শুক্রবার ১৭ এপ্রিল ২০২৬
৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বিসিবিকে ‘বাপেরদোয়া ক্রিকেট বোর্ড’ বললেন হাসনাত
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ এএম আপডেট: ০৯.০৪.২০২৬ ১:৪৩ এএম |





 বিসিবিকে ‘বাপেরদোয়া ক্রিকেট বোর্ড’ বললেন হাসনাতনিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অন্তর্র্বতী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বিরোধী দলের আপত্তির মুখে অনুমোদন করেছে জাতীয় সংসদ। বুধবার এ-সংক্রান্ত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর আগে বিলটি উত্থাপনে আপত্তি জানান বিরোধী দল এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। এটি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে বিতর্ক হয়।
বিলে আপত্তি দিয়ে দেওয়া বক্তব্যের একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, এই বিলটি পাস করার আগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়ের সুরাহা জরুরি। কারণ, ইনডেমনিটির বিষয়টি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর নির্ভরশীল। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে যে দলীয়করণ হবে না, ‘বাপের দোয়া মানবাধিকার কমিশন বা বিরোধী দল দমন কমিশন’ করা হবে না, সে বিষয়ে আস্থা তাঁরা রাখতে পারছেন না।
হাসনাতের বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্র্বতী সরকারের আমলে কারা বাংলাদেশ ব্যাংক দখল করেছিল তা মানুষ জানে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কারা দখলে নিয়েছিল তা তিনি বলতে চান না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁরা শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন করতে চান।
পরে কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে উত্থাপনের পক্ষে ‘হ্যা’ ভোট জয়যুক্ত হয়। এতে হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তি নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি সংসদে তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়।
রাষ্ট্রপতি ২৫ জানুয়ারি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’ জারি করেছিলেন।

