোনোরকম ঝামেলাবিহীন ভোটদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ায় বাধা না দেওয়া, বুথের মধ্যে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা, ভোটদান শেষে নিশ্চিতে বাড়ি ফেরা ইত্যাদি।
প্রতিটি কেন্দ্রে প্রার্থীর এজেন্টদের কাছে ভোট গণনার পরে ফলাফল দেওয়া এবং যথাসম্ভব যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে বেসরকারি ফল ও নির্বাচিত সংসদের গেজেট প্রকাশপূর্বক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা। এ ক্ষেত্রে বিলুপ্ত সংসদের স্পিকার যেহেতু পদত্যাগ করেছেন এবং তৎসঙ্গে ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে, সেহেতু নির্বাচিত সংসদ সংসদের শপথ নেওয়ার বিষয়ে কোনোভাবেই যেন সাংবিধানিক বিধিবিধান উপেক্ষিত না হয় সে বিষয়ে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা অত্যাবশক। যদি কোনোভাবে শপথ অনুষ্ঠান বিষয়ে সাংবিধানিক জটিলতা সৃষ্টি হয় তাহলে নবগঠিত সংসদের আতুরঘরেই শুরু হবে অসুস্থতা। অর্থাৎ কোনোভাবেই সংবিধানের ব্যতয় কারোই কাম্য নয়।
শপথ গ্রহণ শেষেই সংখ্যাঘরিষ্ঠ দলের দলীয় নেতা নির্বাচনসহ সরকার গঠনের পালা। মানে কেবিনেট গঠন। মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত যোগ্যতা, সততা, পরিশ্রমী ও অঞ্চলভিত্তিক বিষয়গুলো বিবেচনাসহ নারীদের অন্তর্ভুক্তি বিষয়সমূহ অগ্রাধিকার পাবে বলে ভোটারদের প্রত্যাশা রয়েছে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী কিংবা তাদের সমমর্যাদার এমন কোনো ব্যক্তি যেন নিয়োগ না পান যিনি ‘শপথ’ পরবর্তী যেন ‘স্বপথ’; না দেখেন। যদি তাদের মধ্যে কেউ ‘স্বপথ’ বেছে নেন তাহলে আর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কিংবা নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন আর থাকবে না। বরং ভোটাররা মাথায় হাত উঠিয়ে বলবে- ‘গেল গেল সব গেল’। তাই, সাধু সাবধান। অবশ্য যে পদগুলোর কথা বললাম তারাই একটা সুন্দর দেশ গঠনে যথেষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নিয়োগকৃত দায়িত্বশীল ব্যক্তি, সচিবালয়ে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের (পিএস, এপিএস) থাকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। অতীত অভিজ্ঞতা একথা বলে যে, ওইসব রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যক্তিদের অনৈতিক কার্যকলাপে বিগত সরকারগুলোর হয়েছে মহাসর্বনাশ। প্রসঙ্গক্রমেই এ বিষয়টি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
ভোটারদের ভাবনার মধ্যে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে আরও কতিপয় বিষয়া বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। যেমন, জাতীয় নির্বাচনের সন্ধিক্ষণে সমুদ্রবন্দর লিজ-বিষয়ক শ্রমিকদের বিরামহীন ধর্মঘট। সামনে পবিত্র রমজান মাস। নতুন সরকার গঠন ও রমজান শুরু তো একত্রেই। সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিক ধর্মঘট ও রমজান মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য তো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। নতুন সরকার ভূ-রাজনীতির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিদেশিদের স্বার্থ, জাতীয় স্বার্থ, চলমান শ্রমিক আন্দোলন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য- এসব কিছু কীভাবে স্বল্প সময়ে মিনিমাইজ হবে সবই তো ভোটারদের ভাবনায় হাবুডুবু খায়। 
যদি বাস্তব কথায় আসি তাহলে তো আলোচনায় আসে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু কমিশন করল এবং সংশ্লিষ্ট কমিশনগুলোর রিপোর্ট মতে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ ভবিষ্যতের পথরেখা শীর্ষক কর্মপদ্ধতি প্রণয়নও করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার দুটি মৌলিক প্রশ্নে সংস্কার কমিশন করেনি। প্রথমত, অর্থনীতি কমিশন ও দ্বিতীয়ত, শিক্ষা কমিশন। 
