সংসদ
কক্ষে ভারী চেয়ার স্থাপনের কারণে সংসদ সদস্যদের হাত কাটা যাচ্ছে বলে
জানিয়েছেন সরকারদলীয় এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি বলেছেন, ‘চেয়ারের
পিনগুলো সব খোলা। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে, এগুলো দেখা দরকার।’
বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
জয়নুল
আবদিন বলেন, এখানে (সংসদ কক্ষে) তিনশ থেকে বেশি চেয়ার আছে। চেয়ারগুলোর যে
অবস্থা, আমরা যারা এখানে আছি, ১৬ বছরে পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত, কারও
কোমরে ব্যথা, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা। এ চেয়ারগুলোর পেছনে গ্যাপ
তিন ইঞ্চি। যখন এখানে বসা হয়, তখন গ্যাপটা পূরণের ব্যবস্থা করা দরকার। অনেক
তরুণ এমপিও বসতে পারেন না।
চেয়ারগুলোর ওজনের বিষয়ে ফারুক বলেন, ১৯৯১
সালে প্রথম এমপি হয়েছিলাম। তখন চেয়ারগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রেকর্ড
খুঁজলে পাওয়া যাবে, তখন এ চেয়ারগুলো এত ভারী করা হয়েছিল যেন তুলে নিক্ষেপ
করা না হয়। সেজন্য মনে হয় লোহার শেকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে। সেটা ইতিহাস। এ
চেয়ারগুলো এত ওজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দেখলেন, পেছনে হাত কেটে ফেলেছেন,
পিনগুলো সব খোলা। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে, এগুলো দেখার দরকার।
পয়েন্ট
অব অর্ডারে তিনি বলেন, সংসদ কক্ষে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোর বিষয়ে জামায়াতের
এক এমপি কথা বলেন। এ বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত। পৃথিবীর অনেক দেশের
সংসদে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে, সেখানে এ নিয়মটা আছে। সে নিয়মটা ইসলাম
পরিপন্থি কি না? আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির বিষয়ে কোনো বাধা আছে কি না, এ
বিষয়ে আপনি (স্পিকার) সিদ্ধান্ত দেওয়ার মালিক।
পরে স্পিকার বলেন, মাথা ঝোঁকানোর বিষয়ে আমি পরে জানাবো।
