বুধবার ১০ জুন ২০২৬
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কুমিল্লা ইপিজেডের ভূমিকা
মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী
প্রকাশ: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ১২:১৫ এএম আপডেট: ২০.০৮.২০২৫ ১:১১ এএম |

 বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কুমিল্লা ইপিজেডের ভূমিকা
যে কোন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পায়নের কোন বিকল্প নেই। শিল্পায়নের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধি করে অর্থনীতির চাকা ঘুরাতে প্রয়োজন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। আর এর সবকিছুর জন্য প্রয়োজন যথাযথ অবকাঠামো উন্নয়ন করা। স্বাধীনতা অর্জন পরবর্তী সময়ে আমাদের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। দেশের অর্থনীতির কাক্সিক্ষত উন্নয়ন তরান্বিত করা ও বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন প্রণয়ন করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালে বেপজার কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের ১৩ দশমিক ৯৫ বর্গকিলোমিটার জমিতে (দেশের আয়তনের মাত্র ০.০০১ শতাংশ) আটটি ইপিজেড ও একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল (চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল) এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 
ইপিজেড এর পূর্ণরূপ হলো এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা। এর প্রধান কাজ হলো দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, সেই সাথে পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। বেপজার বয়স ইতোমধ্যে ৪০ বছর অতিক্রম করেছে।
প্রতিষ্ঠাকালীন সময় অর্থাৎ ?১৯৮৩ থেকে বেপজাধীন জোনগুলোয় এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ হয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে এফডিআই ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। দেশের মোট এফডিআইয়ের ছয় ভাগের এক ভাগ এসেছে মাত্র ০.০০১ শতাংশ জমিতে।  বর্তমানে আটটি ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি কর্মী নিয়োজিত আছেন। ইপিজেড থেকে প্রাপ্ত আয়ে সরাসরি ২১ লাখ মানুষের জীবিকার সংস্থান হচ্ছে। ইপিজেডকে কেন্দ্র করে একটি বিশাল আকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী চেইন গড়ে উঠেছে, যা অর্থনীতির চাকাকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। ইটিজেডের কর্মপরিবেশ ভালো বিধায় শ্রমিকরা কাজ করে আনন্দ পান।  ইপিজেডের একজন কর্মী বাইরে প্রতিষ্ঠিত শিল্প কারখানার তুলনায় ৩০/৪০ শতাংশ বেশি বেতন পান। ইপিজেড দেশের দারিদ্র হ্রাসকরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা পালন করছেন। উল্লেখ্য যে, দেশের ইপিজেডগুলোয় ২৬টি লিড সার্টিফায়েড কারখানা আছে, যার মধ্যে আটটি প্লাটিনাম সার্টিফায়েড। বর্তমানে ইপিজেডে ৪৫০টি চালু কারখানার মধ্যে ৫২ শতাংশ পোশাক সংশ্লিষ্ট, বাকিগুলোয় তৈরি হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ, ক্যামেরা লেন্স, প্রিন্টারের টোনার, বাইসাইকেল, চশমার ফ্রেম, উইগ, জুতা এমনকি কফিনও। অলিম্পিকে ব্যবহৃত বাইসাইকেল, বিশ্ব আর্চারি প্রতিযোগিতার তীর, আর্মির এ্যান্টি-রেডিয়েশন ইউনিফর্ম তৈরি হচ্ছে ইপিজেডে। ধীরেধীরে ইপিজেডে সোলার প্যানেল বসছে। এছাড়া কারখানাগুলোয় রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ে কাজ চলমান রয়েছে।  
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে বলা হয় আমাদের দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। দেশের লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কৌশলগত মধ্যবিন্দুতে কুমিল্লা ইপিজেড অবস্থিত। এটি এ অঞ্চলের শিল্পোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের এক শক্তিশালী কেন্দ্র। জাতীয় রপ্তানি আয় বৃদ্ধি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কুমিল্লার প্রানকেন্দ্রে কুমিল্লা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০ সালে কুমিল্লা শহরের অদূরে পুরনো বিমানবন্দরের রানওয়ের একাংশসহ ২৬৭.৪৬ একর জমিতে বাংলাদেশের ৪র্থ বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কুমিল্লা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় । রাজধানী ঢাকার নৈকট্য, অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কম সময়ে পণ্য আমদানি-রফতানির সুবিধা, যোগাযোগ ও লজিস্টিক সুবিধার এ অনন্য সমন্বয় বিনিয়োগকারীদের কাছে কুমিল্লা ইপিজেডকে করে তুলেছে এক আকর্ষণীয় গন্তব্যে।
ঐতিহাসিকভাবে শিল্প ও সংস্কৃতির সূতিকাগার হিসেবে কুমিল্লার সুনাম রয়েছে। কুমিল্লায় উৎপাদনমুখী শিল্পের যে অভাব ছিল কুমিল্লা ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে সে ঘাটতি পূরণ হয়েছে। কুমিল্লা ইপিজেড বৃহত্তর কুমিল্লার স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় কুমিল্লা ইপিজেডের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভালো। সহজে এবং কম সময়ে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে বিধায় বিনিয়োগকারীরা লিড টাইমের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। এটি জাতীয় অর্থনীতিতেও যেমন অবদান রাখছে, তেমনি কুমিল্লার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় জনগণের জন্য শিল্পনগরীটি হয়ে উঠেছে কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান উৎস, যা এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