ভোটারদের মস্তিষ্কে আগামী দিনের জাতীয় অর্থনীতি কোন পথে, কী প্রক্রিয়ায় হাঁটবে, চলবে তা ভাবনার বিষয়। মুক্তবাজার অর্থনীতির চাকায় কি আরও পিষ্ট হবে বৈষম্যমূলক বণ্টনব্যবস্থা, না একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের পথে ধীর গতিতে হলেও চলবে জাতীয় অর্থনীতির পথ। জাতীয় সামষ্টিক অর্থনীতিতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আয়বৈষম্য হ্রাস ও আঞ্চলিক উন্নয়ন; জাতীয় সম্পদ বণ্টনে কীভাবে একটি যুক্তিসংগত ভারসাম্য অবস্থার প্রতিফলন ঘটবে তাও তো চিন্তার বিষয়। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, অও প্রযুক্তি কতটুকু প্রয়োগ করা যাবে তাও ভাবনার বিষয়। কারণ, আমাদের বেকার সমস্যা তো জাতীয় অর্থনীতিতে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়ার’ সমতুল্য। শ্রমনিবীড় উৎপাদন কৌশল (খওচগ) ও মূলধন নিবীড় উৎপাদন কৌশল (ঈওচগ) এ দুই বিষয় ভাবনা তো উপেক্ষা করা যায় না। কারণ, অও প্রযুক্তিতে খওচগ পরবে সমস্যায় আবার মূলধন নিবীড় উৎপাদন কৌশলের আর্থিক জোগান দেওয়ারও প্রযুক্তিগত স্বক্ষমতা এ দুই বিষয় তো মারাত্মক বিষয়। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিপিসহ অন্যান্য ঋণদাতা সংস্থার ঋণ পরিশোধও তো সহজভাবে নেওয়ার বা দেখার সুযোগ নেই। ইসলামী ব্যাংকগুলোর মধ্যে যে সাতটি ব্যাংক নিয়ে জটিলতা তাতে তো বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান রয়েছে মহাভাবনার মধ্যে। 
জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম একটি খাত হচ্ছে কৃষি খাত। যদিও এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে স্ব স্ব বিবেচনাপ্রসূত প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন কিন্তু কৃষি খাত বিষয়ে জনতার ভাবনা এরকম যে, জাতি কি আগামী দিনগুলোতেও আমদানিনির্ভর কৃষিনীতির পথে চলবে না ‘আমদানি বিকল্পন কৃষি নীতির’ পথে হাঁটবে? 
সঙ্গে সঙ্গে এ ভাবনাকেও নির্থক বলা যাবে না যে, কৃষি বলতে কি শুধু চাল উৎপাদনকে টার্গেট করে বলব যে, আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ? না আমরা কৃষির মূল সংজ্ঞাতে যে চারটি উপখাত রয়েছে শস্য, মৎস্য গবাদিপশুপালন ও বনায়ন এ সামষ্টিক কৃষি উন্নয়নের পথে হাঁটব? যদি পূর্বেকার পথে চলা হয় তাহলে তো অবস্থা তথৈবচ বটেই আর কী? আর যদি ‘আমদানি বিকল্প কৃষি নীতির’ পথে চলা যায় তাহলে দীর্ঘ সময় ধরে কৃষি খাতে প্রবাহমান অচলায়তন ভেঙে জনগণ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখবে। এ ক্ষেত্রে সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদ একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। দীর্ঘসময় ধরে কমিশন আর চাঁদাবাজ প্রথা ভাঙার স্বপ্নও ভোটের ব্যালটে প্রতীকের সঙ্গে কৃষকের চোখের ঝিলিক আলাদা করা যায় না। 
কৃষির আধুনিকীকরণ মানে সাধারণত সার, ওষুধ, সেচ বিষয়গুলোই গুরুত্ব পায়। এ প্রসঙ্গে জমির উর্বরা শক্তির ক্ষয়সহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ও বিবেচনার দাবিদার। চলমান প্রবন্ধে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী কোনো সময়ে আলোকপাত করা যাবে। 
দ্বিতীয় কথা শিক্ষা কমিশন বিষয়ে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে একাধিক শিক্ষা কমিশন হয়েছে। কখন কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে সে বির্তকে না গিয়ে সহজভাবেই বলতে পারি যে, জাতীয় শিক্ষার সুনির্দিষ্ট ভিশন এখনো ঠিক হয়নি। দেশের জনগণের মতে, জাতীয় অন্যান্য খাতের চেয়ে শিক্ষা খাত ভয়াবহভাবে এলোমেলো। বাস্তবতার আলোকে যদি বলি তাহলে বলতে হয়, শিক্ষা খাতে হাত দেওয়া যেকোনো রাজনৈতিক সরকারের জন্য ভীষণ স্পর্শকাতর। যে কারণে হয়তোবা অন্তর্বর্তী সরকারও শিক্ষা কশিমন করে এ খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে এতটা রাজনৈতিকভাবে বিবেচনায় নিয়েছে, ফলে শিক্ষা খাত একটা অকূল পাথারে পরিণত হয়েছে। কত ধরনের শিক্ষা, আর প্রকার পদ্ধতি যা বোধ হয় বিশ্বের অন্য কোনো দেশের সঙ্গে মেলানোর দুঃসাধ্য কার আছে জানি না অন্তত আমার মতো নগণ্য লেখকের তো নেই। ভোটারদের ভাবনা হচ্ছে নতুন জাতীয় সংসদ বসার পর যেসব গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাত দেবে তার মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করা অত্যাবশক। এবং শিক্ষানীতি প্রণয়নে কোনোভাবেই কোনো গোষ্ঠী কিংবা শ্রেণিস্বার্থ যেন বিবেচ্য না হয়। জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হবে একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়া। 
