কুমিল্লা-৬
(আদর্শ সদর, কুমিল্লা মহানগরী, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ
সদস্য প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী
গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সকালে
কুমিল্লা মহানগরীর ১৪ নং ওয়ার্ডের দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেডিসিন মার্কেট,
আমরাতলি ইউনিয়নের রত্মাবতী পশ্চিম পাড়া এবং মহানগরীর ১৯ নং ওয়ার্ডের নেওড়া
এলাকায় স্থানীয় ভোটার, ব্যবসায়ী ও গণমানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন
পাশাপাশি এসব এলাকার সার্বিক জনদুর্ভোগ, অবকাঠামো সমস্যা ও নাগরিক চাহিদা
সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
গণসংযোগ চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর
যুববিভাগের সভাপতি কাজী নজির আহমেদ, মিয়া মোহাম্মদ আকছির, মাওলানা কেফায়েত
উল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
গণমাধ্যমে ও জনতার সঙ্গে আলাপচারিতায় ‘কেমন
কুমিল্লা চাই’-এ রূপরেখা তুলে ধরে কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন, “ইতিহাস ও
ঐতিহ্যের বিশাল ভান্ডার কুমিল্লা রয়েছে শালবন বিহার , গোমতী নদী, পুরাতন
গোমতী নদী, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন যা সরাসরি ঢাকা রেললাইন স্থাপন হবে, এবং
কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা। পরিকল্পিতভাবে এগোতে পারলে কুমিল্লা
হবে নান্দনিক ও আকর্ষণীয় মিডিয়ার কল্যাণে জানবে সারা দুনিয়া ।”
তিনি আরও বলেন, “শালবন বিহার কেবল প্রত্নস্থল নয়,এটি কুমিল্লার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনার প্রতীক।”
শালবন
বিহারকে কেন্দ্র করে পর্যটনশিল্প বিকাশে তিনি কয়েকটি কাঠামোগত পরিকল্পনা
উপস্থাপন করেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে
সমন্বয় করে আধুনিক ডিসপ্লে, ডিজিটাল গাইড, তথ্যকেন্দ্র ও সাইনেজ স্থাপন
পরিবেশবান্ধব পর্যটন জোন গড়ে তোলা. কোটবাড়িুশালবন বিহার এলাকায় রাস্তা,
ফুটপাত, লাইটিং, পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্থানীয় যুবকদের
জন্য ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প–স্যুভেনির–খাবার স্টলসহ ক্ষুদ্র
উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ, হোমস্টে, রেস্ট এরিয়া, উন্নত স্যানিটেশন ও
পরিবারবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিতকরণ, সাংস্কৃতিক উৎসব, ঐতিহ্যবাহী মেলা ও
ইতিহাসভিত্তিক আয়োজনের প্রচলন, অবৈধ দখল, বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে
পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা
তিনি বলেন, “পর্যটন বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে। আর কর্মসংস্থান বাড়লে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে।
দুর্গাপুরে মেডিসিন মার্কেট গণসংযোগে ব্যাবসায়ীদের বলেন
“আলেখারচর
মেডিসিন মার্কেট শুধু ব্যবসার স্থান নয়-মানুষের জীবনের সাথে জড়িত।
পরিকল্পনা, নিরাপত্তা ও ইনসাফ দিয়েই এই মার্কেটকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া হবে,
ইনশাআল্লাহ।”
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি আগামীর কুমিল্লা কেমন
হতে পারে সে আলোচনা করেন এবং ব্যবসায়ীদের মতামত শুনে তিনি বলেন- ছোট ও
মাঝারি ওষুধ ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা, চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ, লাইসেন্স ও
নবায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, সিসিটিভি, রাতের নিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত লাইটিং,
হাসপাতাল ও ক্লিনিক রেফারেল লিংক ও ফার্স্ট এইড ব্যবস্থা, যুবকদের জন্য
ফার্মেসি সহকারী প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান, ব্যবসায়ী–জনপ্রতিনিধি নিয়মিত
সংলাপ ও মতামতের ভিত্তিতে সমাধান করা।
