ঢাকা-চট্টগ্রাম
পুরাতন মহাসড়কের পাশে দেয়াল নির্মাণ করছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার।
অভিযোগ উঠেছে, বিধি-নিষেধ না মেনে দেয়াল নির্মাণ করছে কুমিল্লার কারা
কতৃপক্ষ। এতে সরকারের তিন দপ্তরের টানাপোড়েন দীর্ঘ হচ্ছে। একই সাথে ফুঁসে
উঠছে কুমিল্লার নাগরিক সমাজ। জেলা প্রশাসক বলছে, সড়ক থেকে ১০ মিটার জায়গা
রেখে স্থাপনা নির্মাণের কথা আইনে বলা আছে।
সরেজমিনে দেখাযায়, নগর ভবনের
বিপরীতে পাতাবাহার ও ফুলের বাগান। মূল সড়কের বিটুমিন ঘেঁষে দেয়াল নির্মাণ
করছে কারা কতৃপক্ষ। সোমবার দুপুরে ১২জন কারারক্ষিকে সড়কে দাঁড় করিয়ে
দ্রুততার সাথে দেয়াল নির্মাণ করতে দেখা যায়।
কুমিল্লা সিটি
কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মামুন
জানান, সর্বশেষ সভায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে
মহাসড়ক আইন, ২০২১ অনুযায়ী মহাসড়কের দূরত্ব মেনে তাদের স্থাপনা নির্মাণ
করার। যদি তা না হয়, পরবর্তীতে সড়ক প্রশস্ত করা যাবে না। ড্রেন ও হাঁটার পথ
থাকবে না।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী
খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, এ বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ আছে ১০ মিটারের
মধ্যে কোন স্থাপনা করা যাবে না। পর্যায়ক্রমে আমরা ঠিকঠাক করবো।
সুশাসনের
জন্য নাগরিক(সুজন) কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান টিটু
বলেন,নগরীতে মানুষ বাড়ছে। সেজন্য সড়ক, ড্রেন ও পার্কসহ বিভিন্ন নাগরিক
সুবিধার প্রয়োজনে ভূমি অধিগ্রহণ দরকার,সেখানে সড়ক দখল গ্রহণ যোগ্য নয়।
অভিযোগের
বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের
সরকারি নম্বরে একাধিক কল ও ক্ষুদে বার্তা দিলে তিনি কোন জবাব দেননি। ২৫
জানুয়ারি দুপুর ঘণ্টারও বেশী সময় তার কারাগার প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করলেও
প্রবেশের অনুমতি দেননি জেল সুপার।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক)
মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সড়ক থেকে ১০ মিটার জায়গা রেখে স্থাপনা নির্মাণের
কথা আইনে বলা আছে। সর্বশেষ মাসিক সমন্বয় সভায় গণপূর্ত, কারাগার, সিটি
কর্পোরেশন ও সড়ক বিভাগকে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। এখানে সড়ক
বিভাগকে ভূমিকা রাখতে হবে।
