কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসে ঢুকে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী ‘সামি জনি’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের অংশ ভেঙে ঢুকে পড়ে। এ সময় আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ভেঙে ধুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে অফিসের ভেতরে থাকা আসবাবপত্রেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনায় ঘুমন্ত যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হন।
বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ী সুমন রায় চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের চার লেনের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষ কেন কাজ শেষ করছে না, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি–২ এর বাগমারা জোনাল অফিসের ডিজিএম মুহাম্মাদ সৌরাদ উদ্দিন সাদি বলেন, ‘ভোরবেলা বাসটি লাইনচ্যুত হয়ে সড়কের পাশের আমাদের অফিসের সামনের বারান্দা ও একটি কক্ষে ঢুকে পড়ে। দিনের বেলায় হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতো। এতে অফিসের ক্যাশ কাউন্টার, কম্পিউটার এবং আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দূর্ঘটনার কারণে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।’
এ বিষয়ে লাকসাম ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনকে লাকসাম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাসটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হলেও অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে বাগমারা ও শানিচোঁ অংশের কাজ এখনো ঝুলে রয়েছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।
