
কুমিল্লার
১১ টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র বাতিল
এবং বৈধতার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২০ আপিল জমা পড়েছে নির্বাচন
কমিশনে। আজ আপিলের শেষ দিনে আরো যে সকল আপিল জমা পড়বে সেগুলোর শুনানি পরের
দিন ১০ জানুয়ারি শনিবার থেকে শুরু হবে। আপিল শুনানি চলাকালে নির্বাচন
কমিশনে উপস্থিত থাকবেন জেলা রিটানিক কর্মকর্তা ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন
কর্মকর্তা। জেলার নির্বাচন কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, বাছাইয়ে বাদ পড়া
এবং বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিলকৃত আবেদন গুলোর বিষয়ই শুনানি হবে নির্বাচন
কমিশনে। শুরুতেই কুমিল্লার ৬টি আবেদন শুনানি হবে শনিবার এবং রবিবার।
শুনানিতে থাকবেন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান ও
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
তথ্যগুলো
নিশ্চিত করে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন,
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুমিল্লার ১১ টি সংসদীয় আসনে বাদ পড়া প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থী এবং বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ২০টি আপিল জমা পড়েছে। শনিবার এবং
রবিবার কুমিল্লার ছয়টি আপিলের শুনানি হবে। ১৮ জানুয়ারি শুনানির দিন পর্যন্ত
পর্যায়ক্রমে সেগুলোরও শুনানি হবে। এ দুইদিন আমাদেরকে নির্বাচন কমিশনে
শুনানিতে উপস্থিত থাকতে হবে।
সূত্র মতে, কুমিল্লার ১১ টি আসনের বেশ
কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়ন বাতিল এবং বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন
কমিশনে আপিল দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসনের বিএনপির
মনোনীত প্রার্থী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার আসনের
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর, কুমিল্লা-৬ সদর আসনের
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদার প্রার্থিতার বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল
জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে ঋণখেলাপির তথ্য
গোপন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎ সহ আরো নানা অভিযোগ।
এদিকে
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ৩ মুরাদনগর আসনের জামায়েত মনোনীত
প্রার্থী ইউসুফ সোহেল, কুমিল্লা- ৯ লাকসাম মনোহরগঞ্জ আসনের স্বতন্ত্র
প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা, কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বাসদের প্রার্থী কামরুন
নাহার সাথী, একই আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-৪
আসনের ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল করিম।
