
নিজস্ব
প্রতিবেদক।। কুমিল্লায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে
নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার
কার্যালয়গুলোতে পাঠানো হচ্ছে বিভিন্ন নির্বাচনী সরঞ্জাম। জেলার ১১টি সংসদীয়
আসনের আওতাধীন ১৭টি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ধাপে
ধাপে পাঠানো হচ্ছে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী
সরঞ্জাম। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলা সিনিয়র নির্বাচন
কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রথম ধাপে ব্যালট পেপার ছাড়া বাকি সব ধরনের সংসদ
নির্বাচন ও গণভোটের সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার
কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এসব সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ব্যালট বাক্স, সিল, কালি,
স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের লক, অফিসিয়াল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, হেসিয়ান
বড় ও ছোট ব্যাগ, গানি ব্যাগসহ নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য
অপরিহার্য বিভিন্ন উপকরণ।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী
এসব সরঞ্জাম নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া
হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা
ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও একযোগে চলমান রয়েছে, যাতে
ভোটগ্রহণের দিন কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা যায় এবং
ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন
কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সরঞ্জাম বিতরণ একটি
ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যেখানে প্রথম ধাপে ব্যালট পেপার ছাড়া সব সরঞ্জাম
পাঠানো হয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে মনিহারি ও অন্যান্য সহায়ক সামগ্রী পাঠানো হবে
এবং সর্বশেষ ধাপে ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহ আগে ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হবে।
বর্তমানে এসব নির্বাচনী সামগ্রী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার
কার্যালয়ে রাখা হচ্ছে এবং ভোটগ্রহণের একদিন আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে
জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৪৯২টি কেন্দ্রে সেগুলো পাঠানো হবে। যেখানে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উভয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ
নিশ্চিত করা হবে।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর
রহমান জানান, সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার সরাসরি জেলা সিনিয়র নির্বাচন
কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সরবরাহ করা হবে এবং গণভোটের ব্যালট পেপার জেলা
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গণভোটের ব্যালট পেপার পৌঁছেছে এবং
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহ আগে সেগুলোও জেলার ১৭টি
উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, যাতে
নির্ধারিত সময়ে ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়।