বর্তমানে কুমিল্লা ইপিজেডে মোট ২৩৯টি শিল্প প্লট রয়েছে, ৪৬ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ০৬ টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। কুমিল্লা ইপিজেডে চীন, জাপান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভারত, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, হংকং, মরিশাস, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, ওমান এবং বাংলাদেশের শিল্পোদ্যোক্তাগণ বিনিয়োগ করেছে; বিনিয়োগকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ৩১ টি সম্পূর্ণ বিদেশী, ০৮ টি যৌথ-উদ্যোগ এবং ১৩ টি সম্পূর্ণ বাংলাদেশী মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কুমিল্লা ইপিজেডস্থ শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ২০০১-০২ সালে বিনিয়োগের পরিমান ছিল ০.৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং কুমিল্লা  ইপিজেডে ২০০১-০২ সালে ৪৪২ জন, ৫০ হাজারেরও বেশী স্থানীয় জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০০১-০১ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ০.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,  বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কুমিল্লা ইপিজেড থেকে প্রায় ৯০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। পানি ও গ্যাসের সহজলভ্যতার কারণে অন্যান্য ইপিজেডের তুলনায় কুমিল্লা ইপিজেডে টেক্সটাইল শিল্পের প্রসার ঘটেছে। এ কারখানাগুলো বিশ্বমানের ডেনিম ফ্যাব্রিক তৈরি করছে। এ ইপিজেডে অত্যাধুনিক কিছু গার্মেন্টস কারখানা প্রথাগত গার্মেন্টস পণ্যের বাইরেও তৈরি করছে হাই এন্ড বিভিন্ন পণ্য যেমন: মোটরসাইকেল সেফটি জ্যাকেট, ওয়ার্কওয়্যার প্রভৃতি। এছাড়া তৈরি হচ্ছে গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ, খেলনা, সেফটি স্যু, কিচেন ইউটেনসিল, মেডেল, চাবির রিং, টেক্সটাইল ডাইস, মেডিসিন বক্স, আই প্যাচ, হেয়ার ও ফ্যাশন অ্যাকসেসরিজ হেয়ার এক্সসরিজ ও বিউটি গুডস, লেদার ফুটওয়্যার ও ফুটওয়্যার এক্সসরিজ, কিচেন প্রোডাক্টস, মেডেল ও ট্রফি, ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য, কেমিক্যাল, টেন্টস এন্ড স্লিপিং প্রোডাক্টস ইত্যাদি।
কুমিল্লা ইপিজেডে বর্তমানে ৫০ হাজারের অধিক শ্রমিক কাজ করছেন, যাদের বেশির ভাগই কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। প্রতি পরিবারে ৪ জন করে সদস্য ধরলে এর মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ মানুষের জীবিকার একটা বন্দোবস্ত হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের আয়, জীবনমান ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা বেড়েছে। ইপিজেডকে ঘিরে বেকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাষ্ট্রি তৈরী হয়েছে, গড়ে উঠেছে রেস্টুরেন্ট, পরিবহন, নির্মাণ, আবাসন, বিপণিবিতান, হাসপাতালসহ নানা খাত, যা একটি গতিশীল নগর অর্থনীতির রূপ নিয়েছে। তদুপরি এ ইপিজেডকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ, কেমিক্যাল এবং অন্যান্য ফরওয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প, যা স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি বাড়িয়েছে। ইপিজেডে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নির্মাণসামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য ও অফিসসামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ ইপিজেড-ভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
কুমিল্লা নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। কুমিল্লা ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ৬৬% ই নারী যা অত্র অঞ্চলের গ্রামীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ইপিজেডকে কেন্দ্র করে আবাসন, পরিবহন, রেস্টুরেন্ট, নির্মাণ শিল্প ও প্রতিষ্ঠানসহ ইপিজেডে সরবরাহের লক্ষ্যে বেকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাষ্ট্রি তৈরী হয়েছে যা অত্র অঞ্চলের মানুষের জীবিকার এবং সামষ্টিক অর্থনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা পালন করছে। এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নেও কুমিল্লা ইপিজেড একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। দেশি ও বিদেশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থায় দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। ফলে তৈরি হচ্ছে একঝাঁক প্রশিক্ষিত ও প্রযুক্তিপ্রবণ মানবসম্পদ। আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের সন্তানদের ৫০% কম খরচে মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। অনেক কারখানায় রয়েছে ডে-কেয়ার সেন্টার। কুমিল্লা ইপিজেডস্থ শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইপিজেড মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যার মাধ্যমে ইপিজেডের সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিনামূল্যে ২৪/৭ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কুমিল্লা ইপিজেডে স্থাপিত শিল্প-প্রতিষ্ঠানসমূহের তরল বর্জ্য এর পাশাপাশি স্যুয়ারেজ বর্জ্য পরিশোধন ও পরিশোধন কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিশোধনের জন্য ইপিজেড কর্তৃপক্ষ একটি অভিজ্ঞ সার্ভিস ওরিয়েন্টড কোম্পানি এর মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে যাতে রাসায়নিক এবং জৈবিক উভয় পদ্ধতিতে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫,০০০ ঘনমিটার বর্জ্য পরিশোধন করা যায়।
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কুমিল্লা ইপিজিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিশ্চিত করেই কুমিল্লাবাসীও এ অবদানের গর্বিত অংশীদার।
লেখকঃ পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত।













http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
নগরভবন নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হলে ফেরত যাবে ১২৫ কোটি টাকা
কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল কুশপুত্তলিকায় আগুন, জুতা নিক্ষেপ
কুমিল্লায় পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাংচুর তিন পুলিশসহ আহত ৪, আটক ১
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা
বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হসপিটাল নতুন নামকরণ করে চালুর ঘোষণা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদে কুমিল্লায় আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
সংসদে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুর দাবি এমপি মনির চৌধুরীর
নগরভবন বর্তমান স্থানেই চায় কুমিল্লার মানুষ
বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হসপিটাল নতুন নামকরণ করে চালুর ঘোষণা
লালমাইয়ের প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার লুট
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২