গোমতী
নদীকে পর্যটন শিল্পের আওতায় নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন
দিগন্ত উন্মোচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনে বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন
মোহাম্মদ। গতকাল তিনি
কুমিল্লা চানপুর ব্রীজের পুর্বপাশে গোমতী টাচ বিনোদন পার্কে পরিদর্শনে এসে নদীর ব্যাবহারে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে মত প্রকাশ করেন।
এছাড়াও
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, কুমিল্লা মহানগরী, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা)
আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বুধবার (৭ জানুয়ারি)
দিনব্যাপী গণসংযোগ, উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নির্বাচনী কর্মসূচিতে
অংশগ্রহণ করেন।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকাল ৩টায় তিনি গোমতী নদী
পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কুমিল্লার সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা
বিবেচনায় নিয়ে গোমতী নদীকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পরিকল্পনার
কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।
কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, পৃথিবীর
বিভিন্ন স্থানে নদীকেন্দ্রিক সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে। নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে
জনপদ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। অথচ আমরা আমাদের নদীর সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে
লাগাতে পারিনি। কুমিল্লার গোমতী নদীকে পর্যটন শিল্পের আওতায় আনা হলে এ
অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
তিনি
আরও বলেন, গোমতী নদীর দুই তীরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ইকো-ট্যুরিজম গড়ে
তোলা সম্ভব। গোমতী টাচ বিনোদন পার্কের মতো আরও পর্যটন ও বিনোদনমূলক
প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যেতে পারে। পাশাপাশি শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি প্রবাহ
বজায় রাখতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পানি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হবে এবং
গোমতী নদীকে পর্যটন শিল্পের আওতায় নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করব।
এর
আগে সকাল ৮টায় তিনি টমছম ব্রিজ, রামমালা এলাকাসহ বিভিন্ন অলিগলিতে গণসংযোগ
করেন। পরে সন্ধ্যা ৬টায় তিনি কোটবাড়ি কেন্দ্র কমিটির সভায় অংশ নেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর
রহমান, মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান আহমেদ, সেক্রেটারি মো. নাজমুল হাসান
পঞ্চায়েত, বিশ্বরোড অঞ্চল পরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, সাংবাদিক
সহিদুল্লাহ মিয়াজীসহ স্থানীয় জামায়াত ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
