
চৌদ্দগ্রাম
প্রতিনিধি : জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ
তাহের বলেছেন, দেশ এখন দুইভাগে বিভক্ত। একদিকে ১১ দলীয় জোট। অপরদিকে অন্য
একটি দল। ১১ দলীয় জোটে আছে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল অলি আহমেদ বীর
বিক্রমের দল, জুলাই বিপ্লবের সিপাহ সালাহর দল এনসিপি, ইসলামী দলের
নেতৃবৃন্দ। ১১ দলীয় জোট হচ্ছে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে
সেই জোট। ইনশাআল্লাহ, ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন
করবে।
তিনি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশের জন্য এক চ্যালেঞ্জিং সিচুয়েশন চলছে।
আমরা কি ৫৬ বছরের পুরনো অন্ধকারের দিকে পশ্চাতে হাটতে থাকবো? নাকি, আমরা
নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য এগিয়ে যাবো। এ সিদ্ধান্ত হবে আগামীর নির্বাচনে।
ডাঃ
তাহের আরও বলেন, প্রথমে কেউ বলেছিল হ্যাঁ ভোটের বিরুদ্ধে না দেয়ার জন্য
সংস্কারের প্রশ্নে। কিন্তু জনগণের এত চাপের ছোটে না এখন হ্যাঁ হয়ে গেছে।
ওনারা বলেছিলেন বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে, ইসলামের উত্থান হচ্ছে। আর
এখন তারা বলছে, আল্লাহ এবং রাসুলের আদর্শ অনুসারে দেশ পরিচালনা করবে। তারা
যখন ক্ষমতায় ছিলেন বাংলাদেশ তিনবার চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল। এখন আবার তারা
বলছে, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়লে তো
আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু এই কথা কি ঠিক থাকবে? লক্ষণ আছে? কারণ, বিপ্লবের
পরে সারা দেশে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি কারা করেছে এটা সকলে জানে। সুতরাং
যারা এটাতে অভ্যস্হ হয়ে পড়েছেন তাদের দ্বারা দুর্নীতি দূর করা সহজ হবে বলে
মনে হয় না।
ডাঃ তাহের শনিবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ডাঃ মফিজুর রহমানের
সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন বাহারের পরিচালনায় জনসভায় বিশেষ
অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান,
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল
হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা
নুরুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন,
মমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা শাহজালাল, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর
রশীদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র পরিচালক হাফেজ জহিরুল
ইসলাম, আবদুল মন্নান, কামাল পাশা, নুরে আলম, মাওলানা মুজাম্মেল মনোয়ার,
শেখ আহমেদ, মাওলানা রেজাউল করিম, জসিম মেম্বার, সৈয়দ আহমেদ, আহসান উল্যাহ,
মামুনুর রশীদ, নুর হোসাইন মিয়াজী, মাওলানা আলী ওয়াক্কাছসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন
ওয়ার্ড জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।
