কুমিল্লার
লাকসামে যথাযোগ্য মর্যদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পালিত
হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে লাকসাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক
অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন লাকসাম প্রেস
ক্লাব নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, লাকসাম প্রেস ক্লাবের সাবেক
সভাপতি মো. আবদুল কুদ্দুস, সাবেক আহ্বায়ক মনির আহমেদ, অঅর্থ বিষয়ক সম্পাদক
হামিদুল ইসলাম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শাহ
নুরুল আলম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক
জি.এম.এস রুবেল, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
লাকসাম
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রেস
ক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান একুশ আমাদের অহংকার, আত্মমর্যাদা, অধিকার ও
গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২'র ভাষা আন্দোলন ছিলো ১৯৭১'র মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
এবং স্বাধীনতার ফসল গৌরবের অর্জিত বিজয়। একুশের চেতনাই বাঙালির গৌরব। আগামী
প্রজন্মকে অমর একুশ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করে গড়ে তোলাই হোক
আমাদের অঙ্গীকার।
এদিকে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের
নব-নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম একুশের প্রথম প্রহরে রাত
১২টা ১মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এমপি
হিসেবে শহীদ মিনারে এটিই তাঁর প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন। এসময় শহীদ মিনারে
জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অপরদিকে লাকসাম
উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নার্গিস
সুলতানা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা, স্বাস্থ্য ও পরিবার
পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আল
আমিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আহাম্মদ উল্লাহ সবুজ
শহীদবেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এ
ছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে লাকসাম থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদ
আহাম্মদ, রেলওয়ে থানা পুলিশ, লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, লাকসাম প্রেসক্লাব, লাকসাম সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন এনজিও, বিভিন্ন
রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সরকারি-বেসরকারি
বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ পৃথক পৃথক ভাবে শহীদ মিনারে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় শহিদ
মিনার প্রাঙ্গণে সবার মুখে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি” গানটি উচ্চারিত হয়।
