
আসিফ মাহমুদ
সজীব ভূইয়া পদত্যাগের পর অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার
দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে মত
বিনিময়ে বসেন তিনি। সেখানে জেলা চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষ ১৬ দলকে নিয়ে আরেকটি
টুর্নামেন্ট করার কথা বাফুফেকে বলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
ড. আসিফ নজরুল
বাফুফের সাধারণ সম্পাদককে তিন দিনের মধ্যে ঐ টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা
পাঠাতে বলেছিলেন। বাফুফে থেকে এক কোটি টাকার বেশি একটি বাজেট জাতীয় ক্রীড়া
পরিষদে পাঠানো হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও মন্ত্রণালয় টুর্নামেন্ট নিয়ে
আন্তরিক থাকলেও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো পড়েছে দোটানায়।
বাফুফে
সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ‘‘অ-১৭ জেলা চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।
জেলাগুলো সেখানে অংশগ্রহণ করছে। একই সময়ে আরেকটি টুর্নামেন্টে খেলা তাদের
জন্য কষ্টকর বলে জানিয়েছে। এজন্য আমরা ঐ টুর্নামেন্টটি কিছুদিন পর আয়োজন
করব। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও মন্ত্রণালয় এতে সম্মতি দিয়েছে।’’
প্রতি
ফেডারেশন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে। বাফুফে তিন বছর পর এবার
মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল। জাতীয়
চ্যাম্পিয়নশিপ ছাড়াও একই বছর অ-১৫ ও অ-১৭ টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে
ফেডারেশন। নতুন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জেলা পর্যায়ে ফুটবল উন্মাদনায়
মুগ্ধ হয়ে পুনরায় ১৬ জেলা নিয়ে আরেকটি টুর্নামেন্টের ইচ্ছে প্রকাশ করলেও
তার মেয়াদে সেটা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। এক
মাসের কিছু বেশিদিন রয়েছে। ফলে মাত্র মাস দুয়েকের কম সময় ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন ড. আসিফ নজরুল। এদিকে আইন ও প্রবাসী
মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে থাকায় তার ব্যস্ততা অনেক বেশি। এর মধ্যেও একদিন
বিকেএসপি পরিদর্শন করেছেন তিনি। বাফুফে ভবনে আসার সূচি দিয়েছিলেন দুবার।
ব্যস্ততায় শেষ পর্যন্ত আসতে পারেননি। আইপিএলে মুস্তাফিজ ইস্যু ও বাংলাদেশের
বিশ্বকাপ ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় করার ব্যাপারে তিনি কঠোর নজরদারিও করছেন।
