নিজস্ব
প্রতিবেদক।। নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপকর্ম রোধে অভিযোগ বক্স
স্থাপন করেছেন কুমিল্লা-১০ আসনের নবনির্বাচিত ধানের শীষের সংসদ সদস্য
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। নিজ দল কিংবা অন্য দলের কেউ চাঁদাবাজি বা কোনো ধরনের
অপকর্মে জড়িত থাকলে তাদের চিহ্নিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার
নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলা চত্বরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত এসব
অভিযোগ বক্সের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নজরে
আসতেই সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
এ
বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মতামত তুলে ধরেছেন সাধারণ নাগরিকরা।
সাইফ পলাশ নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী দৈনিক কুমিল্লার কাগজের একটি পোস্টের
মন্তব্যে লেখেন, ভালো উদ্যোগ। তবে বক্সের পাশাপাশি ইমারজেন্সি নম্বর
৯৯৯-এর মতো একটি হটলাইন চালু করলে ভালো হতো। এতে মানুষ আরও ভয়মুক্তভাবে
অভিযোগ জানাতে পারত এবং অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন থাকত।
খোরশেদ আলম নামে
আরেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, আলহামদুলিল্লাহ। উদ্যোগটি ভালো। যদি সৎ
উদ্দেশ্যে করা হয়, তবে এর বাস্তব প্রয়োগ কতটুকু হবে সেটাই দেখার বিষয়।
কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠের পাশেও একটি অভিযোগ বক্স স্থাপন করা উচিত।
কুমিল্লা শহরে অনেক রাজনৈতিক কর্মীর কাছে চাঁদাবাজি যেন পেশায় পরিণত হয়েছে।
সুফিয়ান
সবুজ নামে আরেকজন লিখেছেন, উদ্যোগ ভালো। তবে বাক্স কতটা টেকসই হবে এবং
কোথায় কোথায় থাকবে সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। পাশাপাশি তদারকি ও
রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার, তাও পরিষ্কার নয়।
এছাড়া নাঙ্গলকোটের
পাশাপাশি কুমিল্লা সদর এলাকাতেও এমন উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়ে জুবায়ের বিন
নূর মন্তব্য করেন, আমাদের কুমিল্লা-৬ আসনের এমপির কোনো খোঁজ নেই। এখানে
সরকার যেই আসুক, অবস্থার তেমন পরিবর্তন হয় না। অন্য এলাকায় দেখেছি এমপি
হওয়ার পরপরই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কুমিল্লায়
তা বাড়তেই দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া
বলেন,চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপকর্ম রোধে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের অভিযোগ
গ্রহণের জন্য এই অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। যাতে আমার নিজ দল কিংবা
উপজেলার কোনো চাঁদাবাজ বা অপকর্মকারী কোনোভাবেই ছাড় না পায়। এ বিষয়ে আমার
জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি করে সংসদে
পাঠিয়েছেন, আমি তাদের পাহারাদার হয়ে থাকতে চাই।
