শাহীন
আলম: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীকে এবং গণভোটে হ্যাঁ ভোট
দেওয়ার আহবান জানিয়েছে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির প্রার্থী
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, না ভোট দেওয়া মানে গোলামিকে বরণ করে নেওয়া,
একজনের অধীনে চলে যাওয়া- যিনি প্রধামন্ত্রী একবার না বারবার হতে চায়; এমন
একজনের অধীনে চলে যাওয়া।
তিনি বলেন, একটি দল ‘গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে
সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না’ বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, হ্যাঁ ভোটের শর্তের
কোথাও কি এই কথা লেখা আছে? আপনারা নির্বাচনে দুটি ভোট দিবেন- একটি শাপলাকলি
আরেকটি হ্যাঁ ভোট। পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ হ্যাঁ ভোটের উপর নির্ভর
করে গড়ে উঠবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দেবিদ্বার উপজেলার সু্বলি ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর ঘোষাই বাড়ি মাঠে আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত
আব্দুল্লাহ বলেন, অনেকেই এখন ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে,
যারা এ পরিকল্পনা করছেন আপনারা সাবধান হয়ে যান। এখানে যারা আছেন আপনারা ফজর
নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে পাহারায় যাবেন। যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসবে
তাদের নেতাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে কর্মীদের বেঁধে পুলিশে দিবেন। এবার ভোট চুরি
প্রতিহত করতে রাজনৈতিক নেতার দরকার নেই- যারা জুলাই আন্দোলনে রাস্তা নেমে
এসেছে তাঁরাই ঠেকাবে। জুলাই আন্দোলনের সময় আমার মা বোনেরা রাস্তার মোড়ে
মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাদের পানি খাইওয়াইছে তাঁরাই এবার ভোট চুরি ঠেকাবে। এই
বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে । যারা এই
ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদেরকেও হাসিনার পরিণতি ভোগ করতে
হবে।
সুবিল ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাও. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও
বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম
শহীদ, দেবিদ্বার উপজেলা জামাতের আমীর অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ
খেলাফত মজলিসের কুমিল্লা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাও.মুফতি জামসেদ হোসেন,
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা জামায়াতের
সেক্রেটার মো. শরীফুল ইসলাম সরকার, উপজেলা এনসিপির সার্চ কমিটির সভাপতি
ইঞ্জি. ঈসমাঈল হোসেন প্রমুখ।
