নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষা দিতে আসেনি ১ হাজার ৭ শ ৯৫ জন। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মোট পরীক্ষার্থীর ২.৪২ শতাংশ অনুপস্থিত ছিল। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সালাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ সালাউদ্দিন জানান, বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় নোয়াখালী জেলার একজন বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া এ বিষয়ে মোট ৭৪ হাজার ২৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭২ হাজার ৪৭৯ জন উপস্থিত ছিল। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিতির সংখ্যা কুমিল্লা জেলায় ৫৮৬ জন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৯৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ হাজার ৩২৪ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী এবং ছেলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৭৬৫ জন। ২০২৬ সালের এইচএসসির জন্য ১ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করলেও ফরম পূরণ করেছে ৯৫ হাজার ৮৯ জন, অর্থাৎ প্রায় ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয় নি বা নিতে পারে নি।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ডঃ শফিকুল ইসলাম, উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ সালাউদ্দিনসহ বোর্ডের ঊর্ধ্বতনও কর্মকর্তাগণ।
কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা সকল কেন্দ্রের চার পাশে ১৪৪ ধারা জারি রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেছি। সকল কেন্দ্রে সিসিক্যামেরা চালু রাকার জন্য বলেছি। আমরা যেন সব সময় পর্যবেক্ষণ করতে পারি।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরো জানান, বৈরী আবহাওয়ার জন্যও সকল কেন্দ্রে প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। মোমবাতি, চার্জলাইট বা সোলার চালু রাখার জন্য বলা হয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ আরো জানান, ২০২৬ সালের এইচ এস সি পরীক্ষার জন্য সকল কেন্দ্রগুলোকে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা নকল ও অনিয়মমুক্ত পরীক্ষা উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর। শুধু পরীক্ষার্থীরা নয়, পরীক্ষকদেরকেও থাকতে হবে। আমাদের যেসব ভিজিলেন্স টিম থাকবে সেগুলো বোর্ডের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করতে থাকবেন। কোথাও কোন ব্যত্যয় দেখলে তারা সাথে সাথে ব্যবস্থা নেবেন।
ঝরে পড়েছে ২৭ হাজার শিক্ষার্থী:
কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় ছেলেদের তুলনায় ২০ হাজার ১৬৫ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছে। মোট ৯৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ হাজার ৩২৪ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী এবং ছেলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৭৬৫ জন। ২০২৬ সালের এইচএসসির জন্য ১ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করলেও ফরম পূরণ করেছে ৯৫ হাজার ৮৯ জন, অর্থাৎ প্রায় ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয় নি বা নিতে পারে নি।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ডঃ শফিকুল ইসলাম, উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ সালাউদ্দিনসহ বোর্ডের ঊর্ধ্বতনও কর্মকর্তাগণ। এসময় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার অধীনে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার ১৯৩টি কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪৬৪ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে পরীক্ষায়। আমাদের দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠমোর কারনে অনেকে শিক্ষার্থী আয়রোজগারে যুক্ত হয় তাই এই শিক্ষার্থীর পরিমান কমে আসে।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী মানবিক বিভাগে ৪৩ হাজার ৪৯৪ জন, এরপর বিজ্ঞান বিভাগে ২৮ আর হাজার ৪৯৭ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষার্থীর ২৩ হাজার ৯৮ জন। কুমিল্লা বোর্ডে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে ফেনী জেলা থেকে। ৪২ টি প্রতিষ্ঠানের ১১ টি কেন্দ্রে এই জেলা থেকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ হাজার ৬৪৯ জন। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কুমিল্লা জেলার ১৭০ টি প্রতিষ্ঠানের ৭৮ টি কেন্দ্র ৩৩ হাজার ৬১২ জন। এছাড়াও নোয়াখালী জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৯০৫ জন, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৯ হাজার ৮০ জন, চাঁদপুর জেলায় ১৩ হাজার ৭৯৫ জন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১২ হাজার৪৮ জন।
কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা সকল কেন্দ্রের চার পাশে ১৪৪ ধারা জারি রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেছি। সকল কেন্দ্রে সিসিক্যামেরা চালু রাকার জন্য বলেছি। আমরা যেন সব সময় পর্যবেক্ষণ করতে পারি।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরো জানান, বৈরী আবহাওয়ার জন্যও সকল কেন্দ্রে প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। মোমবাতি, চার্জলাইট বা সোলার চালু রাখার জন্য বলা হয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ আরো জানান, ২০২৬ সালের এইচ এস সি পরীক্ষার জন্য সকল কেন্দ্রগুলোকে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা নকল ও অনিয়মমুক্ত পরীক্ষা উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর। শুধু পরীক্ষার্থীরা নয়, পরীক্ষকদেরকেও থাকতে হবে। আমাদের যেসব ভিজিলেন্স টিম থাকবে সেগুলো বোর্ডের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করতে থাকবেন। কোথাও কোন ব্যত্যয় দেখলে তারা সাথে সাথে ব্যবস্থা নেবেন।
