ক্রীড়া ডেস্ক।।
বিশ্বকাপের
নকআউট পর্বে আজ আবেগ আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক অনন্য মিশেল নিয়ে মাঠে নামছে
পর্তুগাল। শেষ ৩২-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বাধীন
পর্তুগালের প্রতিপক্ষ লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। তবে ম্যাচটির গুরুত্ব
শুধু শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ নয়। দিনটি পর্তুগিজ ফুটবলের জন্য
গভীর শোক ও স্মৃতিরও। কারণ, আজ পর্তুগালের সাবেক ফরোয়ার্ড দিয়োগো জোটার
প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।
জোটা ছিলেন পর্তুগালের অন্যতম প্রতিভাবান
আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। জাতীয় দলের পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলেও নিজের দক্ষতার
স্বাক্ষর রেখেছিলেন তিনি। বিশেষ করে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলের হয়ে তাঁর
পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। জাতীয় দলের
ড্রেসিংরুমেও তিনি ছিলেন সবার প্রিয় এক মুখ। তাই তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে
মাঠে নামা পর্তুগাল দলের জন্য আবেগের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।
পর্তুগিজ
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ম্যাচের আগে জোটাকে স্মরণ করে বিশেষভাবে
উদ্বুদ্ধ রয়েছেন দলের খেলোয়াড়রা। সাবেক সতীর্থের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে জয়
তুলে নেওয়াই রোনালদোদের প্রধান লক্ষ্য। দলের অনেক খেলোয়াড়ই অতীতে জোটার
সঙ্গে জাতীয় দল ও ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন। ফলে ম্যাচটি তাদের কাছে শুধুই একটি
নকআউট লড়াই নয়, বরং প্রয়াত সতীর্থের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোরও উপলক্ষ।
২০২৫
সালের ৩ জুলাই এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান দিয়োগো জোটা।
সেদিন নিজের ভাই আন্দ্রেকে সঙ্গে নিয়ে একটি ল্যাম্বরগিনি গাড়ি চালিয়ে
স্পেনের জামোরা প্রদেশের সানাব্রিয়ার এ–৫২ মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়
সময় রাত প্রায় ১২টা ৪০ মিনিটে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে
পড়ে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তেই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই জোটা ও তাঁর
ভাই নিহত হন। এই দুর্ঘটনা পুরো ফুটবল বিশ্বকে শোকাহত করেছিল।