ভোটারদের ভাবনার মধ্যে আর একটি অন্যতম বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো সবাই বলছে যে, দুর্নীতি বিষয়ে শূন্য টলারেন্স। অত্যন্ত সুন্দর ভাবনা। এ বিষয়ে প্রথম কথা হচ্ছে সে গ্রামের চিরায়ত কথা ‘বেড়ায় যেন খেত না খায়।’ দুর্নীতির যে বিস্তৃতি হয়েছে দুর্নীতি দমনেও মনেও তেমন বাস্তব ও বিস্তৃত কর্মপরিধির প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দল, ক্ষমতা, সামাজিক মর্যাদা, শ্রেণি কোনো কিছুই বিবেচনায় নেওয়া যাবে না। দুর্নীতি দমনে বিস্তৃতির কথা বলছি এ কারণে যে, কেন্দ্রীয় দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রশাসনিক বিস্তৃতি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়ে তুলনামূলক ভালো লোক স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যদি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বজায় রাখতে পারেন তাহলে লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে। আর যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়ে যায় ‘হরিলুটের বাতাসা’ আর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা হয়ে যান ক্ষমতাসীনদের অন্যায় হুকুম পালনকারী, তাহলে রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় দুর্নীতির পথ হবে প্রশস্ত। জাতি পিছিয়ে যাওয়ার গতি দ্রুত বেগবান হবে। রাষ্ট্রব্যবস্থায় দুর্নীতি আর অনিয়ম ভর করলে আর অন্য কোনো মেকানিজম কাজ করে না করতে পারে না, সম্ভবও নয়। 
স্বাধীনতার পর ভোটারা বারবার প্রত্যাশা করছেন, আশায় বুক বেঁধেছেন ও প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। কিন্তু দুভার্গ্যজনক হলেও সত্য যে, ভোটাররা প্রতারিত হয়েছেন, বঞ্চনার শিকার হয়েছেন তার পরও হতাশ হননি। বারবার আশায় বুক বেঁধেছেন, ভরসা রেখেছেন রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি। কারণ দিনশেষে রাজনৈতিক নেতৃত্বই রাষ্ট্রযন্ত্রের মূল নিয়ামক। সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি পেশার মূল পরিচালনাকারী রাজনীতিবিদরা। এ ক্ষেত্রে কথা আসতে পারে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে বাজার তো ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আলাপ-আলোচনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে স্বাধীনভাবে আইনানুগ দায়িত্ব পালন বিষয়টি প্রণিধানযোগ্য। 
ভোটারদের প্রত্যাশাবিষয়ক ভাবনার শেষ পর্যায়ে বলতে চাই স্বাধীনতার ৫৪ বছরে পদ্মা, মেঘনায়, যমুনায় স্রোত অনেক প্রবাহিত হয়েছে। জনগণ এবার সবকিছুতে ঝঁংঃধরহধনরষরঃু দেখতে চায়।
লেখক: উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত), প্রাইম ইউনিভার্সিটি। অর্থনীতিবিদ ও কলামিস্ট












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপি থেকে বহিষ্কার মুন্সী
কুমিল্লায় শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ হাজার সদস্য
কুমিল্লায় পুকুর সেঁচে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করলো র‌্যাব
জনগণ ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে রায় দেবে -দ্বীন মোহাম্মদ
একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
আওয়ামী লীগের নিরপরাধ নেতা কর্মীদের প্রতি উদার হতে হবে
জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় শহরে কুবির বাস সার্ভিস
ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না
ব্যালট যাচ্ছে কুমিল্লার আসনে আসনে
শেষ সময়ে জমজমাট প্রচারণা কুমিল্লায়
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২