কুমিল্লার
মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. নাসির উদ্দীনকে (৬০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে
মেঘনা থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাওরখোলা গ্রামের উত্তর পাড়া
ব্রিজ সংলগ্ন ‘ভেরি বাড়ি’র এক শিশু কন্যা (৮) এই নৃশংস ঘটনার শিকার হয়।
অভিযুক্ত মো. নাসির একই গ্রামের ভেরি বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী
শিশুটি অভিযুক্তের আত্মীয় বলে জানা গেছে। শিশুটি তার নানার বাড়িতে বেড়াতে
আসলে ১৪ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
ঘটনার পর
থেকে অভিযোগকারীরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছেন
বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির পরিপ্রেক্ষিতে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে মেঘনা থানা পুলিশ অভিযুক্ত নাসিরকে আটক করে
থানায় নিয়ে আসে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিশুর অবস্থান
সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর
ভাওরখোলা ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি দ্রুত এলাকায়
ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেকেই এমন নৃশংস
ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি এলাকায় আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণের দাবি উঠে।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
শহীদুল ইসলাম বলেন, ফেসবুকে এই ঘটনাটি লেখালেখির ভিত্তিতে অভিযুক্তকে
ভোরবেলায় আটক করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে পুলিশি হেফাজতে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখনো ভিকটিমের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া
যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
