
ফিফা
বিশ্বকাপের এবারের আসরের সহ-আয়োজক মেক্সিকো মাঠের পারফরম্যান্সে যেন
রীতিমতো উড়ছে। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই দাপুটের সঙ্গে জয় পাওয়া
মেক্সিকানরা জিতেছে রাউন্ড অব ৩২-এর খেলাতেও। দীর্ঘ ৪০ বছর পরে শেষ ষোলোতে
জায়গা করে নিয়েছে জাভিয়ার অ্যাগুইরের শিষ্যরা।
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের
আসরটি বসেছিল মেক্সিকোতে। সেবার দলের অন্যতম তারকা ছিলেন বর্তমান কোচ
অ্যাগুইরে। গ্রুপ পর্ব শেষে চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছিল
তারা। বুলগেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালেও উঠে যায় সেবারের
আয়োজকরা। কিন্তু টাইব্রেকারে পশ্চিম জার্মানির কাছে হারলে আর সেমিফাইনালে
উঠা হয়নি।
সেই বিশ্বকাপের পর টানা সাতটি আসরে গ্রুপ পর্ব পার করতে
পারলেও কখনই নকআউট পর্বের ম্যাচে জিততে পারিনি মেক্সিকো। এবার সেই হারের
বৃত্ত ভেঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার পথে রয়েছে মেক্সিকানরা।
তবে সেরা
আটে উঠতে হলে বড় পরীক্ষা দিতে হবে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের। কেননা
ইংল্যান্ড-কঙ্গো মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে লড়তে হবে তাদের।
নিশ্চিতভাবে এই ম্যাচের ফেভারিট ইংলিশরা। অর্থাৎ সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ
ইংল্যান্ডকে হারিয়েই সেরা আটে উঠতে হবে অ্যাগুইরের শিষ্যদের। আর এই ম্যাচও
জিতলে কোয়ার্টারে ব্রাজিল কিংবা নরওয়ের মুখোমুখি হতে হবে মেক্সিকোর।
ইতিহাস
বলছে, শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জিতে যেতে পারে মেক্সিকো। এর আগে ১৯৭০ এবং ১৯৮৬
সালে দুটি আসর বসেছিল মেক্সিকোতে। কাকতালীয়ভাবে দুবারই কোয়ার্টার পর্ব খেলে
তারা। সেই ধারা অব্যাহত থাকলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেরা আটে উঠেও যেতে পারে
তারা।
আবার অপ্টা সুপারকম্পিউটারের হিসাবেও শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জয়ের বড়
সম্ভাবনা রয়েছে মেক্সিকানদের। সুপারকম্পিউটারের প্রেডিকশনে প্রায় ৫০ শতাংশ
জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের।
