বাংলাদেশ
পুলিশ বাহিনীর গর্বিত সদস্য (কনস্টেবল) হিসেবে ১৯৮৯ সালে চাকরিজীবন শুরু
করেছিলেন আব্দুল আউয়াল মজুমদার। একটি দিন, একটি মাস, একটি বছর- এভাবে পুলিশ
সদস্য পরিচয়ে কেটে গেছে প্রায় চার দশক। সুদীর্ঘ ৩৭ বছরে নিজের মেধা,
যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতায় পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে তিনি দায়িত্ব
পালন করেছেন। তার চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে অবসর জনিত বিদায়
সংবর্ধনার আয়োজন করেন কুমিল্লার লালমাই থানা পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার (৩১
জুলাই) বিকেলে লালমাই থানা প্রাঙ্গণে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর
চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সুসজ্জিত পুলিশের গাড়িতে
করে তাকে গ্রামের বাড়িতে সম্মানের সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আব্দুল আউয়াল
মজুমদার কনস্টেবল হিসেবে সর্বশেষ লালমাই থানায় দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ
৩৭ বছরের চাকরিজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই )থেকে তিনি
অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যান।
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লালমাই থানার
অফিসার ইনচার্জ মো : শহীদুল ইসলাম বিদায়ী সহকর্মীর হাতে সম্মাননা স্মারক
এবং শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন। সাফল্য ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার
জন্য আব্দুল আউয়াল মজুমদারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওসি।
থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও তাকে বিদায় সংবর্ধনা জানান। এ সময় আব্দুল
আউয়াল মজুমদার এর পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন। পরে একটি
সুসজ্জিত গাড়িতে করে তাকে পাশ্ববর্তী সদর দক্ষিণ উপজেলার সিটি কর্পোরেশনের
উত্তর রামপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আব্দুল আউয়াল মজুমদার
জানান, চাকরিজীবন শেষে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নেওয়া নিঃসন্দেহে অনেক
আনন্দের। এটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এটি তার জন্য দুর্লভ মুহূর্ত। তাকে যে
সম্মান দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনি অভিভূত। তিনি যেমনটি বলেছেন চাকুরী জীবনে
বেশিরভাগ সময় যেখানে চাকুরী করেছেন ম্যাচ ম্যানেজার মানে খাবারের দায়িত্বে
ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ৪ বছর আগেই স্বেচ্ছায় অবসর নেন। ব্যক্তিগত
জীবনে তিন সন্তানের জনক তিনি।
লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো : শহীদুল
ইসলাম বলেন, আমাদের সহকর্মী আব্দুল আউয়াল মজুমদার বাংলাদেশ পুলিশ থেকে এবং
আমাদের থেকে আজ বিদায় নিচ্ছেন। তিনি তার পরিবার নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত দিনগুলো
ভালো ভাবে কাটান, সেই দোয়া কামনা করছি। আপনারাও সবাই দোয়া করবেন তিনি যেন
ভালো থাকেন,সুস্থ থাকেন।
