
বিপিএলে নিজেদের অষ্টম ম্যাচে দারুণ এক জয় পেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি, ২০২৬) বিকেলে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে তারা ১৮ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে হারিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে।
চট্টগ্রামের এই জয়ে দারুণ অলরাউন্ড নৈপূণ্য দেখান অধিনায়ক শেখ মাহেদী হাসান। প্রথমে বোলিংয়ে ৩ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। এরপর রান তাড়া করতে নেমে দল যখন বিপর্যয়ের মুখে, তখন হাল ধরে অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
তার দিনে বল হাতে দারুণ ছিলেন শরিফুল ইসলামও। তিনি ৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫টি উইকেট নেন। শরিফুল ও মাহেদীর বোলিং তোপে নোয়াখালী ১৮.৫ ওভারে অলআউট হয় ১২৬ রানে। ব্যাট হাতে নোয়াখালীর হাসান ইসাখিল ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৫, জাকের আলী ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ ও সাব্বির হোসেন ১ চার ও ২ ছক্কায় করেন ২২ রান। এছাড়া সৌম্য সরকার ১৪, হায়দার আলী ১২ ও হাবিবুর রহমান সোহান করেন ১১ রান।
নোয়াখালীর করা ১২৬ রান তাড়া করতে নেমে শূন্যরানে প্রথম, ১১ রানে দ্বিতীয়, ২৩ রানে তৃতীয় ও ২৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। মাহমুদুল হাসান জয় শূন্যরানে, মোহাম্মদ হারিস ৭ রানে, মাহফিজুল ইসলাম শূন্যরানে ও মোহাম্মদ নাঈশ শেখ ১৮ রানে সাজঘরে ফেরেন।
তখন মাঠে নামেন মাহেদী। হাসান নাওয়াজের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়েন। দলীয় ৬৯ রানের মাথায় নাওয়াজ ফিরেন ১১ রান করে। এরপর আসিফ আলীকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। মাহেদী ৩৬ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ এবং আসিফ ২টি চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
বল হাতে নোয়াখালীর ইহসানউল্লাহ ৪ ওভারে ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ, সাব্বির হোসেন ও জহির খান। ফাইফার নিয়ে ম্যাচসেরা হন চট্টগ্রামের শরিফুল।
এই জয়ে ৮ ম্যাচ থেকে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে চট্টগ্রাম। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে রাজশাহী আছে দ্বিতীয় স্থানে। আর ৯ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট আছে তৃতীয় স্থানে।
