নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ বলেছেন, 'হারানো ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে বিশেষ অভিযান চলমান রাখতে হবে। আমাদের এখনো চার শতাধিক পিস্তল এখনো হারানো আছে। এটা আমাদের দুশ্চিন্তার কারন। আবার স্বস্তিরও কারন আছে, ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে পাঁচ শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ডেভিল হান্ট ফেইজ টু শুরুর পর।'
'চেকপয়েন্ট অপারেশন রেনডমলি করতে হবে যেন কেউ(সন্ত্রাসী) এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে নিরাপদ বোধ না করে করে।'
তিনি গতকাল বিকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এর সাথে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ আরো বলেন, 'আনসার বাহিনীর জন্য বলবো কোন ভুয়া লোক যেন আনসারের ড্রেস পরে দাঁড়াতে না পারে। কারণ গত নির্বাচন গুলোতে এটিই বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল।'
'আমরা আশা করি ২০২৬ সালের নির্বাচনে এমন পর্যায়ে যেতে হবে না যেন, দুই বা দশ বা পঞ্চাশটা কেন্দ্রের বা পুরো আসনের নির্বাচন বন্ধ করে দিতে হবে।'
সভায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার বাহিনীর নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত উর্ধতন কর্মকর্তা ও সকল আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, থানার ওসি ও নির্বাচন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লার নির্বাচন পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ:
কুমিল্লায় এগারোটি আসনের নির্বাচনী পরিবেশ এখনো পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ। তবে আগামী নির্বাচনের দিনগুলোতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের প্রতি সতর্কতা রেখে নির্বাচন কমিশনার বলেন, কোন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না। নির্বাচনের আগে কোথাও কোন আতিথেয়তা গ্রহণ করবেন না। যেকোনো পরিস্থিতিতে সকল বাহিনী ও দপ্তর সমন্বয় করে পদক্ষেপ নিবেন।
সভায় তিনি কুমিল্লার হোমনা, তিতাস, লাকসাম, দেবিদ্বার সহ বিভিন্ন উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চান। এছাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছেও তাদের এলাকার খোঁজ খবর নেন।
এছাড়াও তিনি ঝুঁকিপূর্ণ নির্বাচন কেন্দ্রগুলো গুরুত্ব দিয়ে সিসি ক্যামেরায় স্থাপন, যোগাযোগের পথ নিরবিচ্ছিন্ন রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।