হাসনাতের আপত্তি:
বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল উত্থাপন করতে গেলে তাতে আপত্তি জানান হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিলের সংজ্ঞার দুটি বিষয়ে আপত্তি জানান হাসনাত। বিলে কমিশন অর্থ বলা হয়েছে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’। এই কমিশনকে স্বাধীন করতে অন্তর্র্বতী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, তা অনুমোদন না করে ২০০৯ সালের আইনটি পুনঃপ্রচলনের জন্য ইতিমধ্যে সংসদে বিল আনা হয়েছে। এটি পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
বিলের সংজ্ঞায় ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’-এর অর্থ বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড।
এ দুটি বিষয় উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো একভাবে দেখা হবে। আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে যেই কার্যাবলিগুলো সংঘটিত হয়েছে, সেটাকে একভাবে দেখা হবে।
হাসনাত বলেন, সমস্যা হলো সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে ধরনের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেটাকে এই আইন অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। অর্থাৎ এই ইনডেমনিটির বিষয়টা নির্ভর করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ ইতিমধ্যে ল্যাপ (বাতিল) করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, এখন এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনটা এটা যদি ২০০৯ সালের অনুযায়ী চলে, তাহলে সেটা কিন্তু পুরোপুরি সরকার-নিয়ন্ত্রিত একটা মানবাধিকার কমিশন, যে মানবাধিকার কমিশন বিরোধী দল ও মতকে দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ভিক্টিম ব্লেমিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেই মানবাধিকার কমিশনে গুম-খুনের বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখা হলে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এই কার্যক্রমগুলোকে বিচারের এবং নিরীক্ষণের দায়িত্ব ওই কমিশনকে দেওয়া হলে এই নিরীক্ষণ প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
হাসনাত বলেন, ‘এ ছাড়া আমরা যদি দেখি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে নগ্নভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে দখল করা হয়েছে, যেভাবে বিসিবিকে এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, এটা নাই, এটা...বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়েছে।’
হাসনাত বলেন, তিনি যখন সংসদে কথা বলছেন, তখন ২৮ জন বিচারককে তাঁদের চ্যাট গ্রুপে ব্যক্তিগত মতামত দেওয়ার কারণে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এই বাস্তবতায় আমরা এই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে যদি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে একটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি, কাদের মাধ্যমে আমরা নিরপেক্ষ কোন ধরনের অনুসন্ধান আমরা কতটা পাব, সেটা নিয়ে কিন্তু আমরা সন্দিহান।’
এ বিলটি কার্যকর করতে হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই স্বাধীন করতে হবে বলে মত দেন তিনি। সংসদে সবাই অতীতে নির্যাতনের শিকার-এমন উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, তাঁরা আশা করেছিলেন, মানবাধিকার কমিশন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হবে। কিন্তু যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত-নিপীড়িত হয়েছে, তারা কমিশনকে মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখতে চাইছে। এ ক্ষেত্রে তাদের অজুহাত মানবাধিকার কমিশন স্বায়ত্তশাসিত হলে এটার জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত হবে?
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যেভাবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো নগ্নভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে, সেখানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে দলীয়করণ করা হবে না, আবার ‘বাপের দোয়া একটা মানবাধিকার কমিশন বা বিরোধী দল দমন কমিশন’ করা হবে না, সেটাতে তাঁরা আস্থা রাখতে পারছেন না। তিনি মনে করেন, এই বিলটি পাস করার আগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়ের সুরাহা জরুরি।
এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দলীয়করণ করা হলে দিন শেষে গুম–খুন থেকে শুরু করে জুলাই ইনডেমনিটি কাগজেই থেকে যাবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘না হয় বিসিবির মতো আমরা আবার বাপের দোয়া কমিশন দেখতে পাব। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো আবার দলীয়করণ দেখতে পাব। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলাকে যেভাবে একধরনের দলীয়করণ করা হয়েছে, আমরা সেভাবে দেখতে পাব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব:
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখন কীসের মধ্যে কী? পান্তা ভাতে ঘি। এখানে বিষয়টি হচ্ছে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। এটা জুলাই যোদ্ধাদের দাবি ছিল। এই দাবি জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তার মধ্যে অঙ্গীকারনামার একটা দফা ছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যাঁরা জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের ওপরে হানাদার বাহিনীর মতো গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ এবং তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও পেটোয়া বাহিনী নিপীড়ন চালিয়েছে, অত্যাচার চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে। জনতার প্রতিরোধের মধ্যে তাদেরও কেউ কেউ প্রাণ হারিয়েছে। এটা যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে।
অভ্যুত্থানকারীদের সাংবিধানিকভাবে এবং আইনের সুরক্ষা দেওয়া দরকার উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে সবার মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্র্বতী সরকার এই অধ্যাদেশটা জারি করে। এখানে সংশোধন আনতে চাইলে আগে নোটিশ দিতে পারতেন। কিন্তু এখন বিল উত্থাপনের পরে আপনারা অন্য বিধিতে তা করতে পারেন।
বিসিবি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মধ্যে ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কীভাবে এল? অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের সময় তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ক্ষমতার প্রয়োগ করে সারা বাংলাদেশে জেলা কমিটিগুলোকে প্রভাবিত করেছিলেন। বাংলাদেশে যেসব রেজিস্টার্ড ক্লাব ছিল, তাদের কাউন্সিলরদের প্রভাবিত করে সরকারি সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে একতরফাভাবে ক্রিকেট বোর্ডে একটি বডি করা হয়েছিল। হাইকোর্টে রিট নিষ্পত্তি না করেই এটা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়। সেই তদন্ত কমিটি রিপোর্টে বলেছে, যথেষ্ট অনিয়ম হয়েছে। ওই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আগের বোর্ড ডিজলভড (ভেঙে দেওয়া) হয়েছে। এরপর একটি ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অ্যাডহক কমিটি হয়েছে। কাকে দিয়ে হয়েছে? এই দেশের কৃতী ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে দিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি বিধি মোতাবেক তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেবে-এ কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখানে বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া করিনি। এত দিন শুনতাম মায়ের দোয়া পরিবহন আছে। আজকে মাননীয় সংসদের কল্যাণে দেখলাম বাপের দোয়া কমিটি আছে।’
মানবাধিকার কমিশন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতির কাছে একটি ভুল বার্তা যাচ্ছে। মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন এবং আইসিটি অ্যাক্ট-তিনটার মধ্যে ওভারল্যাপিং আছে। আইনমন্ত্রী কয়েক দিন আগে পরিষ্কার করে বলেছেন। আমরা একটা স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন করতে চাই। যার সঙ্গে মিল থাকবে গুম আইনে, মিল থাকবে আইসিটি আইনের। কারণ, গুমের কারণে যে বিচারটা আইসিটি কোর্টে এখন করা হচ্ছে, আইনটা পরিবর্তন করে। যার সাজা যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ডও আছে। ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি তাদের আছে। প্রসিকিউশন টিম আছে। তদন্ত টিম আছে। তারা ফরমাল চার্জ দাখিল করে। ওই চার্জ দাখিলের পর ইভেন নির্বাচন করার উপযুক্ত থাকে না। এই শক্তিশালী আইনের সঙ্গে ম্যাচিং না করে আরও কম সাজার বিধান করে একটা টেম্পরারি তদন্ত করার একটা দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দিয়ে এক-দেড় বছর সময় বিনষ্ট হবে। তার চেয়ে যিনি গুমের ভিকটিম, তিনি সরাসরি আইসিটি অ্যাক্টে মামলা দায়ের করতে পারেন। তদন্ত হবে। তদন্তের জন্য আলাদা টিম আছে। এর সঙ্গে মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে একটা মিল থাকবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন আমরা করতে চাই। সেটা সঙ্গে ম্যাচিং না করে গত অন্তর্র্বতী সরকার আমি বলব একটি বালখিল্য আইন করে দিয়েছে। এখন যে মানবাধিকার কমিশনকে যেসব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে অংশীজনের আলাপ-আলোচনা ছিল না। অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। আমাদের পার্বত্য সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশে এলজিবিটি সমস্যা আছে। আমাদের সামাজিক-অর্থনৈতিক-ধর্মীয় সব সংস্কৃতিকে মিলিয়ে এরপর আমরা এ দেশের উপযোগী আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানবাধিকার কমিশন করব।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক দখল কারা করেছিল অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের সময়ে, তা এ দেশের মানুষ জানে। বাংলাদেশ ব্যাংক কাদের নেতৃত্বে, কীভাবে,...বাংলাদেশে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনে করেছিলাম, বাংলাদেশের অর্থনীতিটা পুনরুদ্ধারের জন্য তারা কাজ করবে। বিপরীত করেছে। আমরা এখন সাফার করছি। আর বিশ্ববিদ্যালয়? সব বিশ্ববিদ্যালয় কারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল? এগুলো আমরা বলতে চাই না। এই ফ্যাসাদে আমরা যেতে চাই না।’












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লার ১৪৫৮ জন কৃষক ‘কৃষি কার্ড’ পাবেন আজ
কুমিল্লায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আজ
হোমনায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান
নারী উদ্যোক্তা প্রমির হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
নববর্ষে কুমিল্লায় বিশাল মাছের মেলা
কুমিল্লায় পৃথক দুর্ঘটনায় সড়কে ঝড়লো ৯ প্রাণ
৫ বছর পর মা-বাবার কোলে ফিরল মুরাদনগরের সাইদুল
বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ কুমিল্লায়
কুমিল্লায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা শুরু
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২