শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৯ ফাল্গুন ১৪৩২
বিজয়ী এমপিদের প্রায় অর্ধেকই ঋণগ্রহীতা: সুজন
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৬ এএম |



এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জন বিভিন্ন অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন। শতাংশের হিসাবে যা প্রায় ৫০ শতাংশ। তাদের মধ্যে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন ৩৬ জন। ঋণগ্রহীতা বিজয়ীদের মধ্যে ১২৬ জনই বিএনপি থেকে নির্বাচিত।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) এ তথ্য উপস্থাপন করে।
সুজন আরও দাবি করেছে, আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার ঋণগ্রহীতার হার বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে ঋণগ্রহীতার হার ছিল ৪৫ শতাংশ, যা এবারে বেড়ে প্রায় ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সুজন।
সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি। তারা তড়িঘড়ি করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করেছে। গেজেট প্রকাশ করে তারা হাত মুছে নিয়েছে। তাদের আর কোনও কিছু করার নেই!
তিনি মনে করেন, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য, তারা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে নির্বাচনি ফলাফলের সমীকরণ বদলে যায়। তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
তিনি বলেন, যখন এ রকম প্রশ্ন ওঠে, তখন নির্বাচন কমিশন তদন্ত করতে পারে। তদন্ত করে ফলাফল বাতিলও করতে পারে। আবার নতুন নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারে তারা। এই নির্বাচনেও এই প্রশ্নগুলো উঠেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি।
সুজন সম্পাদক আরও বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল। তারা আদালত থেকে ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকের বিষয় নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। এ রকমও অভিযোগ উঠেছে যে, অনেকে দ্বৈত নাগরিক এবং তারা প্রয়োজনীয় নথি না দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেয়েছেন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারপর গেজেট প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছিল। নির্বাচনের পরে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠু হয়েছে কিনা, সেটি ‘সার্টিফাই’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটা পালন করেনি।
তবে এখনও সুযোগ আছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আরপিওর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে, যদি হলফনামা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে, কোনও অভিযোগ ওঠে, তাহলে গেজেট প্রকাশের পরেও এটা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তারা নির্বাচনও বাতিল দিতে পারবে।













http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
মহান একুশে ফেব্রুয়ারি
অমর একুশে আজ
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধায় মানুষের ঢল
প্রথম প্রয়োরিটি কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন
বরুড়ায় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন গণ সংবর্ধনা প্রদান
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
আজ কুমিল্লা সফরে আসছেন মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন
ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে: মন্ত্রী ইয়াছিন
কুমিল্লায় ব্রয়লার মুরগির দাম দুই দিনে কেজিতে বাড়তি ২০ টাকা ধরলেন জেলা প্রশাসক
কুমিল্লার ইফতারি বাজারে জিলাপির দোকানে ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি
কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৩৯ লাখ টাকারভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২