নিজস্ব
প্রতিবেদক।। নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানিতে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ)
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলাসহ আরও ২ প্রার্থী তাদের
প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) শুনানির ৬ষ্ঠদিন তাদের
আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
কুমিল্লা
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আপিল
শুনানিতে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বাংলাদেশ কমিউনিস্ট
পার্টির আবদুল্লাহ আল কাফি এবং কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের কন্যা
সামিরা আজিম দোলার আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ
ঘোষণা করেন।
তথ্যগুলো নিশ্চিত করে কুমিল্লা জেলা সিনিয়র নির্বাচন
কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানান, নির্বাচন কমিশনে কুমিল্লার
২টি আপিল শুনানি হয়। শুনানি শেষে প্রার্থীদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
সূত্র
মতে, কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন বাতিল ও বৈধতার বিরুদ্ধে মোট
২৬টি আপিল দাখিল করেন নির্বাচন কমিশনে। গত শুক্রবার ৯ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪
দেবিদ্বার আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ)
এর মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। এদিন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিনের মনোনয়ন
বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক
চৌধুরী।
অন্যদিকে হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন রাখার অভিযোগে কুমিল্লা-১০
(নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার
প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন একই আসনের
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী নুর আলম
সিদ্দিকী।
কুমিল্লার ১১ টি আসনের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়ন
বাতিল এবং বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করা হয়েছে। তার
মধ্যে কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহ মোফাজ্জল
হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর, কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
কামরুল হুদার প্রার্থিতার বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনে।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে ঋণখেলাপির তথ্য গোপন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং
সরকারি অর্থ আত্মসাৎ সহ আরো নানা অভিযোগ।
এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিলের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা ৩ মুরাদনগর আসনের জামায়েত মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ সোহেল,
কুমিল্লা- ৯ লাকসাম মনোহরগঞ্জ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা,
কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বাসদের প্রার্থী কামরুন নাহার সাথী, একই আসনের ইসলামী
আন্দোলনের প্রার্থী হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলনের
আব্দুল করিম ও কুমিল্লা১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
