স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে ৭৭ হাজার ৪০ জন
বন্দি আটক আছেন, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।
তিনি জানান, ময়মনসিংহ,
কুমিল্লা, জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে নতুন কারাগার
নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এ চারটি কারাগার নির্মাণ-পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ হলে
বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পেয়ে সর্বমোট ৪৮ হাজার ১৩১
জনে উন্নীত হবে।
বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও
প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো.
আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের
জবাবে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ৭ জুন পর্যন্ত
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে অনুমোদিত সর্বমোট
বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ জন এবং নারী ২
হাজার ২৯। এর বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন বন্দি আটক আছে। এর মধ্যে
পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ এবং নারী ২ হাজার ৭৭, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের
আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে। বন্দি আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য এরই মধ্যে
বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরাণীগঞ্জ, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী
জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ চালু করা হয়েছে এবং কিশোরগঞ্জ
জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২ ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২
শিগগিরই চালু করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা,
জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে নতুন কারাগার নির্মাণ কাজ
চলমান রয়েছে। উল্লিখিত চারটি কারাগারের নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ কাজ সম্পন্ন
হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পেয়ে সর্বমোট ৪৮ হাজার ১৩১
জনে উন্নীত হবে। এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি
কারাগার পুনঃনির্মাণে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে
ধারণক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
