ক্রয়
মূল্যের রশিদের সাথে বিক্রয় মূল্যের বিশাল তফাত। রমাজানের শুরুতেই বাড়তি
লাভে মুরগি- সবজি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের। কেউ আবার দেখাতে পারেন
নি ক্রয়মূল্যের রশিদ- তাই ইচ্ছেমত দামে চলছে বেচা কেনা। আবার কুমিল্লায় গত
দুই দিনে যেখানে ১৮০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগির মাংস ২০০ টাকা কেজিতে
পৌঁছেছে। বাজার মনিটরিংয়ে গিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক পেয়েছেন এমন চিত্র।
রমজান
মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে প্রথম রমজান বৃহস্পতিবার
দুপুরে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ চকবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার
পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।
পরিদর্শনকালে তিনি
নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের খুচরা ও পাইকারি মূল্য যাচাই, ক্রয় রসিদ
পর্যালোচনা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও
মজুতদারি রোধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক মু. রেজা
হাসান বলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটির সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী রমজানে অতিরিক্ত মূল্য আদায় প্রতিরোধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই
অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তিনি
বলেন, দুই দিন আগেও যেখানে ১৮০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছিলো আজ
দেখলাম ২০০ টাকা কেজি। এটা ঠিক না। আমি বাজার মনিটরিং এবং ভোক্তা অধিকারকে
বলেছি ব্যবস্থা নিতে।
অভিযানে দেখা যায়, শাকসবজি, কাঁচাবাজারের
বিভিন্ন পণ্য, লেবু, শসা প্রভৃতির দামে বৃদ্ধি রয়েছে। পাশাপাশি গরুর মাংস ও
ব্রয়লার মুরগির দামও তুলনামূলক বেশি রাখতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক
করা হয় এবং যৌক্তিক দামে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পুলিশ সদস্যদের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।
