শুক্রবার ৯ জানুয়ারি ২০২৬
২৬ পৌষ ১৪৩২
২৯৫ ওষুধ ‘অত্যাবশ্যকীয়’, সরকার বেঁধে দেবে দাম
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩০ এএম |


নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে 'অত্যাবশ্যকীয়' তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ করা হয়েছে. সেগুলো বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান।
মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রাপ্যতার জন্য বিক্রেতাদের সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে কাজটি করার জন্য সময় দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে.সায়েদুর রহমানবলে, "একটি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে যেখানে ২৯৫ বা সেটা আজকে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরো একটি দুটি ড্রাগের অন্তর্ভুক্তি অনুরোধ এসেছে। সেগুলো অন্তর্ভুক্ত হলে ২৯৫ বা ২৯৬ টা ওষুধ হবে। এগুলোকে বলা হচ্ছে অত্যাবশ্যক ওষুধ।
‘...এবারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ গত তালিকার চাইতে এবারে ১৩৫টি ওষুধ ১৩৬টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নতুনভাবে এবারের তালিকায়। এবং মূল ব্যাপার যেটা সেটা হচ্ছে যে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলোর ক্ষেত্রে আসলে এটা সরকার কর্তৃক একটি নির্ধারিত মূল্যে ওষুধগুলো বিক্রি করতে হবে।’
দাম কীভাবে বেঁধে দেওয়া হবে তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘মূল ব্যাপার যেটা ঘটবে সেটা হচ্ছে যে এই অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকাভুক্ত ওষুধগুলোর সবগুলোর মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
"এবং এই নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যারা আছেন তাদেরকে এই মূল্যে পর্যায়ক্রমে আসতে হবে। যারা ওপরে আছেন তাদেরকেও নেমে আসতে হবে, যারা নিচ থেকে যাবেন তারা ইচ্ছা করলে ওপরে উঠতে পারেন অথবা থাকবেন।’
পর্যায়ক্রমের বিষয়টির ব্যাখ্যায় চার বছর সময় দেওয়া হবে বলে তিনি তুলে ধরেন।
“প্রতিবছর কমিয়ে কমিয়ে চার বছরের মধ্যে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে আসতে হবে।”
এতে কতটুকু সুফল মিলবে তাও বলেছেন সায়েদুর রহমান।
এই ওষুধগুলো বাংলাদেশের সাধারণভাবে আপনারা সবাই জানেন যে অত্যাবশ্যক ওষুধ মাত্রই এটা বাই ডেফিনেশন এটা শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের সকল রোগ ব্যধি চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট।
‘অতএব এই ওষুধগুলোর ওপর মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরাসরিভাবে বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্যতা এবং ওষুধের প্রাপ্যতা ওপর প্রভাব ফেলবে। অতএব এটা একটা বলা যায় একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।’
এর বাইরে আরও ১১০০ এর মত ওষুধ আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে 'নির্দিষ্ট' মূল্য ঠিক করে না দিলেও একটা দামের পরিধি বেঁধে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সায়েদুর রহমান।
তিনি বলেন, যে সকল পণ্যের উৎপাদক সাতের বেশি প্রতিষ্ঠান। সেসব ওষুধের মূল্য তাদের বিক্রির মূল্যের মধ্যে দামে বেঁধে দেওয়া হবে।
উদাহরণ টেনে সায়েদুর বলেন, “কোনো ওষুধের বিক্রির মূল্য ১০-২০ এ বিক্রি হলে সেটি ঠিক করা হবে ১৫ টাকায়। এবং এর সঙ্গে যোগ-বিয়োগ ১৫ শতাংশ রেঞ্জ রাখা হবে। যেসব ওষুধের উৎপাদক ৭টির কম, সেক্ষেত্রে বিদেশের বাজার মূল্যও আমলে নিয়ে একটা বাজার দরের রেঞ্জ ঠিক করা হবে।”
তার ভাষ্য, মূল্য নির্ধারণের নীতিমালারও অনুমোদন মিলেছে সভায়। দ্রুতই তা প্রকাশ পাবে। এটি হলে আর কোনো ওষুধই একদম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নতুন উৎপাদনে আসা ওষুধের ক্ষেত্রেও এ নীতিমালা নির্দেশনা থাকবে বলে জানিয়েছেন সায়েদুর।












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লার আসনে-আসনে বিএনপিতে অস্থিরতা
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কুমিল্লায় ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে
ঋণ খেলাাপীদের ঘুম হারাম করে ছাইড়া দেব : হাসনাত আব্দুল্লাহ
কুমিল্লার ১১ আসনে প্রার্থীতা বাতিল ও বৈধতার বিরুদ্ধে ২০ আপিল
কুমিল্লা-১ ও ২ সংসদীয় আসন আগের মতো পুনর্বহালের নির্দেশ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ঋণ খেলাপি, নির্বাচন করতে পারবেন না
কুমিল্লার এসপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ
কুমিল্লায় ওসমান হাদির গ্রাফিতিতে কালো রঙ লেপন
কুমিল্লার আসনে-আসনে বিএনপিতে অস্থিরতা
কাজ না করেই বিল উত্তোলনের চেষ্টা, প্রকৌশলীকে হুমকি
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২