কুমিল্লা-৪
(দেবিদ্বার) সংসদীয় আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে
অর্ধেক সমর্থন জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মজিবুর রহমান তবে
তিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের দিকে নির্ভর করে নির্বাচন করবেন কিনা তা পরে
সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানিয়েছেন। গত ২১ জানুয়ারি তাঁকে ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীক
বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে
১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাওলানা মজিবুর রহমান নিজেই। এর আগে গত
২০ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে
নিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মোফাজ্জাল হোসেন।
বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি
(এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মাওলানা মজিবুর রহমান বলেন, ১১
দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহকে অর্ধেক সমর্থন দিয়েছি। দেখতেছি
রাজনীতির মোড় কোন দিকে ঘুরে। আমার নির্বাচন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের ওপর
নির্ভর করবে। এতদিন ধরে তো নির্বাচন করার ইচ্ছা থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার
করেনি। সমর্থন দেয়া মানে যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে হবে সেটা তো কথা না।
কাগজপত্রে এখনো আমি বহাল আছি, প্রত্যহার করছি মুখে। আপাতত তাঁর পক্ষেই মাঠে
কাজ করার জন্য জোটের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে
কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, খেলাফত
মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মজিবুর রহমান ইতিমধ্যে আমাদের বিভিন্ন নির্বাচনী
সভায় অংশ নিচ্ছেন, তিনি সেখানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হাসনাত
আব্দুল্লাহকে সমর্থন জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন এবং শাপলা কলির পক্ষে ভোট
চেয়েছেন।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জি. মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী
ঋণখেলাপীর কারণে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশিন (ইসি)
এরপর তিনি উচ্চ আদালতে রিট করলেও গত ২১ জানুয়ারি তা খারিজ করে দিয়েছেন
হাইকোট আপিল করেছেন।
এ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ ও মোহাম্মদ মজিবুর রহমান
ছাড়াও অন্য প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা প্রতীক)
প্রার্থী আবদুল করিম, গণ অধিকার পরিষদের (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী জসিম
উদ্দিন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী (আপেল প্রতীক) ইরফানুল হক
সরকার।
